১২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
এশিয়ার ফুটবল বিপ্লব এখনো অসম্পূর্ণ বাংলাদেশে জুনে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব হামলায় নিহত ৪০, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ইরানের আলোচক হত্যার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ছিল যুক্তরাষ্ট্র, শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা ট্রাম্পের ২২০ কোটি ডলারের ব্যক্তিগত আয়, নীরব ম্যাগা সমর্থকরা লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ট্রান্সফরমার বিকল, চার দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ২২ হাজার গ্রাহক নাটকীয় জয়ে ক্রোয়েশিয়াকে বিদায়, স্পেনের মুখোমুখি পর্তুগাল খুলনায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে ৫০ জনের বেশি আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনের বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস, টানা ৫১৯ মিনিট গোলহীন থাকার রেকর্ড জীবনের সবকিছু মাপতে গিয়ে কী আমরা সুখ হারাচ্ছি? রফতানিতে ধসের সংকেত, বন্ধ হচ্ছে কারখানা: বড় চাপে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প

বাংলাদেশে জুনে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব হামলায় নিহত ৪০, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

Concept of mob lynching - Group of people bullying, kicking a man - Close up of young adult males hitting a person on ground.

চলতি বছরের জুন মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা, শ্রমিক নির্যাতন এবং সীমান্তে সহিংসতার ঘটনাও উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) প্রকাশিত জুন ২০২৬ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনটি দেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, সংগৃহীত তথ্য এবং ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক সহিংসতায় বাড়ছে হতাহত

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ৫৮টি ঘটনায় ৯ জন নিহত এবং ৩৪৬ জন আহত হন। আগের মাস মে-তে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ছিল ৫ এবং আহত ছিলেন ২৮৯ জন।

রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ২১টি ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১৪৬ জন আহত হন। বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত এবং বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষের ১৪টি ঘটনায় ২ জন নিহত ও ১১৫ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ৪ জন, আওয়ামী লীগের ২ জন, শিবিরের ১ জন, ইউপিডিএফের ১ জন এবং একটি চরমপন্থি সংগঠনের ১ সদস্য রয়েছেন।

রাজনৈতিক মামলা ও গ্রেপ্তার

জুন মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ২২টির বেশি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৬২৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ১ হাজার ২৬২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

একই সময়ে রাজনৈতিক ও অন্যান্য অভিযোগে মোট ২৫৭টি ঘটনায় ৪ হাজার ৭৭৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অন্তত ১ হাজার ৫৫৯ জন নেতা-কর্মী, বিএনপির ৩৫ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর ২ জন রয়েছেন।

মব সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা

প্রতিবেদন বলছে, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্মীয় অবমাননাসহ বিভিন্ন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ৬৩টি মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ৬৯ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়া স্থানীয় জনতার হামলা, আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এবং অভিযান পরিচালনার সময় ২৯টি ঘটনায় ৬৬ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আহত হন।

সাংবাদিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা

জুন মাসে ৩৯টি ঘটনায় ৪৭ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হন। তাদের মধ্যে ২৮ জন আহত, ৫ জন লাঞ্ছিত এবং ৯ জন হুমকি পান। একই সময়ে ৫ জন সাংবাদিককে আটক করা হয় এবং ৭টি মামলায় ১২ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও অন্তত ১১টি ঘটনায় ১১ জনকে আটক এবং ৭টি মামলা হওয়ার তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন

জুন মাসে ৩৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হন। তাদের মধ্যে ১০৬ জন ধর্ষণের শিকার, যাদের অধিকাংশই শিশু ও কিশোরী। একই সময়ে ২৯১ শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৫৪ জন নিহত হয়েছে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ১২টি হামলায় ৭ জন আহত হন। এসব ঘটনায় ১২টি মন্দির, ১১টি প্রতিমা এবং ৭টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি একজন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন।

শ্রমিক অধিকার ও সীমান্ত পরিস্থিতি

শ্রমিক নির্যাতনের ৫৫টি ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং ১৮৪ জন আহত হন। কর্মস্থলের অনিরাপদ পরিবেশে দুর্ঘটনায় আরও ৩৯ জন শ্রমিক প্রাণ হারান। বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলনের সময় ২৬ জন পোশাকশ্রমিককে আটক করা হয়।

সীমান্ত পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৫টি ঘটনায় ২ জন নিহত, ২ জন আহত, ৪ জন গুলিবিদ্ধ এবং একজনকে বিএসএফ আটক করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত হন এবং ১২ জনকে আরাকান আর্মি আটক করে।

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিক সহিংসতা, মব সহিংসতা, সাংবাদিক নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, নারী ও শিশু নির্যাতন, সীমান্তে সহিংসতা এবং শ্রমিক নির্যাতনের ধারাবাহিকতা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে। তিনি মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকারের আরও জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ এবং নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জুনে এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব হামলা, নারী-শিশু নির্যাতন ও সাংবাদিক নিপীড়নের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।

