বিশ্বসংগীতের বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে নতুন গার্ল গ্রুপ নিয়ে হাজির হয়েছে হাইব ও গেফেন রেকর্ডস। ‘ক্যাটসআই’-এর সাফল্যের পর এবার যৌথভাবে নতুন দল ‘সেন্ট সাটিন’ পরিচয় করিয়ে দিয়েছে দুই প্রতিষ্ঠান। নতুন এই গ্রুপকে ঘিরে ইতোমধ্যেই কে-পপ ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
বিশ্ববাজারে নতুন লক্ষ্য
হাইব ও গেফেন গত কয়েক বছরে বৈশ্বিক সংগীতবাজারে কে-পপ ধাঁচের আন্তর্জাতিক শিল্পী তৈরিতে জোর দিচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ‘ক্যাটসআই’ আত্মপ্রকাশ করে আলোচনায় আসে। এবার ‘সেন্ট সাটিন’কে সামনে এনে প্রতিষ্ঠান দুটি আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক শ্রোতাদের ধরার কৌশল নিয়েছে বলে মনে করছেন সংগীত বিশ্লেষকেরা।

নতুন এই গার্ল গ্রুপে বিভিন্ন দেশের সদস্যদের একত্র করা হয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণ, সংগীতধারা ও পরিবেশনায় পশ্চিমা পপ এবং কে-পপের মিশ্রণ রাখা হয়েছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারে সহজে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।
কে-পপ মডেলের বিস্তার
দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন প্রতিষ্ঠানগুলো এখন শুধু দেশীয় শিল্পী নয়, আন্তর্জাতিক সদস্যদের নিয়েও দল গঠন করছে। এর মাধ্যমে কে-পপের প্রশিক্ষণব্যবস্থা ও ভক্তকেন্দ্রিক সংস্কৃতিকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
হাইব ইতোমধ্যেই বিটিএসের মতো বিশ্বখ্যাত দলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সাফল্য পেয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের নিয়ে বড় পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ‘সেন্ট সাটিন’কে ঘিরেও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভক্তদের বাড়তি আগ্রহ
নতুন গ্রুপের নাম প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভক্তদের অনেকে মনে করছেন, ‘ক্যাটসআই’-এর পর ‘সেন্ট সাটিন’ও আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে পারে।
বিশেষ করে তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে কে-পপের প্রভাব বাড়তে থাকায় এমন আন্তর্জাতিক গার্ল গ্রুপের চাহিদাও বাড়ছে। সংগীতের পাশাপাশি ফ্যাশন, নৃত্য ও ডিজিটাল কনটেন্টের দিক থেকেও নতুন দলটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী দিনে হাইব ও গেফেন এই গ্রুপের সদস্য, সংগীতধারা ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নিয়ে আরও বিস্তারিত ঘোষণা দিতে পারে। তবে শুরুতেই ‘সেন্ট সাটিন’কে ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা নতুন এই প্রকল্পের সম্ভাবনাকেই সামনে আনছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















