১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
চীনে বই পড়ার নতুন অভিযান: মোবাইল ছেড়ে পাঠে ফিরতে বলছে সরকার, কিন্তু স্বাধীনতা নিয়েই বড় প্রশ্ন চীনের ‘নিজস্ব পুলিশ কুকুর’ বিপ্লব: নিরাপত্তা থেকে জাতীয় গর্বে কুনমিংয়ের উত্থান হংকংয়ের অ্যান্টিক বাজারে লুকানো চীনের হারানো ঐতিহ্য, পাচারের অন্ধকার পথ উন্মোচন চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে কাই চি: শি জিনপিংয়ের ছায়াসঙ্গী নাকি ভবিষ্যতের উত্তরসূরি? আসাম ভোট ২০২৬: শুরুতেই চাপে বিরোধী শীর্ষ নেতারা, ফলাফলের আগে বাড়ছে জনমানসে উত্তেজনা আসামে ভোট গণনা শুরুতেই এগিয়ে বিজেপি, শর্মা ও গৌরব গগৈর লড়াইয়ে নজর কেরালায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত, ১৪০ আসনের লড়াইয়ে এগিয়ে কংগ্রেস জোট কলকাতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শুরুতেই সমানে সমান তৃণমূল-বিজেপি হাওরে আগাম বন্যার তাণ্ডব: ফসল হারিয়ে চোখের জলে ভাসছে ছাতকের কৃষক তামিলনাড়ু রাজনীতিতে নতুন ঝড়? বিজয়ের টিভিকে-র চমক, শুরুর ফলেই এগিয়ে ৪০-এর বেশি আসনে

ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরাত, তেলনীতি বদলে নতুন কৌশলে আমেরিকা-ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকছে আবুধাবি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনায় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দীর্ঘদিনের অস্বস্তি ও মতবিরোধের পর তারা তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ শুধু তেলবাজারেই নয়, পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সমীকরণেও বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কেন ওপেক ছাড়ল আমিরাত

অনেকদিন ধরেই ওপেকের নীতিমালার সঙ্গে নিজেদের লক্ষ্য মেলাতে পারছিল না আমিরাত। জোটের নিয়ম অনুযায়ী উৎপাদন সীমিত রাখতে হয়, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল থাকে। কিন্তু আমিরাতের পরিকল্পনা একেবারেই ভিন্ন। তারা চায় দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে এবং বাজারে নিজেদের উপস্থিতি শক্তিশালী করতে।

বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৩৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে দেশটি। আগামী কয়েক বছরে এই উৎপাদন ৫০ লাখ ব্যারেলে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা। কিন্তু ওপেকের কোটা মেনে চললে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। ফলে নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই শেষ পর্যন্ত জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় আবুধাবি।

UAE quits OPEC and OPEC+, reshaping oil power balance - CHOSUNBIZ

ওপেকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত ওপেকের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। একসময় বিশ্ব তেলবাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখলেও এখন সেই প্রভাব আগের মতো শক্তিশালী নেই। বিভিন্ন সদস্য দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে, অনেকেই কোটা মানছে না।

তবে সৌদি আরবসহ জোটের প্রভাবশালী দেশগুলো বিষয়টিকে বড় সংকট হিসেবে দেখাতে চায় না। তাদের মতে, এখনও ওপেক ও তার মিত্ররা বৈশ্বিক তেল উৎপাদনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। বরং কিছু বিশ্লেষক বলছেন, নিয়ম না মানা সদস্য কমে গেলে জোটের ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হতে পারে।

ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক বার্তা

এই সিদ্ধান্তের পেছনে কেবল অর্থনৈতিক হিসাব নয়, রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে। ওপেকে ইরান এখনও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এমন সময়ে জোট ছেড়ে আমিরাত এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করল তেহরানের সঙ্গে। এটি ইরানবিরোধী অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই বার্তাটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। আমিরাত বুঝিয়ে দিতে চাইছে, তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় আলাদা কৌশল নিতে প্রস্তুত।

Opportunities Revealed – Opening up of the Relationship between United Arab  Emirates and Israel

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ

ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ক গত কয়েক বছরে দ্রুত উন্নত হয়েছে। দুই দেশই উগ্রবাদবিরোধী অবস্থানে একমত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতেও অনেক ক্ষেত্রে কাছাকাছি অবস্থান নিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার একটি ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময়েও আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে প্রকাশ্য সংঘাতে যায়নি, বরং কৌশলগত দূরত্ব বজায় রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে থাকা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিও একটি স্পষ্ট বার্তা রয়েছে এই সিদ্ধান্তে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হলেও আমিরাত প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেনি। বরং তারা বারবার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের কথা বলেছে।

অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। তাই ওপেক ছাড়ার মাধ্যমে তারা বোঝাতে চেয়েছে, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গেই তারা থাকতে আগ্রহী।

উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব

Gulf countries' plans to bypass Hormuz still far off, experts warn

এই পদক্ষেপে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে বিভাজন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ক আগেই নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল।

ইয়েমেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান এক নয়। ফলে ওপেক থেকে বেরিয়ে আসা সেই দূরত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলতে পারে। এতে উপসাগরীয় সহযোগিতা কাঠামোর ভেতরেও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামনে কী হতে পারে

এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক প্রভাব হয়তো তেলবাজারে খুব বেশি পড়বে না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব বড় হতে পারে। যুদ্ধ শেষে যদি বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ে, তখন ওপেক আবার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু তখন আমিরাত থাকবে জোটের বাইরে।

অন্যদিকে ইরান যদি যুদ্ধ শেষে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোর ওপর প্রভাব বজায় রাখে, তাহলে তা পুরো অঞ্চলের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এককভাবে পথ চলা কতটা কার্যকর হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

সব মিলিয়ে, ওপেক থেকে বেরিয়ে এসে আমিরাত শুধু একটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়নি, বরং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নিজের অবস্থান নতুনভাবে নির্ধারণের পথে হাঁটছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে বই পড়ার নতুন অভিযান: মোবাইল ছেড়ে পাঠে ফিরতে বলছে সরকার, কিন্তু স্বাধীনতা নিয়েই বড় প্রশ্ন

ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরাত, তেলনীতি বদলে নতুন কৌশলে আমেরিকা-ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকছে আবুধাবি

১১:০২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনায় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দীর্ঘদিনের অস্বস্তি ও মতবিরোধের পর তারা তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ শুধু তেলবাজারেই নয়, পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সমীকরণেও বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কেন ওপেক ছাড়ল আমিরাত

অনেকদিন ধরেই ওপেকের নীতিমালার সঙ্গে নিজেদের লক্ষ্য মেলাতে পারছিল না আমিরাত। জোটের নিয়ম অনুযায়ী উৎপাদন সীমিত রাখতে হয়, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল থাকে। কিন্তু আমিরাতের পরিকল্পনা একেবারেই ভিন্ন। তারা চায় দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে এবং বাজারে নিজেদের উপস্থিতি শক্তিশালী করতে।

বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৩৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে দেশটি। আগামী কয়েক বছরে এই উৎপাদন ৫০ লাখ ব্যারেলে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা। কিন্তু ওপেকের কোটা মেনে চললে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। ফলে নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই শেষ পর্যন্ত জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় আবুধাবি।

UAE quits OPEC and OPEC+, reshaping oil power balance - CHOSUNBIZ

ওপেকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত ওপেকের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। একসময় বিশ্ব তেলবাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখলেও এখন সেই প্রভাব আগের মতো শক্তিশালী নেই। বিভিন্ন সদস্য দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে, অনেকেই কোটা মানছে না।

তবে সৌদি আরবসহ জোটের প্রভাবশালী দেশগুলো বিষয়টিকে বড় সংকট হিসেবে দেখাতে চায় না। তাদের মতে, এখনও ওপেক ও তার মিত্ররা বৈশ্বিক তেল উৎপাদনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। বরং কিছু বিশ্লেষক বলছেন, নিয়ম না মানা সদস্য কমে গেলে জোটের ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হতে পারে।

ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক বার্তা

এই সিদ্ধান্তের পেছনে কেবল অর্থনৈতিক হিসাব নয়, রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে। ওপেকে ইরান এখনও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এমন সময়ে জোট ছেড়ে আমিরাত এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করল তেহরানের সঙ্গে। এটি ইরানবিরোধী অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই বার্তাটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। আমিরাত বুঝিয়ে দিতে চাইছে, তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় আলাদা কৌশল নিতে প্রস্তুত।

Opportunities Revealed – Opening up of the Relationship between United Arab  Emirates and Israel

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ

ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ক গত কয়েক বছরে দ্রুত উন্নত হয়েছে। দুই দেশই উগ্রবাদবিরোধী অবস্থানে একমত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতেও অনেক ক্ষেত্রে কাছাকাছি অবস্থান নিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্তকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার একটি ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময়েও আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে প্রকাশ্য সংঘাতে যায়নি, বরং কৌশলগত দূরত্ব বজায় রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে থাকা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিও একটি স্পষ্ট বার্তা রয়েছে এই সিদ্ধান্তে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হলেও আমিরাত প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেনি। বরং তারা বারবার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের কথা বলেছে।

অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। তাই ওপেক ছাড়ার মাধ্যমে তারা বোঝাতে চেয়েছে, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গেই তারা থাকতে আগ্রহী।

উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব

Gulf countries' plans to bypass Hormuz still far off, experts warn

এই পদক্ষেপে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে বিভাজন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ক আগেই নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল।

ইয়েমেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান এক নয়। ফলে ওপেক থেকে বেরিয়ে আসা সেই দূরত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলতে পারে। এতে উপসাগরীয় সহযোগিতা কাঠামোর ভেতরেও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামনে কী হতে পারে

এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক প্রভাব হয়তো তেলবাজারে খুব বেশি পড়বে না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব বড় হতে পারে। যুদ্ধ শেষে যদি বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ে, তখন ওপেক আবার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু তখন আমিরাত থাকবে জোটের বাইরে।

অন্যদিকে ইরান যদি যুদ্ধ শেষে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোর ওপর প্রভাব বজায় রাখে, তাহলে তা পুরো অঞ্চলের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এককভাবে পথ চলা কতটা কার্যকর হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

সব মিলিয়ে, ওপেক থেকে বেরিয়ে এসে আমিরাত শুধু একটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়নি, বরং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নিজের অবস্থান নতুনভাবে নির্ধারণের পথে হাঁটছে।