১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
তুসনের দরজায় প্রকৃতির হাতছানি, মরুভূমি থেকে পাহাড়—অভিযানের অনন্য গন্তব্য বাংলাদেশের অর্থবাজারে বড় পরিবর্তন: লেনদেনভিত্তিক সুদের হার চালু করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন কমেছে ২৫-৩০ শতাংশ, জরুরি সরকারি সহায়তা চায় বিজিএমইএ মার্চে শেয়ারবাজার ধস, ডিএসইএক্স সূচকে বড় পতন বাখের অজানা সুরের গভীরতা: নতুনভাবে ফিরে আসছে ‘ক্লাভিয়ার-উবুং থ্রি’ চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে দিনাজপুর মেডিক্যালে ইন্টার্নদের কর্মবিরতি, জরুরি সেবায় ব্যাঘাত আশা ভোঁসলের কণ্ঠে তেলুগু গানের স্মৃতি, সীমিত কাজেও অমর ছাপ স্যামসাং গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো: প্রিমিয়াম ইয়ারবাডে নতুন মানদণ্ড, কিন্তু সবার জন্য নয় ছয় মাসে এক ইনজেকশনেই নিয়ন্ত্রণে উচ্চ রক্তচাপ, নতুন গবেষণায় আশার আলো চাঁদ ঘিরে বিশাল রিং নির্মাণের স্বপ্ন: জাপানি কোম্পানির সাহসী মহাকাশ পরিকল্পনা

মার্চে শেয়ারবাজার ধস, ডিএসইএক্স সূচকে বড় পতন

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ২০২৬ সালের মার্চ মাসে উল্লেখযোগ্য ধাক্কা খেয়েছে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫,১৭৮ দশমিক ৩১ পয়েন্টে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৫,৬০০ দশমিক ২৭। অর্থাৎ এক মাসেই সূচক কমেছে প্রায় ৪২২ পয়েন্ট।

বিশ্বব্যাপী বিক্রির চাপের প্রভাব
এই পতনের পেছনে ছিল বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাসিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় সব বড় সূচকই মার্চে লোকসানে ছিল। বাংলাদেশের বাজার তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ভারতের বাজারে আরও বড় পতন দেখা গেছে।

এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের চিত্র
মার্চ মাসটি এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের বাজারগুলোর জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা কম্পোজিট সূচক ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ কমেছে। পাকিস্তানের কেএসই ১০০ সূচক কমেছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ভারতের সেনসেক্স কমেছে ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এছাড়া তাইওয়ানের সূচক কমেছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, থাইল্যান্ডের সেট সূচক ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং মালয়েশিয়ার কেএলএসই কমেছে ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক কমেছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাংসেং ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইটস টাইমস সূচক কমেছে ২ দশমিক ১৯ শতাংশ, যা এ অঞ্চলে সবচেয়ে কম পতন।

ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজার
ইউরোপেও একই চিত্র দেখা গেছে। জার্মানির ডিএএক্স সূচক কমেছে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক কমেছে ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ডাও জোন্স সূচকও কমেছে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা বৈশ্বিক ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতার প্রতিফলন।

বার্ষিক প্রবৃদ্ধির ভিন্ন চিত্র
যদিও বেশিরভাগ বাজারে বছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ছিল ইতিবাচক, বাংলাদেশ ও ভারত এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলে একমাত্র দেশ যেখানে বছরভিত্তিক সূচক কমেছে। ডিএসইএক্স কমেছে ০ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ভারতের সেনসেক্স কমেছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ।

অন্যদিকে তাইওয়ানের সূচক বছরে বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ, জাপানের ৪৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ২৫ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ২৬ দশমিক ২৬ শতাংশ। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখেছে।

মুদ্রাস্ফীতিতে বড় স্বস্তি
শেয়ারবাজারে চাপ থাকলেও বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতিতে বড় ধরনের কমতি এসেছে। বছরভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতি কমেছে ১৬ দশমিক ১০ শতাংশ, যা পর্যালোচনাধীন দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হ্রাস।

অন্যদিকে ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। শুধুমাত্র থাইল্যান্ডে সামান্য হ্রাস দেখা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে শেয়ারবাজারে বড় ধস, ৬ বছরে একদিনে

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে শক্ত অবস্থান
বর্তমান বাজারদরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশ, যা এই পর্যালোচনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তাইওয়ান শীর্ষে রয়েছে ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ নিয়ে। এই প্রবৃদ্ধি ভারত, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার চেয়েও বেশি।

অন্যদিকে উন্নত অর্থনীতিগুলো পিছিয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের ১ শতাংশ এবং জার্মানি ও জাপানের মাত্র ০ দশমিক ৪০ শতাংশ।

উচ্চ বন্ড সুদের প্রভাব
বাংলাদেশের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা অঞ্চলের অন্যতম উচ্চ হার। পাকিস্তানের পরেই এর অবস্থান। এই উচ্চ সুদের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছেড়ে স্থির আয়ের দিকে ঝুঁকছেন, যা বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে।

ভারত, ইন্দোনেশিয়া, তাইওয়ান ও সিঙ্গাপুরে বন্ডের সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম।

বাজার ও অর্থনীতির মধ্যে অসামঞ্জস্য
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি থাকা সত্ত্বেও শেয়ারবাজারের দুর্বলতা একটি বড় অসামঞ্জস্য নির্দেশ করছে। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও কমতে থাকা মুদ্রাস্ফীতি সাধারণত বাজারের জন্য ইতিবাচক হলেও বাস্তবে তা প্রতিফলিত হচ্ছে না।

