০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
পোশাক খাতে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করার দাবি বিজিএমইএর ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা ফেনীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২  নিরাপত্তার রাজনীতি ও দ্বিধাগ্রস্ত জনমত: জাপানের নতুন বাস্তবতা ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি ২০২৭ সালের মধ্যে চালুর অঙ্গীকার নেপথ্যের ‘গুরু’, গোপন বার্তা ও তুলসি গ্যাবার্ডের রাজনৈতিক উত্থান ঘিরে ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক অনুসন্ধান যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ফুটবল নায়ক অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের উত্থান দিনাজপুর সীমান্তে ‘বাংলাদেশে পুশইন’ অভিযোগ, একই পরিবারের চার সদস্য আটক ঢাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে রিকশাচালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়, যুবক আটক হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, বাংলাদেশে হামে প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৯

ছয় মাসে এক ইনজেকশনেই নিয়ন্ত্রণে উচ্চ রক্তচাপ, নতুন গবেষণায় আশার আলো

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা। নিয়মিত ওষুধে কাজ না করা রোগীদের জন্য মাত্র ছয় মাসে একবার নেওয়া একটি ইনজেকশনই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বলে জানা গেছে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেল
এই গবেষণাটি একটি বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ, যেখানে ৬৬৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাদের সবারই নিয়মিত ওষুধ নেওয়ার পরও রক্তচাপ ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। গবেষণায় দেখা যায়, যারা নতুন এই ইনজেকশনটি তাদের চলমান চিকিৎসার সঙ্গে নিয়েছেন, তাদের রক্তচাপ অন্যদের তুলনায় বেশি কমেছে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
উচ্চ রক্তচাপ বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই সহজ ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি খুঁজে বের করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

A twice-yearly injection could lower high blood pressure, new study  suggests - Futura-Sciences

কীভাবে কাজ করে ইনজেকশনটি
নতুন এই ওষুধটি বিশেষ এক প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে, যা শরীরের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়। এই প্রোটিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এর উৎপাদন কমে গেলে রক্তনালীগুলো শিথিল হয়, ফলে রক্তচাপও কমে আসে। ইনজেকশনটি ত্বকের নিচে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর প্রভাব থাকে।

চিকিৎসায় নতুন সুবিধা
এই ইনজেকশনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বছরে মাত্র দুইবার নিলেই চলে। ফলে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং রোগীদের জন্য চিকিৎসা মেনে চলা সহজ হয়। গবেষকরা বলছেন, এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা—দুটিই আশাব্যঞ্জক।

ভবিষ্যৎ গবেষণা ও পরিকল্পনা
বর্তমানে এই ওষুধ নিয়ে আরও একটি গবেষণা চলছে, যেখানে হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ওপর এর প্রভাব যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে আরেকটি গবেষণার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে দেখা হবে এটি স্ট্রোক বা হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার কমাতে কতটা সক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক খাতে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করার দাবি বিজিএমইএর

ছয় মাসে এক ইনজেকশনেই নিয়ন্ত্রণে উচ্চ রক্তচাপ, নতুন গবেষণায় আশার আলো

০৭:২৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা। নিয়মিত ওষুধে কাজ না করা রোগীদের জন্য মাত্র ছয় মাসে একবার নেওয়া একটি ইনজেকশনই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বলে জানা গেছে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেল
এই গবেষণাটি একটি বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ, যেখানে ৬৬৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাদের সবারই নিয়মিত ওষুধ নেওয়ার পরও রক্তচাপ ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। গবেষণায় দেখা যায়, যারা নতুন এই ইনজেকশনটি তাদের চলমান চিকিৎসার সঙ্গে নিয়েছেন, তাদের রক্তচাপ অন্যদের তুলনায় বেশি কমেছে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
উচ্চ রক্তচাপ বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই সহজ ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি খুঁজে বের করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

A twice-yearly injection could lower high blood pressure, new study  suggests - Futura-Sciences

কীভাবে কাজ করে ইনজেকশনটি
নতুন এই ওষুধটি বিশেষ এক প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে, যা শরীরের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়। এই প্রোটিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এর উৎপাদন কমে গেলে রক্তনালীগুলো শিথিল হয়, ফলে রক্তচাপও কমে আসে। ইনজেকশনটি ত্বকের নিচে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর প্রভাব থাকে।

চিকিৎসায় নতুন সুবিধা
এই ইনজেকশনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বছরে মাত্র দুইবার নিলেই চলে। ফলে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং রোগীদের জন্য চিকিৎসা মেনে চলা সহজ হয়। গবেষকরা বলছেন, এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা—দুটিই আশাব্যঞ্জক।

ভবিষ্যৎ গবেষণা ও পরিকল্পনা
বর্তমানে এই ওষুধ নিয়ে আরও একটি গবেষণা চলছে, যেখানে হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ওপর এর প্রভাব যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে আরেকটি গবেষণার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে দেখা হবে এটি স্ট্রোক বা হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার কমাতে কতটা সক্ষম।