প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠন এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। সংস্কারমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও বিনিয়োগ-বান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করা হলেও বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং রাজস্ব আদায় নিয়ে বারবার সতর্কতা উচ্চারিত হয়েছে।
এফবিসিসিআইয়ের প্রতিক্রিয়া
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এই বাজেটকে প্রবৃদ্ধি-ভিত্তিক একটি রূপরেখা হিসেবে অভিহিত করেছে, যা বিনিয়োগ, শিল্প উৎপাদন এবং সংকট-পরবর্তী পুনরুদ্ধারে গুরুত্ব দিচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উপস্থাপিত এই বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, রেকর্ড পরিমাণ এই বাজেট বাস্তব অর্থনীতিকে সহায়তার একটি কাঠামো তৈরি করলেও এর সফলতা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার ওপর।
থ্রি-আর কৌশল
বাজেটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ‘থ্রি-আর’ কৌশলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে—পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতা, পুনঃস্থাপন এবং পুনর্গঠন। এফবিসিসিআই নেতৃত্ব মনে করছে, সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে এই বহুস্তরীয় পরিকল্পনা সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করবে, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করবে এবং অপেক্ষাকৃত স্থিতিস্থাপক প্রবৃদ্ধির পথ তৈরি করবে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর সরকারের গুরুত্ব দেওয়াকেও সমর্থন করেছে সংগঠনটি।
শঙ্কা ও সতর্কবার্তা
তবে উন্নয়ন সংস্থা এবং অর্থনীতিবিদদের একাংশ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। জামায়াতে ইসলামী বাজেটকে ‘প্রতারণামূলক’ বলে অভিহিত করেছে এবং সংস্থা সিপিডি কালো টাকা সাদা করার সুযোগকে কর-ন্যায্যতার পরি
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