এর পেছনে উচ্চ বন্ড সুদ, বাজারের সীমিত গভীরতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামীর সম্ভাবনা
বাজার স্থিতিশীল করতে ঋণের সুদ কমানো, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানো জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্চ মাস বিনিয়োগকারীদের জন্য কঠিন হলেও কমতে থাকা মুদ্রাস্ফীতি ভবিষ্যতে বাজার স্থিতিশীল করার জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তুসনের দরজায় প্রকৃতির হাতছানি, মরুভূমি থেকে পাহাড়—অভিযানের অনন্য গন্তব্য

মার্চে শেয়ারবাজার ধস, ডিএসইএক্স সূচকে বড় পতন

০৮:৩৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ২০২৬ সালের মার্চ মাসে উল্লেখযোগ্য ধাক্কা খেয়েছে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫,১৭৮ দশমিক ৩১ পয়েন্টে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৫,৬০০ দশমিক ২৭। অর্থাৎ এক মাসেই সূচক কমেছে প্রায় ৪২২ পয়েন্ট।

বিশ্বব্যাপী বিক্রির চাপের প্রভাব
এই পতনের পেছনে ছিল বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাসিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় সব বড় সূচকই মার্চে লোকসানে ছিল। বাংলাদেশের বাজার তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ভারতের বাজারে আরও বড় পতন দেখা গেছে।

এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের চিত্র
মার্চ মাসটি এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের বাজারগুলোর জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা কম্পোজিট সূচক ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ কমেছে। পাকিস্তানের কেএসই ১০০ সূচক কমেছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ভারতের সেনসেক্স কমেছে ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এছাড়া তাইওয়ানের সূচক কমেছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, থাইল্যান্ডের সেট সূচক ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং মালয়েশিয়ার কেএলএসই কমেছে ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক কমেছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাংসেং ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইটস টাইমস সূচক কমেছে ২ দশমিক ১৯ শতাংশ, যা এ অঞ্চলে সবচেয়ে কম পতন।

ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজার
ইউরোপেও একই চিত্র দেখা গেছে। জার্মানির ডিএএক্স সূচক কমেছে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক কমেছে ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ডাও জোন্স সূচকও কমেছে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা বৈশ্বিক ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতার প্রতিফলন।

বার্ষিক প্রবৃদ্ধির ভিন্ন চিত্র
যদিও বেশিরভাগ বাজারে বছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ছিল ইতিবাচক, বাংলাদেশ ও ভারত এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলে একমাত্র দেশ যেখানে বছরভিত্তিক সূচক কমেছে। ডিএসইএক্স কমেছে ০ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ভারতের সেনসেক্স কমেছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ।

অন্যদিকে তাইওয়ানের সূচক বছরে বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ, জাপানের ৪৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ২৫ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ২৬ দশমিক ২৬ শতাংশ। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখেছে।

মুদ্রাস্ফীতিতে বড় স্বস্তি
শেয়ারবাজারে চাপ থাকলেও বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতিতে বড় ধরনের কমতি এসেছে। বছরভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতি কমেছে ১৬ দশমিক ১০ শতাংশ, যা পর্যালোচনাধীন দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হ্রাস।

অন্যদিকে ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। শুধুমাত্র থাইল্যান্ডে সামান্য হ্রাস দেখা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে শেয়ারবাজারে বড় ধস, ৬ বছরে একদিনে

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে শক্ত অবস্থান
বর্তমান বাজারদরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশ, যা এই পর্যালোচনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তাইওয়ান শীর্ষে রয়েছে ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ নিয়ে। এই প্রবৃদ্ধি ভারত, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার চেয়েও বেশি।

অন্যদিকে উন্নত অর্থনীতিগুলো পিছিয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের ১ শতাংশ এবং জার্মানি ও জাপানের মাত্র ০ দশমিক ৪০ শতাংশ।

উচ্চ বন্ড সুদের প্রভাব
বাংলাদেশের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা অঞ্চলের অন্যতম উচ্চ হার। পাকিস্তানের পরেই এর অবস্থান। এই উচ্চ সুদের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছেড়ে স্থির আয়ের দিকে ঝুঁকছেন, যা বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে।

ভারত, ইন্দোনেশিয়া, তাইওয়ান ও সিঙ্গাপুরে বন্ডের সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম।

বাজার ও অর্থনীতির মধ্যে অসামঞ্জস্য
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি থাকা সত্ত্বেও শেয়ারবাজারের দুর্বলতা একটি বড় অসামঞ্জস্য নির্দেশ করছে। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও কমতে থাকা মুদ্রাস্ফীতি সাধারণত বাজারের জন্য ইতিবাচক হলেও বাস্তবে তা প্রতিফলিত হচ্ছে না।

এর পেছনে উচ্চ বন্ড সুদ, বাজারের সীমিত গভীরতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামীর সম্ভাবনা
বাজার স্থিতিশীল করতে ঋণের সুদ কমানো, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানো জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্চ মাস বিনিয়োগকারীদের জন্য কঠিন হলেও কমতে থাকা মুদ্রাস্ফীতি ভবিষ্যতে বাজার স্থিতিশীল করার জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।