মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের গ্রেটার তুনব দ্বীপে নতুন করে এক দফা নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল দ্বীপে থাকা উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ স্থাপনাগুলো।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে অভিযান শুরু হয়। প্রায় ৯০ মিনিট ধরে পরিচালিত এ হামলায় নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
গ্রেটার তুনব দ্বীপে লক্ষ্যবস্তু
সেন্টকম এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানায়, হামলায় গ্রেটার তুনব দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, পাশাপাশি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করা হয়েছে। তাদের দাবি, এসব স্থাপনায় আঘাত হানার মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতায় আরও ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে হামলার সক্ষমতা কমানোর দাবি
মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের ফলে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
তবে প্রকাশিত বিবৃতিতে হামলায় কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গ্রেটার তুনব দ্বীপে সর্বশেষ মার্কিন হামলার কথা জানিয়েছে সেন্টকম, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সক্ষমতা কমাতে গ্রেটার তুনব দ্বীপে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সেন্টকম।
হরমুজ প্রণালি
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ইরানের গ্রেটার তুনব দ্বীপে নতুন করে হামলার কথা জানিয়েছে মার্কিন সেন্টকম। তাদের দাবি, এ অভিযানে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
#যুক্তরাষ্ট্র #ইরান #হরমুজপ্রণালি #সেন্টকম #গ্রেটারতুনব #মধ্যপ্রাচ্য #বাণিজ্যিকজাহাজ #আঞ্চলিকনিরাপত্তা
Sarakhon Report 


















