০২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী বাজি কেন চীনের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক মেরামত করতে পারবে না হারিস রউফের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ভারতের জন্য আরও এক মাস আকাশসীমা বন্ধ রাখল পাকিস্তান গাজা শান্তি বোর্ডে যুক্ত হতে যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণ গ্রহণ করল সংযুক্ত আরব আমিরাত শীতে বারবিকিউ খাবারে ভাইরাসজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি, সতর্ক করলেন চিকিৎসকেরা ইউএন শরণার্থী সংস্থার কার্যালয়ে ইসরায়েলি ভাঙচুর, আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ ইন্টারনেট বন্ধে বিপর্যস্ত ইরানের ব্যবসা, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা সাত দশকের মধ্যে ভয়াবহতম বৃষ্টি তিউনিসিয়ায়, বন্যায় প্রাণ গেল চারজন চীনের ‘মেগা দূতাবাসে’ সবুজ সংকেত লন্ডনে, নিরাপত্তা বিতর্ক ছাপিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপে খেলতে আগ্রহী ক্রিকেটাররা, চলমান টানাপোড়েনের সমাধান চান শান্ত

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১১২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪
  • 65

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

অস্থিরতায় নেতার আচরণ

সাধারণত কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কখনও কখনও অস্থিরতার মধ্যে পড়ে। এটা  যে কোন কোম্পানি বা সংগঠনে ঘটতেই পারে।

এ সময়ে নেতার আচরনই নেতার সব থেকে বড় সম্পদ। আর সে সম্পদ কীভাবে ব্যবহার করতে হয়।

১. নেতার কোন আচরণ বা কোন কথা যে কোনমতেই কোন একটি বিশেষ পক্ষের দিকে না যায়।

২. তার কাজ, আচরন, বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ ও শব্দ ব্যবহার সবই এমন হতে হবে যে সকলেই মনে করে সেই একমাত্র সমস্যার সমাধান করতে পারে।

৩. এ সময়ে নেতাকে কখনই শক্রকে দৃশ্যমান করতে নেই বরং আরো বেশি চেষ্টা করতে হয় যেন এই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে কোন একটি পক্ষ শত্রু না হয়।

৪. এছাড়া সকলেই যেন মনে করতে পারে সে সকলের হয়ে কাজ করছে এবং সেই প্রকৃত সমস্যার সমাধন চায় ও করতে পারবে।

৫. যে কারণে অস্থিরতার সৃষ্টি হয় এবং যারা অস্থিরতার অনুঘটক থাকে ওই বিষয়টির কাছে এবং ব্যক্তিদের কাছে নেতাকে দ্রুত গ্রহনযোগ্য হতে হয়।

৬. আর এ জন্য যেভাবে, যতটা নমনীয় ও শোভনভাবে আলোচনা বা পারস্পারিকভাবে কাছে আসা যায় তা চিন্তা করতে হয়।

৭. এই সময়ে যে কোন ধরনের ক্রোধ, ইগো ও নিজেকে অতিমূ্ল্যায়ন নেতার জন্যে অনেক বেশি ক্ষতিকর।

৮. প্রয়োজনে একটু পিছিয়ে গিয়েও নিজেকে গ্রহনযোগ্য যেমন করতে হয় তেমনি কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে নিতে হয়।

৯. অস্থিরতা মূহূর্তে কমে যাবে এমনটি চিন্তা করতে নেই। তবে তার মাত্রা যাতে না বাড়ে সে পথে কাজ করতে হয়।

১০. নেতাকে এ সময়ে অবশ্যই তার চিন্তা ও আচরণকে স্বাভাবিক সময়ের মতোই রাখতে হয়। ঘটনা চিন্তার ওপর প্রভাব বিস্তার করলে নেতা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী বাজি কেন চীনের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক মেরামত করতে পারবে না

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১১২)

০৯:০০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

অস্থিরতায় নেতার আচরণ

সাধারণত কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কখনও কখনও অস্থিরতার মধ্যে পড়ে। এটা  যে কোন কোম্পানি বা সংগঠনে ঘটতেই পারে।

এ সময়ে নেতার আচরনই নেতার সব থেকে বড় সম্পদ। আর সে সম্পদ কীভাবে ব্যবহার করতে হয়।

১. নেতার কোন আচরণ বা কোন কথা যে কোনমতেই কোন একটি বিশেষ পক্ষের দিকে না যায়।

২. তার কাজ, আচরন, বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ ও শব্দ ব্যবহার সবই এমন হতে হবে যে সকলেই মনে করে সেই একমাত্র সমস্যার সমাধান করতে পারে।

৩. এ সময়ে নেতাকে কখনই শক্রকে দৃশ্যমান করতে নেই বরং আরো বেশি চেষ্টা করতে হয় যেন এই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে কোন একটি পক্ষ শত্রু না হয়।

৪. এছাড়া সকলেই যেন মনে করতে পারে সে সকলের হয়ে কাজ করছে এবং সেই প্রকৃত সমস্যার সমাধন চায় ও করতে পারবে।

৫. যে কারণে অস্থিরতার সৃষ্টি হয় এবং যারা অস্থিরতার অনুঘটক থাকে ওই বিষয়টির কাছে এবং ব্যক্তিদের কাছে নেতাকে দ্রুত গ্রহনযোগ্য হতে হয়।

৬. আর এ জন্য যেভাবে, যতটা নমনীয় ও শোভনভাবে আলোচনা বা পারস্পারিকভাবে কাছে আসা যায় তা চিন্তা করতে হয়।

৭. এই সময়ে যে কোন ধরনের ক্রোধ, ইগো ও নিজেকে অতিমূ্ল্যায়ন নেতার জন্যে অনেক বেশি ক্ষতিকর।

৮. প্রয়োজনে একটু পিছিয়ে গিয়েও নিজেকে গ্রহনযোগ্য যেমন করতে হয় তেমনি কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে নিতে হয়।

৯. অস্থিরতা মূহূর্তে কমে যাবে এমনটি চিন্তা করতে নেই। তবে তার মাত্রা যাতে না বাড়ে সে পথে কাজ করতে হয়।

১০. নেতাকে এ সময়ে অবশ্যই তার চিন্তা ও আচরণকে স্বাভাবিক সময়ের মতোই রাখতে হয়। ঘটনা চিন্তার ওপর প্রভাব বিস্তার করলে নেতা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।