১২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
শরতের চলচ্চিত্র উৎসবে ভোগ সম্পাদকদের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমা মাস্কের স্পেসএক্সে ট্রাম্পের বিনিয়োগ, উঠল স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন তিন বছরে ১০০ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ার চীনা যন্ত্রাংশের ওপর মার্কিন রোবট শিল্পের নির্ভরতা ফাঁস, নতুন নিষেধাজ্ঞায় বাড়ছে উদ্বেগ প্রেমের টানে কানাডা ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে, স্বপ্নের বাড়ি হারিয়েও আক্ষেপ নেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারেও মার্কিন শেয়ারবাজারে আয় বৃদ্ধির চমক, দুই প্রতিষ্ঠানের বড় অবদান মেইল ভোটে ট্রাম্পের বিধিনিষেধে সুপ্রিম কোর্টের ছাড়, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় ফ্লোরিডায় স্বাস্থ্যবিমার খরচে বিপাকে লাখো মানুষ, এক বছরে বীমা ছাড়লেন ৪ লাখ ৪০ হাজার এপস্টেইনকে সহায়তার মামলায় গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের সাজা বাতিলের আবেদন খারিজ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নতুন তৎপরতা, ক্ষুদ্র দ্বীপে সম্ভাব্য রাডার স্থাপনা

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১০৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪
  • 172

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

নেতা কীভাবে কনফিলিক্ট ম্যানেজমেন্ট করবে

প্রথমত স্মার্ট নেতা সব সময়ই চেষ্টা করবে যতটা সম্ভব কনফিলিক্ট এড়ানো। তাছাড়া নিজে এমন কোন কাজ করবে না যাতে কনফিলিক্ট সৃষ্টি হয়। বা কোন রূপ ফুয়েল পায় কোন সমস্যা। তারপরেও যদি ঘটনা ঘটে তাহলে নেতা অন্তত এ পথ গুলো প্রাথমিক বিবেচনায় নেবে-

১. সমস্যা যেন আরো গভীরে না যায় এমন কোন কাজ তার নিজের পক্ষ থেকে বা দলের ও টিমের পক্ষ থেকে করা যেন না হয়।

২. সমস্যাকে কখনই যেন কঠোরভাবে সমাধানের চেষ্টা না করা হয়।

৩. সমস্যার পক্ষ গুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে।

৪. যতটা সম্ভব পক্ষ কমিয়ে আনতে হবে।

৫. নিজের পক্ষকে যেমন একট ফ্রেমের মধ্যে আনতে হবে প্রতিপক্ষকেও পরোক্ষভাবে হোক বা নমনীয় হয়ে হোক একটা ফ্রেমের মধ্যে আনতে হবে।

৬. প্রতিপক্ষকে একটা ফ্রেমের মধ্যে আনার অর্থ হলো, তাদেরকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোতে আনা।

৭. যে কোন সমস্যার সমাধানের জন্যে সব থেকে বড় সুবিধা যত বেশি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করা যায় বা নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোকে কাজে লাগানো যায়।

৮. উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পৃথিবী বুঝতে পেরেছে সংঘাত কত কঠিন। তাই তার পর থেকে পৃথিবীতে একের পর এক নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোগুলোকে শক্তিশালী করা হয়েছে। এমনকি একের পর এক আঞ্চলিক নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো গড়া হয়েছে।

৯. যে কোন স্মার্ট নেতাকে তার যে কোন সমস্যায় ক্ষুদ্র মডেলে হলেও এটাকে অনুসরণ করতে হবে।

১০. যে নেতা যত বেশি শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে পারে সে তত বেশি স্মার্ট নেতা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শরতের চলচ্চিত্র উৎসবে ভোগ সম্পাদকদের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমা

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১০৪)

০৯:০০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

নেতা কীভাবে কনফিলিক্ট ম্যানেজমেন্ট করবে

প্রথমত স্মার্ট নেতা সব সময়ই চেষ্টা করবে যতটা সম্ভব কনফিলিক্ট এড়ানো। তাছাড়া নিজে এমন কোন কাজ করবে না যাতে কনফিলিক্ট সৃষ্টি হয়। বা কোন রূপ ফুয়েল পায় কোন সমস্যা। তারপরেও যদি ঘটনা ঘটে তাহলে নেতা অন্তত এ পথ গুলো প্রাথমিক বিবেচনায় নেবে-

১. সমস্যা যেন আরো গভীরে না যায় এমন কোন কাজ তার নিজের পক্ষ থেকে বা দলের ও টিমের পক্ষ থেকে করা যেন না হয়।

২. সমস্যাকে কখনই যেন কঠোরভাবে সমাধানের চেষ্টা না করা হয়।

৩. সমস্যার পক্ষ গুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে।

৪. যতটা সম্ভব পক্ষ কমিয়ে আনতে হবে।

৫. নিজের পক্ষকে যেমন একট ফ্রেমের মধ্যে আনতে হবে প্রতিপক্ষকেও পরোক্ষভাবে হোক বা নমনীয় হয়ে হোক একটা ফ্রেমের মধ্যে আনতে হবে।

৬. প্রতিপক্ষকে একটা ফ্রেমের মধ্যে আনার অর্থ হলো, তাদেরকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোতে আনা।

৭. যে কোন সমস্যার সমাধানের জন্যে সব থেকে বড় সুবিধা যত বেশি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করা যায় বা নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোকে কাজে লাগানো যায়।

৮. উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পৃথিবী বুঝতে পেরেছে সংঘাত কত কঠিন। তাই তার পর থেকে পৃথিবীতে একের পর এক নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোগুলোকে শক্তিশালী করা হয়েছে। এমনকি একের পর এক আঞ্চলিক নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো গড়া হয়েছে।

৯. যে কোন স্মার্ট নেতাকে তার যে কোন সমস্যায় ক্ষুদ্র মডেলে হলেও এটাকে অনুসরণ করতে হবে।

১০. যে নেতা যত বেশি শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে পারে সে তত বেশি স্মার্ট নেতা।