০৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
ইনভিক্টাস গেমসের মাধ্যমে নতুন জীবন পাচ্ছেন আহত সেনারা: প্রিন্স হ্যারির স্বপ্ন আরও বড় অলিম্পিক সোনা জয়ের পরও আলোচনায় অ্যালিসা লিউ, আনন্দেই খুঁজে পেলেন সাফল্যের নতুন অর্থ মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলে কার্টেল-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় গুলিতে মেয়রের মৃত্যু ইংলিশ চ্যানেলে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেলবাহী জাহাজ আটক করল ব্রিটিশ বাহিনী আসামের গ্রামীণ নারীদের হাতে টেকসই চা চাষের নতুন দিগন্ত নগদ প্রবাহ আটকে গেলে উন্নয়নও থেমে যায় লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গাইলেন ব্ল্যাকপিংকের লিসা আজই সই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি, খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালী: ট্রাম্প ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ২৭৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ বাংলাদেশের সংস্কারের প্রশংসা পেলেও বাস্তবায়ন ও রাজস্ব আদায়ে সংশয়, এফবিসিসিআই-এর প্রতিক্রিয়া বাজেটে

জাপানের উন্নত যুদ্ধবিমান প্রকল্পে কানাডার আগ্রহ, চীনের সঙ্গে ব্যবধান কমাতে নতুন কৌশল

চীনের দ্রুত আধুনিকায়নশীল বিমানবাহিনীর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে জাপান যখন নতুন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির পথে এগোচ্ছে, তখন এই প্রকল্পে কানাডার সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা বড় ধরনের গতি এনে দিতে পারে।

কানাডা যুক্ত হতে পারে বহুজাতিক জোটে

জাপান, যুক্তরাজ্য ও ইতালিকে নিয়ে গঠিত গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম (জিসিএপি)-এ অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে কানাডা। মঙ্গলবার আসাহি পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জাপান তাদের পুরোনো এফ-২ যুদ্ধবিমানের পরিবর্তে ষষ্ঠ প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার ‘টেম্পেস্ট’ তৈরির পরিকল্পনা করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডা সরাসরি উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত না হলেও এই যুদ্ধবিমান তাদের প্রতিরক্ষা প্রয়োজনের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা মূল্যায়ন করবে এবং প্রয়োজনে ক্রয়ের বিষয়টিও বিবেচনা করবে।

Global Combat Air Programme - Wikipedia

জুলাইয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা

যুক্তরাজ্যে চার দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই এই অংশগ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে। এই উদ্যোগ থেকে বোঝা যায়, কানাডা তাদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস খুঁজছে। বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

জাপান সফরে আলোচনায় উঠে আসে বিষয়টি

মার্চ মাসে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জাপান সফরে গেলে এই প্রকল্পে কানাডার সম্পৃক্ততার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ জোটকে আরও শক্তিশালী করা।

কানাডার হবু প্রধানমন্ত্রী কে এই মার্ক কার্নি, ট্রাম্পকে কি সামলাতে পারবেন  তিনি | প্রথম আলো

বাণিজ্য জোটের প্রেক্ষাপট

এই অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় জাপান, কানাডা ও আরও নয়টি দেশ বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমানো এবং পণ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই জোট থেকে বেরিয়ে গেলেও পরের বছর দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রান৪আর্থ ম্যারাথন, জলবায়ু সচেতনতার বার্তা

জাপানের উন্নত যুদ্ধবিমান প্রকল্পে কানাডার আগ্রহ, চীনের সঙ্গে ব্যবধান কমাতে নতুন কৌশল

০৫:৪৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

চীনের দ্রুত আধুনিকায়নশীল বিমানবাহিনীর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে জাপান যখন নতুন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির পথে এগোচ্ছে, তখন এই প্রকল্পে কানাডার সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা বড় ধরনের গতি এনে দিতে পারে।

কানাডা যুক্ত হতে পারে বহুজাতিক জোটে

জাপান, যুক্তরাজ্য ও ইতালিকে নিয়ে গঠিত গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম (জিসিএপি)-এ অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে কানাডা। মঙ্গলবার আসাহি পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। জাপান তাদের পুরোনো এফ-২ যুদ্ধবিমানের পরিবর্তে ষষ্ঠ প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার ‘টেম্পেস্ট’ তৈরির পরিকল্পনা করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডা সরাসরি উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত না হলেও এই যুদ্ধবিমান তাদের প্রতিরক্ষা প্রয়োজনের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা মূল্যায়ন করবে এবং প্রয়োজনে ক্রয়ের বিষয়টিও বিবেচনা করবে।

Global Combat Air Programme - Wikipedia

জুলাইয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা

যুক্তরাজ্যে চার দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই এই অংশগ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে। এই উদ্যোগ থেকে বোঝা যায়, কানাডা তাদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস খুঁজছে। বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

জাপান সফরে আলোচনায় উঠে আসে বিষয়টি

মার্চ মাসে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জাপান সফরে গেলে এই প্রকল্পে কানাডার সম্পৃক্ততার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ জোটকে আরও শক্তিশালী করা।

কানাডার হবু প্রধানমন্ত্রী কে এই মার্ক কার্নি, ট্রাম্পকে কি সামলাতে পারবেন  তিনি | প্রথম আলো

বাণিজ্য জোটের প্রেক্ষাপট

এই অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় জাপান, কানাডা ও আরও নয়টি দেশ বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমানো এবং পণ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই জোট থেকে বেরিয়ে গেলেও পরের বছর দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন।