০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

পুঁজিবাজারের ওঠানামা: বৈশ্বিক ধাক্কা নাকি ভেতরের দুর্বলতা?

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—এই অস্থিরতার কারণ কি শুধুই বৈশ্বিক পরিস্থিতি, নাকি ভেতরের কাঠামোগত দুর্বলতা আরও বড় ভূমিকা রাখছে?

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।

বৈশ্বিক কারণ

যখন বিশ্বে অনিশ্চয়তা বাড়ে, তখন বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমাতে চায়। ফলে তারা শেয়ারবাজার থেকে টাকা তুলে নিরাপদ বিনিয়োগে চলে যায়।

এতে বাজারে বিক্রির চাপ বাড়ে এবং সূচক কমে যায়।

অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘদিন ধরেই নানা সমস্যায় ভুগছে। নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা, তথ্যের স্বচ্ছতার অভাব এবং সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ—এই সমস্যাগুলো বাজারকে দুর্বল করে রেখেছে।

বৈশ্বিক ধাক্কার সময় এই দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বিনিয়োগকারীর আস্থা

বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন জরুরি। আস্থা না থাকলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়ে না।

সামনে কী

শুধু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপে বাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

পুঁজিবাজারের ওঠানামা: বৈশ্বিক ধাক্কা নাকি ভেতরের দুর্বলতা?

০৭:০০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—এই অস্থিরতার কারণ কি শুধুই বৈশ্বিক পরিস্থিতি, নাকি ভেতরের কাঠামোগত দুর্বলতা আরও বড় ভূমিকা রাখছে?

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।

বৈশ্বিক কারণ

যখন বিশ্বে অনিশ্চয়তা বাড়ে, তখন বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমাতে চায়। ফলে তারা শেয়ারবাজার থেকে টাকা তুলে নিরাপদ বিনিয়োগে চলে যায়।

এতে বাজারে বিক্রির চাপ বাড়ে এবং সূচক কমে যায়।

অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘদিন ধরেই নানা সমস্যায় ভুগছে। নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা, তথ্যের স্বচ্ছতার অভাব এবং সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ—এই সমস্যাগুলো বাজারকে দুর্বল করে রেখেছে।

বৈশ্বিক ধাক্কার সময় এই দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বিনিয়োগকারীর আস্থা

বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন জরুরি। আস্থা না থাকলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়ে না।

সামনে কী

শুধু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপে বাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।