০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দম্পতির মৃত্যু বাগেরহাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের ১০ জনসহ নিহত ১২ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে সৌদি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধ ভারতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে: সতর্ক করলেন রাহুল গান্ধী ইসরায়েলের হামলা বন্ধের আহ্বান তুরস্কের তেলবাহী জাহাজকে এখনই নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তা শিগগির প্রকাশ পাটুরিয়ায় নদীতে পড়া তেলবাহী ট্রাক উদ্ধার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • 446

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস

শাসনব্যবস্থা বা সরকার-এর কাঠামো বলতে এখন যা বোঝায় তা আজতেকদের সময় ছিল না। সামাজিক কাঠামোর ওপর সরকার বা শাসনপ্রক্রিয়া নির্ভর করত। সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস-এর একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে চালু ছিল। সবচেয়ে প্রথম বা উঁচুতে ছিল পিল্লি (Pilli) বা অভিজাত (Nobilty)।

প্রথমে এই অভিজাতব্যবস্থা বংশনুক্রমিক ছিল না (Hereditary) কিন্তু বাস্তবে উত্তরসূরী হিসাবে ছেলে/সন্তান বা সমাজজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ পেত। এর মধ্যে ছিল সামাজিক সম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং জীবনযাত্রার অন্যান্য জরুরী কেন্দ্র। জীবনযাত্রার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বৈষম্যমূলক সুযোগ সুবিধা ভোগ করার জন্য এই প্রজন্মের ছেলেরা পিল্লির পদে আসীন হবার সুযোগ পেত।

সামাজিক শ্রেণিবিন্যাসের দ্বিতীয় স্তরটি হল মাসে হুয়াল্লি (Macehulli)। এরা প্রথম দিকে ছিল চাষী। এদুয়ার্দো নোগুয়েরা (Eduardo Noguera) একটি হিসেব করে দেখেছিলেন যে পরবর্তীকালে মাত্র শতকরা কুড়িভাগ মানুষ কৃষি এবং খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। জনসংখ্যার বাকি আশি ভাগ ছিল কারিগর, ব্যবসায়ী এবং সৈনিক বা যোদ্ধা।

ঘটনাক্রমে মাসেহুয়ালিসদের বেশিরভাগ হস্তশিল্প বা অন্যান্য শিল্প সংক্রান্ত কাজে বিশেষ মনোযোগী ছিল। এইসব শিল্পীদের কাজ থেকে ভাল আয় করা সম্ভব ছিল এবং শহরের রাজস্বর অনেকটা জোগান দিত এইসব হস্তশিল্পী এবং কারিগর।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

০৭:০০:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস

শাসনব্যবস্থা বা সরকার-এর কাঠামো বলতে এখন যা বোঝায় তা আজতেকদের সময় ছিল না। সামাজিক কাঠামোর ওপর সরকার বা শাসনপ্রক্রিয়া নির্ভর করত। সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস-এর একটি প্রথা আজতেকদের মধ্যে চালু ছিল। সবচেয়ে প্রথম বা উঁচুতে ছিল পিল্লি (Pilli) বা অভিজাত (Nobilty)।

প্রথমে এই অভিজাতব্যবস্থা বংশনুক্রমিক ছিল না (Hereditary) কিন্তু বাস্তবে উত্তরসূরী হিসাবে ছেলে/সন্তান বা সমাজজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ পেত। এর মধ্যে ছিল সামাজিক সম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং জীবনযাত্রার অন্যান্য জরুরী কেন্দ্র। জীবনযাত্রার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বৈষম্যমূলক সুযোগ সুবিধা ভোগ করার জন্য এই প্রজন্মের ছেলেরা পিল্লির পদে আসীন হবার সুযোগ পেত।

সামাজিক শ্রেণিবিন্যাসের দ্বিতীয় স্তরটি হল মাসে হুয়াল্লি (Macehulli)। এরা প্রথম দিকে ছিল চাষী। এদুয়ার্দো নোগুয়েরা (Eduardo Noguera) একটি হিসেব করে দেখেছিলেন যে পরবর্তীকালে মাত্র শতকরা কুড়িভাগ মানুষ কৃষি এবং খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। জনসংখ্যার বাকি আশি ভাগ ছিল কারিগর, ব্যবসায়ী এবং সৈনিক বা যোদ্ধা।

ঘটনাক্রমে মাসেহুয়ালিসদের বেশিরভাগ হস্তশিল্প বা অন্যান্য শিল্প সংক্রান্ত কাজে বিশেষ মনোযোগী ছিল। এইসব শিল্পীদের কাজ থেকে ভাল আয় করা সম্ভব ছিল এবং শহরের রাজস্বর অনেকটা জোগান দিত এইসব হস্তশিল্পী এবং কারিগর।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)