জামালপুরে রাজীব পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল ও সড়ক নিরাপত্তার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অঙ্গসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি ও জাতীয় যুবশক্তির নেতাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আয়োজকেরা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর এনসিপি, জাতীয় ছাত্রশক্তি ও জাতীয় যুবশক্তির নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে হামলার অভিযোগ
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজীব পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল এবং সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তি, জাতীয় যুবশক্তি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করছিলেন। এ সময় জেলা বাস-মিনিবাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়।
আহতদের মধ্যে জাতীয় যুবশক্তির জামালপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক আবিদ সৌরভ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির জেলা শাখার আহ্বায়ক আমিনুল ইহসান মাহিন সরকারের নাম জানা গেছে। বাকি আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জাতীয় ছাত্রশক্তির জেলা শাখার আহ্বায়ক আমিনুল ইহসান মাহিন সরকার বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলেন। তার দাবি, শুভর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন আহত হন। পরে নিরাপত্তার জন্য তারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের দিকে আশ্রয় নেন।
এসপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান
হামলার পর এনসিপি, জাতীয় ছাত্রশক্তি ও জাতীয় যুবশক্তির নেতাকর্মীরা এসপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে তারা হামলার বিচার, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে বাস মালিক বা শ্রমিক ইউনিয়নের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। জামালপুর জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
পরিস্থিতি শান্ত, তদন্তের আশ্বাস পুলিশের
জামালপুর থানার ওসি নাজমুস সাকিব জানান, ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশি উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















