যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। তবে এই বিরতির মধ্যেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ইরান কার্যত অবরোধ বজায় রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে লেবাননেও উত্তেজনা কমেনি, কারণ সেখানে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল তাদের হামলা চালিয়ে গেছে।

লেবানন কি যুদ্ধবিরতির আওতায়
বুধবার ইরান দাবি করে, এই যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও রয়েছে। তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র এই সমঝোতার শর্ত ঠিকভাবে মানছে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ওয়াশিংটনের সামনে এখন স্পষ্ট দুটি পথ খোলা আছে। একটি হলো যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা, অন্যটি হলো ইসরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ও বিরোধী অবস্থান
এই যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা পাকিস্তানও বলেছে, চুক্তির মধ্যে লেবানন অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয় হোয়াইট হাউস। ফলে সমঝোতার প্রকৃত সীমা কোথায়, তা নিয়ে কূটনৈতিক অস্বচ্ছতা আরও বেড়েছে।
সংকট এখনো কাটেনি
সব মিলিয়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে উত্তেজনা এখনো স্পষ্ট। হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তা, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং চুক্তির শর্ত নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, এই বিরতি এখনো খুব নাজুক অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি যে কোনো সময় আবারও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















