০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
ভারতের বেসরকারি হাসপাতাল খাতে বিস্তার: বিনিয়োগের জোয়ার, কিন্তু সেবার খরচ কতটা নাগালের মধ্যে? গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮-এ বড় পরিবর্তন, আসছে ‘আল্ট্রা’ সংস্করণ আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর হওয়ার দৌড়ে থাকা তরুণ রাজনীতিবিদ আবদুল এল সাইদ কে? টেস্টে ফেল করলে কি এসএসসি পরীক্ষায় বাধা দিতে পারে স্কুল? যোগ্যতার সরকার: পাকিস্তানের গণতন্ত্রে এখন প্রয়োজন দক্ষতার নতুন কাঠামো তেল কি আবার ১০০ ডলারে উঠবে? মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সরবরাহ ঝুঁকিতে বাড়ছে দাম হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা ৯২২ ইউরোপে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা, তীব্র দাবদাহে ধস নামছে কৃষি উৎপাদনে ২০ বছর পূর্তিতে নতুন গান নিয়ে ফিরছে বিগব্যাং বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী ছবি ‘দ্য টেবিল: ডে অ্যান্ড নাইট’

কুইক রেন্টালে দায়মুক্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 175

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রæত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর অধীন কোনো কর্মকান্ডের বিষয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না এবং ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এ আইনের ৬ (২) ও ৯ ধারা বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক ও আইনজীবী তাইয়্যেবুল ইসলাম সৌরভ।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, ওই আইনের ৬(২) ধারা ও ৯ ধারার সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়েছে। ধারা দুটি কেন অসাংবিধানিক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনটি ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর প্রণয়ন করা হয়। আইনের ‘পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের প্রচার’ সংক্রান্ত ৬(২) ধারা ও ‘আদালত ইত্যাদির এখতিয়ার রহিত করা’ সংক্রান্ত ৯ ধারার বৈধতা নিয়ে গত সপ্তাহে রিটটি করা হয়।

পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের প্রচার’ সংক্রান্ত আইনের ৬(২) ধারার ভাষ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণক্রমে যে কোনো ক্রয়, বিনিয়োগ পরিকল্পনা বা প্রস্তাব ধারা ৫ এ বর্ণিত প্রক্রিয়াকরণ কমিটি সীমিত সংখ্যক অথবা একক কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ ও দরকষাকষির মাধ্যমে ওই কাজের জন্য মনোনীত করে ধারা ৭ এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণে অর্থনৈতিক বিষয় বা সরকারি ক্রয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানোর পদক্ষেপ নেবে।

আর ‘আদালত ইত্যাদির এখতিয়ার রহিত করা’–সংক্রান্ত ৯ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের অধীন করা বা করা হয়েছে বলে বিবেচিত কোনো কাজ, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রদত্ত কোনো আদেশ বা নির্দেশের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতের কাছে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বেসরকারি হাসপাতাল খাতে বিস্তার: বিনিয়োগের জোয়ার, কিন্তু সেবার খরচ কতটা নাগালের মধ্যে?

কুইক রেন্টালে দায়মুক্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল

০৬:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রæত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর অধীন কোনো কর্মকান্ডের বিষয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না এবং ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এ আইনের ৬ (২) ও ৯ ধারা বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক ও আইনজীবী তাইয়্যেবুল ইসলাম সৌরভ।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, ওই আইনের ৬(২) ধারা ও ৯ ধারার সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়েছে। ধারা দুটি কেন অসাংবিধানিক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনটি ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর প্রণয়ন করা হয়। আইনের ‘পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের প্রচার’ সংক্রান্ত ৬(২) ধারা ও ‘আদালত ইত্যাদির এখতিয়ার রহিত করা’ সংক্রান্ত ৯ ধারার বৈধতা নিয়ে গত সপ্তাহে রিটটি করা হয়।

পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের প্রচার’ সংক্রান্ত আইনের ৬(২) ধারার ভাষ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণক্রমে যে কোনো ক্রয়, বিনিয়োগ পরিকল্পনা বা প্রস্তাব ধারা ৫ এ বর্ণিত প্রক্রিয়াকরণ কমিটি সীমিত সংখ্যক অথবা একক কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ ও দরকষাকষির মাধ্যমে ওই কাজের জন্য মনোনীত করে ধারা ৭ এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণে অর্থনৈতিক বিষয় বা সরকারি ক্রয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানোর পদক্ষেপ নেবে।

আর ‘আদালত ইত্যাদির এখতিয়ার রহিত করা’–সংক্রান্ত ৯ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের অধীন করা বা করা হয়েছে বলে বিবেচিত কোনো কাজ, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রদত্ত কোনো আদেশ বা নির্দেশের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতের কাছে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।