#বাংলাদেশ #মানবাধিকার #রাজনৈতিক_সহিংসতা #মব_সহিংসতা #এইচআরএসএস #সাংবাদিক_নির্যাতন #নারী_নির্যাতন #শিশু_নির্যাতন #শ্রমিক_অধিকার #সীমান্ত_সহিংসতা

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ার ফুটবল বিপ্লব এখনো অসম্পূর্ণ

বাংলাদেশে জুনে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব হামলায় নিহত ৪০, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

১১:৪৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরের জুন মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা, শ্রমিক নির্যাতন এবং সীমান্তে সহিংসতার ঘটনাও উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) প্রকাশিত জুন ২০২৬ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনটি দেশের ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, সংগৃহীত তথ্য এবং ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক সহিংসতায় বাড়ছে হতাহত

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ৫৮টি ঘটনায় ৯ জন নিহত এবং ৩৪৬ জন আহত হন। আগের মাস মে-তে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ছিল ৫ এবং আহত ছিলেন ২৮৯ জন।

রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ২১টি ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১৪৬ জন আহত হন। বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত এবং বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষের ১৪টি ঘটনায় ২ জন নিহত ও ১১৫ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ৪ জন, আওয়ামী লীগের ২ জন, শিবিরের ১ জন, ইউপিডিএফের ১ জন এবং একটি চরমপন্থি সংগঠনের ১ সদস্য রয়েছেন।

রাজনৈতিক মামলা ও গ্রেপ্তার

জুন মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ২২টির বেশি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৬২৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ১ হাজার ২৬২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

একই সময়ে রাজনৈতিক ও অন্যান্য অভিযোগে মোট ২৫৭টি ঘটনায় ৪ হাজার ৭৭৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অন্তত ১ হাজার ৫৫৯ জন নেতা-কর্মী, বিএনপির ৩৫ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর ২ জন রয়েছেন।

মব সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা

প্রতিবেদন বলছে, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্মীয় অবমাননাসহ বিভিন্ন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ৬৩টি মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ৬৯ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়া স্থানীয় জনতার হামলা, আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এবং অভিযান পরিচালনার সময় ২৯টি ঘটনায় ৬৬ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আহত হন।

সাংবাদিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা

জুন মাসে ৩৯টি ঘটনায় ৪৭ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হন। তাদের মধ্যে ২৮ জন আহত, ৫ জন লাঞ্ছিত এবং ৯ জন হুমকি পান। একই সময়ে ৫ জন সাংবাদিককে আটক করা হয় এবং ৭টি মামলায় ১২ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও অন্তত ১১টি ঘটনায় ১১ জনকে আটক এবং ৭টি মামলা হওয়ার তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন

জুন মাসে ৩৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হন। তাদের মধ্যে ১০৬ জন ধর্ষণের শিকার, যাদের অধিকাংশই শিশু ও কিশোরী। একই সময়ে ২৯১ শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৫৪ জন নিহত হয়েছে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ১২টি হামলায় ৭ জন আহত হন। এসব ঘটনায় ১২টি মন্দির, ১১টি প্রতিমা এবং ৭টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি একজন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন।

শ্রমিক অধিকার ও সীমান্ত পরিস্থিতি

শ্রমিক নির্যাতনের ৫৫টি ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং ১৮৪ জন আহত হন। কর্মস্থলের অনিরাপদ পরিবেশে দুর্ঘটনায় আরও ৩৯ জন শ্রমিক প্রাণ হারান। বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলনের সময় ২৬ জন পোশাকশ্রমিককে আটক করা হয়।

সীমান্ত পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৫টি ঘটনায় ২ জন নিহত, ২ জন আহত, ৪ জন গুলিবিদ্ধ এবং একজনকে বিএসএফ আটক করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত হন এবং ১২ জনকে আরাকান আর্মি আটক করে।

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিক সহিংসতা, মব সহিংসতা, সাংবাদিক নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, নারী ও শিশু নির্যাতন, সীমান্তে সহিংসতা এবং শ্রমিক নির্যাতনের ধারাবাহিকতা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে। তিনি মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকারের আরও জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ এবং নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জুনে এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব হামলা, নারী-শিশু নির্যাতন ও সাংবাদিক নিপীড়নের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।

#বাংলাদেশ #মানবাধিকার #রাজনৈতিক_সহিংসতা #মব_সহিংসতা #এইচআরএসএস #সাংবাদিক_নির্যাতন #নারী_নির্যাতন #শিশু_নির্যাতন #শ্রমিক_অধিকার #সীমান্ত_সহিংসতা