আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন বেতন কাঠামো অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
আর্থিক সক্ষমতা, রাজস্ব আহরণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য চাপের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আইএমএফ এ সুপারিশ করেছে। তবে সরকার আপাতত সেই পরামর্শ সরাসরি বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে আরও পর্যালোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইএমএফের মতে, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হলে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্যের ওপরও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণেই সংস্থাটি নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে।
সরকারের অবস্থান
সরকার এখনই আইএমএফের এই সুপারিশ মেনে নেওয়ার পক্ষে নয়। বরং বিষয়টি দেশের আর্থিক সক্ষমতা, রাজস্ব পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের বিস্তারিত পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের উপযোগী কৌশল নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।
পর্যালোচনার নির্দেশ
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব দিক গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে আর্থিক সক্ষমতা, রাজস্ব আহরণের অবস্থা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় রেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
আইএমএফের সুপারিশ এবং সরকারের অবস্থান—দুই দিকই এখন পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে। ফলে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আরও আলোচনা ও মূল্যায়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















