কার্ডিফের এক দম্পতি তাঁদের গুরুতর অসুস্থ শিশুপুত্রকে বাঁচাতে বিশেষ কৃত্রিম হৃদযন্ত্রের ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন। শিশুটি বর্তমানে হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে। পরিবারের আশা, বিশেষ এই সহায়ক যন্ত্রটি ব্যবহার করা গেলে প্রতিস্থাপনের আগ পর্যন্ত তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে।
প্রতিস্থাপনের আগ পর্যন্ত জীবন বাঁচানোর আশা
শিশুটির জন্য যে বিশেষ যন্ত্রটির প্রয়োজন, সেটি দীর্ঘ সময় হৃদযন্ত্রের কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের যন্ত্র প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে এবং কয়েক মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা সম্ভব।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওয়েলস ও ইংল্যান্ডে বর্তমানে খুব অল্পসংখ্যক রোগী এই বিশেষ হৃদযন্ত্র ব্যবহার করছেন। ফলে এটি অত্যন্ত সীমিত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অঙ্গদানে এগিয়ে আসার আহ্বান
শিশুটির পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, অঙ্গদান নিয়ে কথা বলা সহজ নয়। তবে আরও বেশি মানুষ অঙ্গদানে সম্মতি দিলে অনেক শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। তাঁদের বিশ্বাস, অঙ্গদান সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়লে ভবিষ্যতে আরও অনেক পরিবার নতুন আশার আলো দেখতে পাবে।

যুক্তরাজ্যে মৃত অঙ্গদাতাদের মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা খুবই কম। ফলে শিশুদের জন্য উপযুক্ত হৃদযন্ত্র পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে পড়ে এবং প্রতিস্থাপনের অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হয়।
সীমিত বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা
এই বিশেষ হৃদযন্ত্র বসানোর সুবিধা যুক্তরাজ্যের মাত্র দুটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রয়েছে। তাই রোগীর চিকিৎসার সুযোগ নির্ধারণ করা হয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে।
সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা শিশুটির পরিবার যে কঠিন সময় পার করছে তা উপলব্ধি করছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত চিকিৎসার অর্থায়নের ব্যবস্থা থাকলেও সেবার সক্ষমতা পুরো যুক্তরাজ্যজুড়ে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়। চিকিৎসক দল শিশুটির সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
অঙ্গদানের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনার মধ্যেই পরিবারটি আশা করছে, দ্রুত উপযুক্ত চিকিৎসা ও হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের সুযোগ মিলবে এবং তাদের শিশুপুত্র সুস্থ জীবনে ফিরে আসবে।
শিশুর জীবন বাঁচাতে বিশেষ হৃদযন্ত্রের আবেদন, অঙ্গদান বাড়ানোর আহ্বান। প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা শিশুর পরিবার আশাবাদী বিশেষ চিকিৎসা মিলবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















