১২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চীনের প্রতিরক্ষা ফোরামে নিরাপত্তার নতুন বার্তা, নজরে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান আফ্রিকার সামনে সুযোগ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দৌড়ে কি বদলাবে মহাদেশটির ভাগ্য? জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ, ইউক্রেনকে দায়ী করল রাশিয়া এআই নিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে, চীনকে হারাতে নেতৃত্ব ধরে রাখতে চান ট্রাম্প রাশিয়ার ডিজেল স্থাপনায় হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের আহ্বান হরমুজ নিয়ে কূটনীতিতে ভাটা, বৈঠক স্থগিত; তেল সরবরাহ নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা ইন্দোনেশিয়ায় যাত্রীবাহী জাহাজ উল্টে নিখোঁজ ১২৯, উদ্ধার অভিযানে ৬২২ জন সৌদি আরব ও হরমুজে নতুন হামলা, আবারও ১০৭ ডলার ছাড়াল তেলের দাম ইয়েমেনের হুথি অগ্রযাত্রায় চাপে উপসাগরীয় দেশগুলো, ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ভাবনা হুথিদের বিদ্যুৎগতির এগিয়ে চলা ইরান যুদ্ধে কী প্রভাব ফেলবে?

লেইপজিগের ট্রান্সফার কৌশলের নতুন বিস্ময়, দিয়োমান্দেকে বিক্রি করে ১২০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয়ের পথে

ইউরোপীয় ফুটবলে প্রতিভাবান খেলোয়াড় গড়ে তোলা এবং তাদের উচ্চমূল্যে বিক্রির ক্ষেত্রে জার্মান ক্লাব আরবি লেইপজিগ আবারও আলোচনায়। এবার আইভরি কোস্টের তরুণ উইঙ্গার দিয়োমান্দেকে ঘিরে এমন একটি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিক্রির রেকর্ড গড়তে পারে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মারকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিয়োমান্দের সম্ভাব্য ট্রান্সফার মূল্য ১২০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশি হতে পারে। যদি সেই চুক্তি সম্পন্ন হয়, তাহলে লেইপজিগ নিজেদের আগের সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ডও ভেঙে ফেলবে।

লেইপজিগের সফল ব্যবসায়িক মডেল

ইউরোপের অনেক ক্লাব যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে তারকা ফুটবলার কিনে, সেখানে লেইপজিগের কৌশল ভিন্ন। তারা তুলনামূলক কম দামে সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের দলে ভেড়ায়, তাদের উন্নতির সুযোগ দেয় এবং পরে বিপুল অঙ্কে বিক্রি করে।

এই মডেলের কারণেই লেইপজিগকে ইউরোপের অন্যতম সফল “সেলার ক্লাব” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বেনফিকা ও পোর্তোর পাশাপাশি খেলোয়াড় বিক্রিতে ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য ক্লাবটি বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে।

Yan Diomande: 'RB Leipzig are the biggest club I've played for' | Bundesliga

দিয়োমান্দে হতে পারেন নতুন রেকর্ডধারী

গত মৌসুমে লেগানেস থেকে প্রায় ২০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে দিয়োমান্দেকে দলে আনে লেইপজিগ। সে সময় অনেকেই এই মূল্যকে বেশি বলে মনে করেছিলেন। তবে ক্লাবটির পরিকল্পনা ছিল দীর্ঘমেয়াদি।

মাত্র এক মৌসুমেই দিয়োমান্দের বাজারমূল্য ছয় থেকে সাত গুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। সম্ভাব্য ট্রান্সফার সম্পন্ন হলে লেইপজিগের বিনিয়োগের বিপরীতে এটি হবে অসাধারণ আর্থিক সাফল্যের উদাহরণ।

আগের সফল ট্রান্সফারগুলো

এর আগে ডিফেন্ডার ইয়োশকো গভার্দিওলকে ডিনামো জাগরেব থেকে ৩৬ মিলিয়ন ইউরোতে কিনে দুই মৌসুম পর ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ৯০ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেছিল লেইপজিগ।

একই ধরনের সাফল্য এসেছে বেঞ্জামিন সেস্কোকে ঘিরেও। রেড বুল সালজবুর্গ থেকে ৩১ মিলিয়ন ইউরোতে আনার পর তাকে দুই মৌসুমের মধ্যে ৭৫ মিলিয়ন ইউরোর বেশি মূল্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে বিক্রি করা হয়।

Liverpool and Arsenal ready to pounce on Yan Diomande after PSG transfer  twist | FootballTransfers

এছাড়া ডমিনিক সোবোসলাইকে লিভারপুলে প্রায় ৭০ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেও বড় মুনাফা করেছে ক্লাবটি।

শুধু এই কয়েকজনই নন, জাভি সিমন্স, ক্রিস্টোফার এনকুনকু, নাবি কেইতা, টিমো ভের্নার, ওপেন্ডা, দায়ো উপামেকানো, ইব্রাহিমা কোনাতে এবং দানি ওলমোর মতো ফুটবলারদের ক্ষেত্রেও লেইপজিগ একই ধরনের উন্নয়ন ও পুনর্মূল্যায়নের কৌশল অনুসরণ করেছে।

রিয়াল মাদ্রিদের জন্য কঠিন আলোচনা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিয়োমান্দেকে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের আগ্রহ রয়েছে। তবে লেইপজিগ এমন একটি ক্লাব, যাদের খেলোয়াড় বিক্রির আর্থিক চাপ নেই। ফলে দর-কষাকষিতে তারা সর্বোচ্চ মূল্য আদায়ের চেষ্টা করে এবং প্রয়োজনে দীর্ঘ আলোচনায়ও যেতে প্রস্তুত থাকে।

