ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে চলেছে এবং এর আগে দ্বিতীয় দফা আলোচনার আয়োজন করতে পাকিস্তান প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথম দফায় ইসলামাবাদে জেডি ভান্স ও ইরানি পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নতুন আশার আলো তৈরি করেছে।
মূল বিরোধের জায়গা কোথায়
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগ করুক, হরমুজ প্রণালী স্থায়ীভাবে খুলে দিক এবং প্রক্সি বাহিনীগুলোর সমর্থন বন্ধ করুক। ইরান বলছে, আগে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং ইসরায়েলি-মার্কিন হামলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বোমাবর্ষণে ধ্বংস হওয়ার পর তেহরান বলছে, পরমাণু সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা প্রতিহত করতে কোনো চুক্তিই যথেষ্ট নয়।
আঞ্চলিক প্রভাব ও বাংলাদেশের স্বার্থ
শান্তি আলোচনা সফল হলে বাংলাদেশ সহ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পথ তৈরি হবে। তবে ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মুসলিম বিশ্বের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের দেশের ভূমিকা শক্ত করতে চাইছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















