০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই মেলনের বৈশ্বিক কে-পপ তালিকায় আলোচনায় রাইজ ও বয় নেক্সট ডোর হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে যমুনার স্রোতে ভেসে প্রাণ গেল দুই মাদ্রাসাছাত্রের খেলাপি ঋণের চাপে ‘মোট শকে’ ব্যাংকিং খাত, সংসদে রেজা কিবরিয়ার কঠোর সমালোচনা ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার মেধাতালিকা ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের

স্যামসাং গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো: প্রিমিয়াম ইয়ারবাডে নতুন মানদণ্ড, কিন্তু সবার জন্য নয়

স্যামসাং তাদের নতুন গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছে, যা কোম্পানির এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উন্নত ওয়্যারলেস ইয়ারবাড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগের প্রজন্মের তুলনায় এটি বড় ধরনের পরিবর্তন না আনলেও ছোট ছোট উন্নতির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করেছে।

নকশায় পরিণত ও ব্যবহারবান্ধব
গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো-তে আগের স্টেম ডিজাইন বজায় রাখা হলেও এতে আরও পরিণত ও পরিষ্কার ফিনিশ দেওয়া হয়েছে। ধাতব ছোঁয়া যুক্ত হওয়ায় এটি দেখতে আরও মার্জিত লাগে। চার্জিং কেসটিও আগের চেয়ে পাতলা এবং বহন করা সহজ। ইয়ারবাডের অবস্থানও বদলানো হয়েছে, ফলে কেসে রাখা ও বের করা আরও সহজ হয়েছে।

নতুন নিয়ন্ত্রণ ও হেড জেসচার
এই ডিভাইসে চাপ-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আগের মতোই রাখা হয়েছে, তবে এতে নতুন হেড জেসচার যুক্ত হয়েছে। ব্যবহারকারী মাথা নাড়িয়ে কল রিসিভ বা বাতিল করতে পারবেন। বাস্তব জীবনে এই ফিচারটি বেশ সুবিধাজনক বলে মনে হচ্ছে।

Samsung Galaxy Buds4 Pro Review: AirPods Pro for Android | WIRED

সংযোগে গ্যালাক্সি নির্ভরতা
বাডস ৪ প্রো-তে উন্নত ব্লুটুথ প্রযুক্তি থাকলেও এর অনেক ফিচার পুরোপুরি উপভোগ করতে হলে গ্যালাক্সি ডিভাইস প্রয়োজন। স্বয়ংক্রিয় সংযোগ ও উন্নত অডিও কোডেক মূলত স্যামসাং ডিভাইসেই ভালোভাবে কাজ করে।

শব্দের মানে বড় উন্নতি
এই ইয়ারবাডে নতুন ডুয়াল ড্রাইভার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা বেস, মিড ও ট্রেবলকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করেছে। উচ্চ মানের অডিও সাপোর্টের কারণে গান শোনার অভিজ্ঞতা আরও গভীর ও স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে লাইভ মিউজিক বা সিনেমার অডিওতে এটি আলাদা মাত্রা যোগ করে।

কল কোয়ালিটিতে পরিষ্কার অগ্রগতি
ছয়টি মাইক্রোফোন ও উন্নত শব্দ প্রসেসিং প্রযুক্তির কারণে কোলাহলপূর্ণ পরিবেশেও পরিষ্কার কথা বলা যায়। এতে কণ্ঠ আরও স্বাভাবিক শোনায়, যা কাজের মিটিং বা দৈনন্দিন কথোপকথনের জন্য উপযোগী।

ব্যাটারি: যথেষ্ট, তবে শীর্ষে নয়
ব্যাটারি পারফরম্যান্স আগের মতোই থাকায় এতে বড় পরিবর্তন আসেনি। একবার চার্জে প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ব্যবহার করা যায় এবং কেসসহ মোট সময় প্রায় ২৬ থেকে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত যায়।

শেষ কথা
গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো মূলত একটি উন্নত সংস্করণ, যেখানে বড় পরিবর্তনের বদলে সূক্ষ্ম উন্নতির দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। যারা স্যামসাং ইকোসিস্টেমে আছেন, তাদের জন্য এটি অন্যতম সেরা প্রিমিয়াম ইয়ারবাড হতে পারে। তবে অন্য ব্যবহারকারীদের জন্য এর কিছু ফিচার সীমিত হয়ে যেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ

