হলিউড অভিনেতা ভ্যাল কিলমার গত বছর মারা গেলেও এ বছর তাঁকে একটি নতুন চলচ্চিত্রে দেখা যাচ্ছে। নির্মাতারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর কণ্ঠস্বর ও চেহারা ডিজিটালভাবে পুনরুজ্জীবিত করে এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। ছবিটি প্রযুক্তি ও বিনোদন জগতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং এআই দিয়ে মৃত শিল্পীদের পুনরুজ্জীবনের নৈতিকতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন বিতর্ক উঠেছে।
এআই দিয়ে মৃত শিল্পীকে “জীবিত” করার প্রশ্ন
ভ্যাল কিলমার এর আগে নিজেই গলার ক্যান্সারের কারণে কথা বলার ক্ষমতা হারিয়েছিলেন এবং এআই দিয়ে তাঁর কণ্ঠ পুনরুদ্ধার করার একটি প্রকল্পে অংশ নিয়েছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে তাঁকে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়টিকে কেউ কেউ তাঁর ইচ্ছারই অংশ বলছেন। কিন্তু আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৃত্যুর পরে কোনো শিল্পীর সাদৃশ্য ব্যবহার করার আইনি ও নৈতিক অধিকার কার রয়েছে, সেটি এখনো অস্পষ্ট।
বিনোদন শিল্পে এআই ব্যবহারের নতুন অধ্যায়
হলিউডের একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে এআই ব্যবহার করে মৃত বা বয়স্ক অভিনেতাদের তরুণ রূপে উপস্থাপনের কাজ শুরু করেছে। অভিনেতা সংগঠনগুলো এই প্রবণতাকে তাদের সদস্যদের জীবিকার জন্য হুমকি বলে মনে করছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের অনলাইন দর্শকদের কাছেও ব্যাপক কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















