বরিশালের গৌরনদীতে পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন বেপারীকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় গৌরনদী বন্দরের একটি মিষ্টির দোকানে ঘটে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লিটন বেপারী শনিবার (১৮ জুলাই) এ ঘটনায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
ঘটনার বর্ণনা

লিটন বেপারীর ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি গৌরনদী বন্দরের শ্যাম ঘোষের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় স্থানীয় মিজান, তার ছেলে, সিফাত ও রিফাতসহ ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি কৌশলে তাকে দোকান থেকে বাইরে নিয়ে যায়।
তার অভিযোগ, পরে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। হামলাকারীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হামলার কারণ নিয়ে অভিযোগ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটন বেপারী দাবি করেন, তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও কেন এখনো গৌরনদীতে অবস্থান করছেন—এ ক্ষোভ থেকেই তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশের বক্তব্য
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গুরুতর আহত লিটন বেপারী বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















