০১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
এআইকে অধিকার দিলে মানুষই কি হারাবে নিয়ন্ত্রণ? কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্যযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে দুই দিনেই ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ ১–১ জাহাজডুবির সর্বশেষ আপডেট: ২ চীনা নাবিক উদ্ধার, ২২ জন নিখোঁজ—বেঁচে থাকা নিয়ে শঙ্কা চালের দাম আকাশছোঁয়া, কমতে পারে উৎপাদন দ্রব্যমূল্য কমেনি, স্বস্তি শুধু পরিসংখ্যানে গ্যাস-সংকট ও লোডশেডিংয়ে ২০২৭ সালের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপায় শঙ্কা শ্রীপুরে কৃষকদল নেতার কার্যালয়ে গুলি, আতঙ্কে অসুস্থ জজ মিয়া ইন্দোনেশিয়ায় গাড়ির ধরন দেখে ভর্তুকির জ্বালানি কেনার সুযোগ সীমিত করার পরিকল্পনা কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে গণমাধ্যমের চিত্র: সরকারি চাপের মধ্যে সাংবাদিকতা

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করতেই হবে, দায়সারা ব্যবস্থার অবসান চাই

জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার, ১৭ জন নিহত। অথচ দেশের আদালতে দীর্ঘসূত্রিতা, দুর্বল তদন্ত আর সামাজিক চাপে ভেঙে পড়া পরিবারগুলো বিচার পায় না। ডেইলি স্টার তাদের সম্পাদকীয়তে সরাসরি বলেছে, এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে।

পরিচিত মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধী

গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে দশটি শিশু ধর্ষণের ঘটনার নয়টিতেই অপরাধী পরিচিত। প্রতিবেশী, আত্মীয় বা কাছের মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী। এই ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট।

সংবিধান কী বলছে, বাস্তব কোথায়

সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদ শিশুর জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করে। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। লজ্জা, ভয় ও সামাজিক চাপে অনেক ঘটনাই থানায় যায় না।

কী দাবি করছে নাগরিক সমাজ

দেশের নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম দাবি করছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল কার্যকর করা হোক, পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানো হোক এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হোক।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত না হলে এই সংকট থামবে না। মাত্র চার মাসে ১১৮ শিশু ধর্ষিত, ১৭ জন নিহত। রাষ্ট্রের জবাবদিহি কোথায়?

জনপ্রিয় সংবাদ

এআইকে অধিকার দিলে মানুষই কি হারাবে নিয়ন্ত্রণ?

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করতেই হবে, দায়সারা ব্যবস্থার অবসান চাই

০৮:১৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার, ১৭ জন নিহত। অথচ দেশের আদালতে দীর্ঘসূত্রিতা, দুর্বল তদন্ত আর সামাজিক চাপে ভেঙে পড়া পরিবারগুলো বিচার পায় না। ডেইলি স্টার তাদের সম্পাদকীয়তে সরাসরি বলেছে, এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে।

পরিচিত মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধী

গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে দশটি শিশু ধর্ষণের ঘটনার নয়টিতেই অপরাধী পরিচিত। প্রতিবেশী, আত্মীয় বা কাছের মানুষই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী। এই ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট।

সংবিধান কী বলছে, বাস্তব কোথায়

সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদ শিশুর জীবন, মর্যাদা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করে। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালনে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। লজ্জা, ভয় ও সামাজিক চাপে অনেক ঘটনাই থানায় যায় না।

কী দাবি করছে নাগরিক সমাজ

দেশের নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম দাবি করছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল কার্যকর করা হোক, পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানো হোক এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হোক।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিশ্চিত না হলে এই সংকট থামবে না। মাত্র চার মাসে ১১৮ শিশু ধর্ষিত, ১৭ জন নিহত। রাষ্ট্রের জবাবদিহি কোথায়?