পরিবারের পুরোনো সদস্যদের সামরিক জীবনের তথ্য খুঁজতে এখন আর সবসময় ব্যয়বহুল সেবার ওপর নির্ভর করতে হবে না। বিনা খরচে বিভিন্ন যুদ্ধের নথি খুঁজে দেখার সুযোগ দিচ্ছে একটি অনলাইন সংগ্রহ, যেখানে ছড়িয়ে থাকা বহু তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে।
যুদ্ধের স্মৃতি ও পুরোনো তথ্য এক জায়গায়
এই সংগ্রহে সরকারি স্মারক, প্রকাশিত নথি এবং বিশেষায়িত সামরিক তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন তালিকা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধসহ নানা সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের তথ্য নাম দিয়ে খোঁজা যায়।
গবেষণা বা পারিবারিক ইতিহাস তৈরির কাজে যারা পুরোনো তথ্য খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এখানে এমন তথ্যও পাওয়া যায়, যা সাধারণভাবে খুঁজতে গেলে বিভিন্ন নথি ঘাঁটতে হয়।

কোরীয় যুদ্ধের তথ্যেও মিলবে বিস্তারিত
কোরীয় যুদ্ধের তথ্যভাণ্ডারে আহত, নিহত বা বন্দি হওয়া সামরিক সদস্যদের তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ সম্মান পাওয়া ব্যক্তিদের তথ্যও সংরক্ষিত আছে। নামের মাধ্যমে খোঁজার পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত তথ্য ব্যবহার করে অনুসন্ধান আরও নির্দিষ্ট করা যায়।
বিশ্বযুদ্ধের নথিতে রয়েছে নানা বিভাগ
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তথ্যগুলো বিভিন্ন বিভাগে সাজানো হয়েছে। এতে নির্দিষ্ট বাহিনী, ইউনিট এবং বিশেষ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নথিতে সমুদ্রযুদ্ধে নিহত বেসামরিক নাবিকদের তথ্যও রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় নিহত ব্যক্তিদের আলাদা তালিকাও সংরক্ষিত আছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নথিতে বিমান বাহিনীর দলসহ বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের তথ্য পাওয়া যায়। কয়েকটি দেশের সমাধিস্থলে থাকা যুদ্ধাহত ও নিহত সদস্যদের তথ্যও এতে যুক্ত রয়েছে।
ছোট সংঘাতের তথ্যও পাওয়া যাবে
শুধু বড় যুদ্ধ নয়, বিভিন্ন ছোট সংঘাতের তথ্যও এই সংগ্রহে রাখা হয়েছে। উনিশ শতকের বিদ্রোহ থেকে শুরু করে আধুনিক সময়ের কয়েকটি সামরিক অভিযানে নিহত ব্যক্তিদের তথ্যও এখানে খুঁজে দেখা যায়।
সরকারি স্মারক তালিকাতেও রয়েছে তথ্য
যুদ্ধের ইতিহাস যাচাই করতে সরকারি সামরিক স্মারক তালিকাও কাজে লাগতে পারে। সেখানে নির্দিষ্ট সময়ের পর নিহত সামরিক সদস্যদের তথ্য খোঁজা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে স্মারক সনদ সংগ্রহের সুযোগও থাকে।
পুরোনো প্রজন্মের সামরিক পরিচয়, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা এবং পরিবারের ইতিহাস জানতে আগ্রহীদের জন্য এসব বিনামূল্যের তথ্যভাণ্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















