যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে এপস্টিন কাণ্ড। এমন এক সময়ে, যখন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতে চেষ্টা করছিলেন, ঠিক তখনই তার স্ত্রী মেলানিয়ার আকস্মিক বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
হঠাৎ বক্তব্যে চমক
হোয়াইট হাউসে মেলানিয়ার প্রকাশ্য বক্তব্য অনেককেই অবাক করেছে। এমনকি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরাও আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে জানা গেছে। এই বক্তব্যের ফলে বহুদিনের পুরনো এপস্টিন বিতর্ক আবার সামনে চলে আসে, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন উত্তেজনা তৈরি করে।
সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে সরাসরি জবাব
মেলানিয়া স্পষ্টভাবে জানান, তার সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিন বা তার সহযোগীদের কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না। তিনি বলেন, কিছু সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা ছাড়া তাদের মধ্যে কোনো ঘনিষ্ঠতা ছিল না।
একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তার নাম জড়িয়ে যেসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা।

অতীতের ইমেইল নিয়ে বিতর্ক
এপস্টিন সংশ্লিষ্ট নথিতে মেলানিয়ার একটি পুরনো ইমেইলের উল্লেখ পাওয়া গেছে, যেখানে তিনি সৌজন্যমূলকভাবে এক পরিচিতকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তবে মেলানিয়ার দাবি, এটি শুধুই একটি সাধারণ সৌজন্য বার্তা, যার সঙ্গে অন্য কোনো অর্থ জড়িত নয়।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনার পর ট্রাম্প নিজেও কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। তিনি জানান, মেলানিয়ার বক্তব্য সম্পর্কে তিনি আগে থেকে অবগত ছিলেন না। তবে তিনি এটাও বলেন, তার স্ত্রী নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার অধিকার রাখেন।
তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা ট্রাম্পের জন্য নতুন করে চাপ তৈরি করেছে।

নতুন করে তদন্তের দাবি
মেলানিয়া এপস্টিনের ভুক্তভোগীদের জন্য প্রকাশ্য শুনানির দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে পারেন। তার এই বক্তব্য নতুন করে তদন্তের দাবি জোরালো করেছে।
রাজনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
বিশ্লেষকদের মতে, এই ইস্যু ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কারণ, তার সমর্থকদের মধ্যেই এপস্টিন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও সন্দেহ রয়েছে।
মেলানিয়ার এই পদক্ষেপ সেই বিতর্ককে আবার সামনে এনে দিয়েছে, যা সামনের দিনগুলোতে আরও বড় রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