দিয়োমান্দের সম্ভাব্য ট্রান্সফারও সেই কৌশলেরই আরেকটি উদাহরণ হতে পারে। মাত্র এক মৌসুমের ব্যবধানে একজন খেলোয়াড়ের মূল্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে ইউরোপীয় ট্রান্সফার বাজারে আবারও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের পথে এগোচ্ছে লেইপজিগ।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের প্রতিরক্ষা ফোরামে নিরাপত্তার নতুন বার্তা, নজরে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান

লেইপজিগের ট্রান্সফার কৌশলের নতুন বিস্ময়, দিয়োমান্দেকে বিক্রি করে ১২০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয়ের পথে

০৩:৪৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ইউরোপীয় ফুটবলে প্রতিভাবান খেলোয়াড় গড়ে তোলা এবং তাদের উচ্চমূল্যে বিক্রির ক্ষেত্রে জার্মান ক্লাব আরবি লেইপজিগ আবারও আলোচনায়। এবার আইভরি কোস্টের তরুণ উইঙ্গার দিয়োমান্দেকে ঘিরে এমন একটি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিক্রির রেকর্ড গড়তে পারে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মারকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিয়োমান্দের সম্ভাব্য ট্রান্সফার মূল্য ১২০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশি হতে পারে। যদি সেই চুক্তি সম্পন্ন হয়, তাহলে লেইপজিগ নিজেদের আগের সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ডও ভেঙে ফেলবে।

লেইপজিগের সফল ব্যবসায়িক মডেল

ইউরোপের অনেক ক্লাব যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে তারকা ফুটবলার কিনে, সেখানে লেইপজিগের কৌশল ভিন্ন। তারা তুলনামূলক কম দামে সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের দলে ভেড়ায়, তাদের উন্নতির সুযোগ দেয় এবং পরে বিপুল অঙ্কে বিক্রি করে।

এই মডেলের কারণেই লেইপজিগকে ইউরোপের অন্যতম সফল “সেলার ক্লাব” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বেনফিকা ও পোর্তোর পাশাপাশি খেলোয়াড় বিক্রিতে ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য ক্লাবটি বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে।

Yan Diomande: 'RB Leipzig are the biggest club I've played for' | Bundesliga

দিয়োমান্দে হতে পারেন নতুন রেকর্ডধারী

গত মৌসুমে লেগানেস থেকে প্রায় ২০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে দিয়োমান্দেকে দলে আনে লেইপজিগ। সে সময় অনেকেই এই মূল্যকে বেশি বলে মনে করেছিলেন। তবে ক্লাবটির পরিকল্পনা ছিল দীর্ঘমেয়াদি।

মাত্র এক মৌসুমেই দিয়োমান্দের বাজারমূল্য ছয় থেকে সাত গুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। সম্ভাব্য ট্রান্সফার সম্পন্ন হলে লেইপজিগের বিনিয়োগের বিপরীতে এটি হবে অসাধারণ আর্থিক সাফল্যের উদাহরণ।

আগের সফল ট্রান্সফারগুলো

এর আগে ডিফেন্ডার ইয়োশকো গভার্দিওলকে ডিনামো জাগরেব থেকে ৩৬ মিলিয়ন ইউরোতে কিনে দুই মৌসুম পর ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ৯০ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেছিল লেইপজিগ।

একই ধরনের সাফল্য এসেছে বেঞ্জামিন সেস্কোকে ঘিরেও। রেড বুল সালজবুর্গ থেকে ৩১ মিলিয়ন ইউরোতে আনার পর তাকে দুই মৌসুমের মধ্যে ৭৫ মিলিয়ন ইউরোর বেশি মূল্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে বিক্রি করা হয়।

Liverpool and Arsenal ready to pounce on Yan Diomande after PSG transfer  twist | FootballTransfers

এছাড়া ডমিনিক সোবোসলাইকে লিভারপুলে প্রায় ৭০ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেও বড় মুনাফা করেছে ক্লাবটি।

শুধু এই কয়েকজনই নন, জাভি সিমন্স, ক্রিস্টোফার এনকুনকু, নাবি কেইতা, টিমো ভের্নার, ওপেন্ডা, দায়ো উপামেকানো, ইব্রাহিমা কোনাতে এবং দানি ওলমোর মতো ফুটবলারদের ক্ষেত্রেও লেইপজিগ একই ধরনের উন্নয়ন ও পুনর্মূল্যায়নের কৌশল অনুসরণ করেছে।

রিয়াল মাদ্রিদের জন্য কঠিন আলোচনা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিয়োমান্দেকে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের আগ্রহ রয়েছে। তবে লেইপজিগ এমন একটি ক্লাব, যাদের খেলোয়াড় বিক্রির আর্থিক চাপ নেই। ফলে দর-কষাকষিতে তারা সর্বোচ্চ মূল্য আদায়ের চেষ্টা করে এবং প্রয়োজনে দীর্ঘ আলোচনায়ও যেতে প্রস্তুত থাকে।

দিয়োমান্দের সম্ভাব্য ট্রান্সফারও সেই কৌশলেরই আরেকটি উদাহরণ হতে পারে। মাত্র এক মৌসুমের ব্যবধানে একজন খেলোয়াড়ের মূল্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে ইউরোপীয় ট্রান্সফার বাজারে আবারও নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের পথে এগোচ্ছে লেইপজিগ।