০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
হার্টের ‘ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক’: চাপের মুহূর্তে জীবনের ছন্দ রক্ষার নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা শেয়ারবাজারে সপ্তাহ শেষ বড় পতনে, ডিএসইএক্স কমল ৬৬ পয়েন্ট রাহুল গান্ধীর বাড়ির বাইরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন, দিল্লিতে মধ্যরাত পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ শিক্ষার্থীদের ক্ষোভকে উপেক্ষা করার ঝুঁকি: বৈধতার সংকটে রাষ্ট্রের কঠিন পরীক্ষা মামদানি নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে জেলে যেতে হতো তাকেই- মার্ক থিসেন তেলের বাজারে অস্থিরতা: ইরান সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্টের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি বগুড়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতা কুপিয়ে নিহত, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে এক নারী চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জলদস্যুর হানা, স্ক্র্যাপ জাহাজ থেকে ১০ কোটি টাকার মালামাল লুট যন্তর-মন্তরের বার্তা: শক্তিশালী সরকার কি তরুণদের কণ্ঠস্বর শুনতে প্রস্তুত? কেন তরুণদের বার্তা উপেক্ষা করা মোদি সরকারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

শেয়ারবাজারে সপ্তাহ শেষ বড় পতনে, ডিএসইএক্স কমল ৬৬ পয়েন্ট

  • Sarakhon Report
  • ০৮:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • 1

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—দুই বাজারেই অধিকাংশ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। একই সঙ্গে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এদিন ৬৬ পয়েন্ট হারায়। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ১৬ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ২৩ পয়েন্ট। আগের কার্যদিবসের তুলনায় তিনটি সূচকই ১ শতাংশের বেশি নিম্নমুখী অবস্থানে দিন শেষ করে।

দরপতনের প্রভাব ছিল বিস্তৃত

দিনের লেনদেনে ডিএসইতে মোট ৩১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। বিপরীতে দাম বেড়েছে মাত্র ৫৯টির, আর ২০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বাজারজুড়ে বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

লেনদেনেও বড় পতন

ডিএসইতে এদিন মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৩০ কোটি টাকা। আগের কার্যদিবস বুধবার এই পরিমাণ ছিল ১,২১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন প্রায় ৩০০ কোটি টাকা কমেছে।

দিনের লেনদেনে এম.এল. ডাইং লিমিটেড প্রায় ৬ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ লাভকারী প্রতিষ্ঠানের অবস্থান দখল করে। অন্যদিকে শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড প্রায় ৯ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় শীর্ষে ছিল।

চট্টগ্রামেও একই চিত্র

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও দিনজুড়ে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৫৮ পয়েন্ট কমে দিনের লেনদেন শেষ করে।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮৬টির শেয়ারের দাম কমেছে, ৫৪টির বেড়েছে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

তবে ডিএসইর বিপরীতে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। এদিন মোট ২০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা আগের দিনের ১৬ কোটি টাকার তুলনায় বেশি।

সিএসইতে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসি প্রায় ১০ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ লাভকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। অন্যদিকে উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড প্রায় একই হারে দর হারিয়ে দিনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় শীর্ষে ছিল।

শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে সূচক, অধিকাংশ শেয়ারের দাম এবং ডিএসইর লেনদেন একযোগে কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে বড় দরপতন হয়েছে। ডিএসইএক্স ৬৬ পয়েন্ট কমেছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামও নিম্নমুখী ছিল।

#শেয়ারবাজার #ডিএসই #সিএসই #ডিএসইএক্স #পুঁজিবাজার #বাংলাদেশঅর্থনীতি #স্টকমার্কেট #বিনিয়োগ #অর্থনীতি #ব্যবসা

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্টের ‘ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক’: চাপের মুহূর্তে জীবনের ছন্দ রক্ষার নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

শেয়ারবাজারে সপ্তাহ শেষ বড় পতনে, ডিএসইএক্স কমল ৬৬ পয়েন্ট

০৮:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—দুই বাজারেই অধিকাংশ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। একই সঙ্গে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এদিন ৬৬ পয়েন্ট হারায়। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ১৬ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ২৩ পয়েন্ট। আগের কার্যদিবসের তুলনায় তিনটি সূচকই ১ শতাংশের বেশি নিম্নমুখী অবস্থানে দিন শেষ করে।

দরপতনের প্রভাব ছিল বিস্তৃত

দিনের লেনদেনে ডিএসইতে মোট ৩১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। বিপরীতে দাম বেড়েছে মাত্র ৫৯টির, আর ২০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বাজারজুড়ে বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

লেনদেনেও বড় পতন

ডিএসইতে এদিন মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৩০ কোটি টাকা। আগের কার্যদিবস বুধবার এই পরিমাণ ছিল ১,২১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন প্রায় ৩০০ কোটি টাকা কমেছে।

দিনের লেনদেনে এম.এল. ডাইং লিমিটেড প্রায় ৬ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ লাভকারী প্রতিষ্ঠানের অবস্থান দখল করে। অন্যদিকে শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড প্রায় ৯ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় শীর্ষে ছিল।

চট্টগ্রামেও একই চিত্র

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও দিনজুড়ে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৫৮ পয়েন্ট কমে দিনের লেনদেন শেষ করে।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮৬টির শেয়ারের দাম কমেছে, ৫৪টির বেড়েছে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

তবে ডিএসইর বিপরীতে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। এদিন মোট ২০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা আগের দিনের ১৬ কোটি টাকার তুলনায় বেশি।

সিএসইতে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসি প্রায় ১০ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ লাভকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। অন্যদিকে উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড প্রায় একই হারে দর হারিয়ে দিনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় শীর্ষে ছিল।

শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে সূচক, অধিকাংশ শেয়ারের দাম এবং ডিএসইর লেনদেন একযোগে কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে বড় দরপতন হয়েছে। ডিএসইএক্স ৬৬ পয়েন্ট কমেছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামও নিম্নমুখী ছিল।

#শেয়ারবাজার #ডিএসই #সিএসই #ডিএসইএক্স #পুঁজিবাজার #বাংলাদেশঅর্থনীতি #স্টকমার্কেট #বিনিয়োগ #অর্থনীতি #ব্যবসা