ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়লেও, ফিলিপাইনে এর প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। এতে করে দেশটির ভোক্তা সংগঠনগুলো সরকারকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে, বিশেষ করে পাম্পে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি জোরালো হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মত, সরাসরি মূল্য নিয়ন্ত্রণের বদলে কর ছাড়, লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি এবং পরিবহন খাতে সহায়তা দেওয়াই বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে।
জ্বালানির দাম আর আগের অবস্থায় ফিরবে না
ফিলিপাইনের জ্বালানি দপ্তরের সচিব শ্যারন গারিন এক রেডিও অনুষ্ঠানে জানান, ইরান যুদ্ধের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোর কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে, যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পড়বে।

তিনি বলেন, যদি যুদ্ধটি মাত্র দুই সপ্তাহ স্থায়ী হতো, তাহলে দাম দ্রুত কমে আসত। কিন্তু এখন যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করতে দীর্ঘ সময় লাগবে।
তার মতে, ভবিষ্যতে ডিজেলের দাম আবার লিটারপ্রতি ৬০ পেসোতে নেমে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। দাম কমলেও তা বাড়ার গতির মতো দ্রুত হবে না।
অস্থায়ী সংকট থেকে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা
এই পরিস্থিতি একটি বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে। শুরুতে যুদ্ধের কারণে যে দামের ধাক্কা দেখা দিয়েছিল, তা এখন ফিলিপাইনের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকটে রূপ নিতে পারে।
বিশেষ করে গণপরিবহনের জন্য অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষের কষ্ট এই সংকটকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। দেশের অর্থনীতি এবং দৈনন্দিন জীবনে এর প্রভাব ইতোমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















