১২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
এশিয়ার ফুটবল বিপ্লব এখনো অসম্পূর্ণ বাংলাদেশে জুনে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব হামলায় নিহত ৪০, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ইরানের আলোচক হত্যার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ছিল যুক্তরাষ্ট্র, শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা ট্রাম্পের ২২০ কোটি ডলারের ব্যক্তিগত আয়, নীরব ম্যাগা সমর্থকরা লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ট্রান্সফরমার বিকল, চার দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ২২ হাজার গ্রাহক নাটকীয় জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে বিদায়, স্পেনের মুখোমুখি পর্তুগাল খুলনায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে ৫০ জনের বেশি আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনের বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস, টানা ৫১৯ মিনিট গোলহীন থাকার রেকর্ড জীবনের সবকিছু মাপতে গিয়ে কী আমরা সুখ হারাচ্ছি? রফতানিতে ধসের সংকেত, বন্ধ হচ্ছে কারখানা: বড় চাপে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প

খুলনায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে ৫০ জনের বেশি আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

খুলনায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

খুলনা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার পাল বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান।

মামলার আসামিরা কারা

মামলার এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা জেলা যুবলীগের অফিস সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের খুলনা মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাইফুল ইসলাম তাজ।

এছাড়া রণবীর বড়ই সজল, অনুপ সরকার, মৃদুল, প্রসেনজিৎ, মো. শহিদুল ইসলাম, রহাত আলী মোরল, অনিক হাসান পারভেজ, গৌতম সরকার কাকন, আসাফুর ঢালী, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. আখতার সিকদার, মনিরুল ইসলাম মনি এবং মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টুকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় যেসব অভিযোগ

এজাহার অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে ৫টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে খুলনা নগরের তারের পুকুর এলাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে অভিযুক্তরা জড়ো হন।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন, যানবাহন ভাঙচুর চালান এবং গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা ও খুলনার সঙ্গে অন্যান্য জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

এছাড়া তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত ও অভিযান

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং স্থানীয় সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা গোপন বৈঠক, অর্থ সংগ্রহ, নতুন সদস্য নিয়োগ এবং নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমেও তারা জড়িত ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

খুলনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

#খুলনা #আওয়ামীলীগ #মামলা #রাষ্ট্রবিরোধীকর্মকাণ্ড #পুলিশ #বাংলাদেশ #রাজনীতি #আইনশৃঙ্খলা

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ার ফুটবল বিপ্লব এখনো অসম্পূর্ণ

খুলনায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে ৫০ জনের বেশি আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

খুলনায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

খুলনা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার পাল বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান।

মামলার আসামিরা কারা

মামলার এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা জেলা যুবলীগের অফিস সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের খুলনা মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাইফুল ইসলাম তাজ।

এছাড়া রণবীর বড়ই সজল, অনুপ সরকার, মৃদুল, প্রসেনজিৎ, মো. শহিদুল ইসলাম, রহাত আলী মোরল, অনিক হাসান পারভেজ, গৌতম সরকার কাকন, আসাফুর ঢালী, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. আখতার সিকদার, মনিরুল ইসলাম মনি এবং মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টুকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় যেসব অভিযোগ

এজাহার অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে ৫টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে খুলনা নগরের তারের পুকুর এলাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে অভিযুক্তরা জড়ো হন।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন, যানবাহন ভাঙচুর চালান এবং গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা ও খুলনার সঙ্গে অন্যান্য জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

এছাড়া তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত ও অভিযান

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং স্থানীয় সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা গোপন বৈঠক, অর্থ সংগ্রহ, নতুন সদস্য নিয়োগ এবং নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমেও তারা জড়িত ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

খুলনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খুলনায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

#খুলনা #আওয়ামীলীগ #মামলা #রাষ্ট্রবিরোধীকর্মকাণ্ড #পুলিশ #বাংলাদেশ #রাজনীতি #আইনশৃঙ্খলা