ইরান যুদ্ধের আঁচ এসে লাগছে বাংলাদেশের প্রবাসী পরিবারগুলোতে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে ৬০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার বেশিরভাগই ছিল প্রবাসী শ্রমিকদের। এখন ৮৬ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক গভীর উদ্বেগের মধ্যে আছেন।
রেমিট্যান্সের অর্ধেক আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, দেশে আসা বার্ষিক রেমিট্যান্সের ৪৫ শতাংশের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। সৌদি আরব একাই দেয় প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার। মোট বার্ষিক রেমিট্যান্স ছাড়িয়েছে তিন হাজার কোটি ডলার।
জিডিপি তিন শতাংশ কমতে পারে
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক সতর্ক করেছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের জিডিপি সর্বোচ্চ তিন শতাংশ কমতে পারে। গবেষণা সংস্থা সানেম বলছে, উপসাগরীয় দেশে কর্মরত শ্রমিকদের চাকরি হারানো, ফ্লাইট বন্ধ এবং তেলের দাম বাড়া, এই তিনটি ধাক্কা একসাথে লাগলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ভূমিকম্পের মতো প্রভাব পড়বে।
সাময়িক স্বস্তির খবর
মার্চ মাসে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি সংকটের আগে শ্রমিকদের দেশে বেশি টাকা পাঠানোর সাময়িক ঢল, টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষণ নয়। আগামী ১ আগস্ট থেকে রিয়াদ এয়ার ঢাকা-রিয়াদ দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে, যা প্রবাসীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর।
ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে ৬০০ বাংলাদেশি ফ্লাইট বাতিল। ৮৬ লাখ শ্রমিক অনিশ্চয়তায়, রেমিট্যান্সে ঝুঁকি এবং জিডিপিতে তিন শতাংশ ক্ষতির আশঙ্কা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















