ইরান যুদ্ধ জ্বালানির বাজারে আঘাত হানার পরও বাংলাদেশের সৌরশক্তি খাত গ্রিডকে একটা ন্যূনতম অবলম্বন দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৌরের অবদান মাত্র ২.৭ শতাংশ। আর শুধু এপ্রিল থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত এলএনজি আমদানি ভর্তুকিতেই গুণতে হচ্ছে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের বেশি।
সৌরের সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মে ২০২৬ সালের তথ্য বলছে, দেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্যাসচালিত কেন্দ্রগুলোর অবদান ৪৩ শতাংশ, কয়লা ২৬ শতাংশ এবং সৌরবিদ্যুতের অবদান মাত্র ৭৭৭ মেগাওয়াট বা ২.৭ শতাংশ। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম বলেছেন, সৌরশক্তি এখনো বেস লোড বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারছে না। তবে জ্বালানি সংকটের সময় এটি গুরুত্বপূর্ণ বাফার হিসেবে কাজ করছে।
চট্টগ্রামে কর প্রত্যাহারের দাবি
চট্টগ্রামে শুক্রবার সোলার প্যানেলের আমদানি কর প্রত্যাহারের দাবিতে পদযাত্রা হয়েছে। আয়োজকরা বলছেন, বিদ্যমান কর কাঠামো সোলার প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রাখছে। ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ার পর নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে দ্রুত সম্প্রসারণের দাবি এখন আরও জোরালো।
বিদ্যুৎ সংকটে সোলার কিছুটা বাঁচাচ্ছে, কিন্তু দেশে মাত্র ২.৭ শতাংশ বিদ্যুৎ আসে সূর্য থেকে। বাকিটার জন্য এলএনজি ভর্তুকিতে যাচ্ছে বিশাল অঙ্ক।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