স্যামসাং গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো: প্রিমিয়াম ইয়ারবাডে নতুন মানদণ্ড, কিন্তু সবার জন্য নয়

০৭:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

স্যামসাং তাদের নতুন গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছে, যা কোম্পানির এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উন্নত ওয়্যারলেস ইয়ারবাড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগের প্রজন্মের তুলনায় এটি বড় ধরনের পরিবর্তন না আনলেও ছোট ছোট উন্নতির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করেছে।

নকশায় পরিণত ও ব্যবহারবান্ধব
গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো-তে আগের স্টেম ডিজাইন বজায় রাখা হলেও এতে আরও পরিণত ও পরিষ্কার ফিনিশ দেওয়া হয়েছে। ধাতব ছোঁয়া যুক্ত হওয়ায় এটি দেখতে আরও মার্জিত লাগে। চার্জিং কেসটিও আগের চেয়ে পাতলা এবং বহন করা সহজ। ইয়ারবাডের অবস্থানও বদলানো হয়েছে, ফলে কেসে রাখা ও বের করা আরও সহজ হয়েছে।

নতুন নিয়ন্ত্রণ ও হেড জেসচার
এই ডিভাইসে চাপ-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আগের মতোই রাখা হয়েছে, তবে এতে নতুন হেড জেসচার যুক্ত হয়েছে। ব্যবহারকারী মাথা নাড়িয়ে কল রিসিভ বা বাতিল করতে পারবেন। বাস্তব জীবনে এই ফিচারটি বেশ সুবিধাজনক বলে মনে হচ্ছে।

Samsung Galaxy Buds4 Pro Review: AirPods Pro for Android | WIRED

সংযোগে গ্যালাক্সি নির্ভরতা
বাডস ৪ প্রো-তে উন্নত ব্লুটুথ প্রযুক্তি থাকলেও এর অনেক ফিচার পুরোপুরি উপভোগ করতে হলে গ্যালাক্সি ডিভাইস প্রয়োজন। স্বয়ংক্রিয় সংযোগ ও উন্নত অডিও কোডেক মূলত স্যামসাং ডিভাইসেই ভালোভাবে কাজ করে।

শব্দের মানে বড় উন্নতি
এই ইয়ারবাডে নতুন ডুয়াল ড্রাইভার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা বেস, মিড ও ট্রেবলকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করেছে। উচ্চ মানের অডিও সাপোর্টের কারণে গান শোনার অভিজ্ঞতা আরও গভীর ও স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে লাইভ মিউজিক বা সিনেমার অডিওতে এটি আলাদা মাত্রা যোগ করে।

কল কোয়ালিটিতে পরিষ্কার অগ্রগতি
ছয়টি মাইক্রোফোন ও উন্নত শব্দ প্রসেসিং প্রযুক্তির কারণে কোলাহলপূর্ণ পরিবেশেও পরিষ্কার কথা বলা যায়। এতে কণ্ঠ আরও স্বাভাবিক শোনায়, যা কাজের মিটিং বা দৈনন্দিন কথোপকথনের জন্য উপযোগী।

ব্যাটারি: যথেষ্ট, তবে শীর্ষে নয়
ব্যাটারি পারফরম্যান্স আগের মতোই থাকায় এতে বড় পরিবর্তন আসেনি। একবার চার্জে প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ব্যবহার করা যায় এবং কেসসহ মোট সময় প্রায় ২৬ থেকে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত যায়।

শেষ কথা
গ্যালাক্সি বাডস ৪ প্রো মূলত একটি উন্নত সংস্করণ, যেখানে বড় পরিবর্তনের বদলে সূক্ষ্ম উন্নতির দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। যারা স্যামসাং ইকোসিস্টেমে আছেন, তাদের জন্য এটি অন্যতম সেরা প্রিমিয়াম ইয়ারবাড হতে পারে। তবে অন্য ব্যবহারকারীদের জন্য এর কিছু ফিচার সীমিত হয়ে যেতে পারে।