সন্তানদের দেখাশোনার জন্য বাইরে থেকে কাউকে নিয়োগ না করে নিজেরই এক তরুণ আত্মীয়কে কাজে নিয়েছেন এক মা। তার দাবি, এই সিদ্ধান্তে শুধু সন্তানদের যত্ন নেওয়াই সহজ হয়নি, বরং পরিবারের সদস্যটির সঙ্গে সম্পর্কও আরও গভীর হয়েছে।
পরিচিত মানুষকেই বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
সন্তানদের দেখাশোনায় বাড়তি সাহায্যের প্রয়োজন দেখা দিলে ওই মায়ের প্রথমেই মনে পড়ে তার এক কাজিনের কথা। সন্তানদের সঙ্গে আগে থেকেই তার ভালো সম্পর্ক ছিল। পরিবারের সঙ্গেও তিনি নিয়মিত সময় কাটাতেন।
ফলে অপরিচিত কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার বদলে পরিবারের পরিচিত একজনকেই শিশুদের দেখাশোনায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন মা। এতে সন্তানরাও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এবং নতুন কারও সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ঝামেলাও হয়নি।
বাড়ল সহযোগিতা, ঘনিষ্ঠ হলো সম্পর্ক
মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মীয়টি এখন পরিবারের জন্য বাড়তি একজোড়া হাতের মতো কাজ করছেন। সন্তানদের প্রয়োজনের সময় পাশে থাকা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা কাজে সহযোগিতা করছেন তিনি।
এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, কাজের সম্পর্কের পাশাপাশি পারিবারিক বন্ধনও অটুট রয়েছে। বরং একসঙ্গে বেশি সময় কাটানোর কারণে দুজনের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
আত্মীয়কে কাজে নেওয়ার সুবিধা
শিশুদের দেখাশোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পরিচিত ও বিশ্বস্ত কারও হাতে তুলে দিতে পারায় ওই মা মানসিকভাবেও স্বস্তি পাচ্ছেন। সন্তানদের পছন্দের একজন মানুষ পাশে থাকায় তারাও আনন্দের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে।
তবে আত্মীয় হলেও দায়িত্বের বিষয়টি স্পষ্ট রাখা জরুরি। কাজের সময়, দায়িত্ব এবং পারিশ্রমিক আগে থেকেই নির্ধারণ করে নিলে পারিবারিক সম্পর্কের পাশাপাশি কাজের বিষয়টিও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।
এই মায়ের অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, সঠিক বোঝাপড়া ও পারস্পরিক সম্মান থাকলে পরিবারের কাউকে শিশুদের দেখাশোনার কাজে যুক্ত করা একই সঙ্গে বাস্তব সহায়তা এবং সম্পর্কের উষ্ণতা—দুটিই এনে দিতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















