১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
WHO থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়: বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যে কী ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে নির্যাতন চালিয়ে করানো হতো সাইবার জালিয়াতির কাজ গাজা ‘বোর্ড অব পিস’ বিতর্ক: ট্রাম্পের নতুন প্ল্যাটফর্মে নেতানিয়াহুর যোগ, সমান্তরাল কূটনীতি নিয়ে প্রশ্ন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৮) সোনা–রুপার দামে ইতিহাস, ইউরোপ–আমেরিকা উত্তেজনায় নিরাপদ বিনিয়োগে দৌড় উষ্ণ অ্যান্টার্কটিকায় সময়ের আগেই প্রজনন, বিপন্ন দুই পেঙ্গুইন প্রজাতি প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪) নরওয়ের বরফ রাজ্যে ট্রল ট্রেইল: স্কিতে প্রকৃতি, রোমাঞ্চ আর জীবনের স্বাদ ঝুঁকির খেলায় তরুণেরা, নকল টাকায় বিনিয়োগের রোমাঞ্চে গড়ে উঠছে নতুন অভ্যাস তারকা র‍্যাপারের দোদুল্যমান প্রত্যাবর্তন: এএসএপি রকির নতুন অ্যালবাম কতটা বলার আছে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৭)

অষ্টম পরিচ্ছেদ
তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স’টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই ছিল আমার ইচ্ছে। কিন্তু টিউনিকের কলারের ভেতর দিয়ে মাথাটা গলাতেই দেখতে পেলুম গুলি-খেয়ে-মরা সেই লোকটা প্রায় আমার পায়ের কাছে এসে হাজির হয়েছে।
পাগলের মতো হাঁউমাউ করে চে’চিয়ে উঠে আমি সামনের দিকে কয়েক পা এগিয়ে এলুম, আর প্রায় জলে পড়ে যাবার উপক্রম করলুম। মরা লোকটিকে চিনতে পেরেছিলুম আমি। মৌমাছিপালকের রক্ষণাবেক্ষণে যে-আহত তিনজনকে আমরা পেছনে রেখে এসেছিলুম, ও ছিল তাদেরই একজন। ও আর কেউ নয়, ও ছিল আমাদের সেই বাচ্চা বেদে।
‘হেই, খোকা!’ পেছনে একটা চিৎকার শুনতে পেলুম। ‘ইদিক এস।’
তিন জন লোক সোজা আমার দিকে আসছিল। তাদের মধ্যে দু-জনের হাতে ছিল রাইফেল। আর তখন আমার পালানোর রাস্তা বন্ধ। সামনে ছিল ওই লোকগুলো, পেছনে নদী।
‘কে তুমি বটে?’ লম্বা, কালো দাড়িওয়ালা একটা লোক প্রশ্ন করল।
চুপ করে রইলুম। বুঝতে পারছিলুম না লোকগুলো কিসের, লাল ফৌজের,
না শ্বেতরক্ষী-দলের।
‘আমি তোমারে কচ্চি, শুনচ?’ আমার হাতটা চেপে ধরে এবার আরও রুক্ষভাবে লোকটা কথা বলল।
‘ওর সাথে কথা কয়ে লাভ কী,’ আরেক জন বলল। ‘ওরে বরং গেরামে লিয়ে চল। ওখেনে জেরা যা করবার ওরাই করবে’খন।’
দুটো ঘোড়ার গাড়ি সামনে এসে দাঁড়াল।
জনপ্রিয় সংবাদ

WHO থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়: বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যে কী ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৭)

০৮:০০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
অষ্টম পরিচ্ছেদ
তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স’টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই ছিল আমার ইচ্ছে। কিন্তু টিউনিকের কলারের ভেতর দিয়ে মাথাটা গলাতেই দেখতে পেলুম গুলি-খেয়ে-মরা সেই লোকটা প্রায় আমার পায়ের কাছে এসে হাজির হয়েছে।
পাগলের মতো হাঁউমাউ করে চে’চিয়ে উঠে আমি সামনের দিকে কয়েক পা এগিয়ে এলুম, আর প্রায় জলে পড়ে যাবার উপক্রম করলুম। মরা লোকটিকে চিনতে পেরেছিলুম আমি। মৌমাছিপালকের রক্ষণাবেক্ষণে যে-আহত তিনজনকে আমরা পেছনে রেখে এসেছিলুম, ও ছিল তাদেরই একজন। ও আর কেউ নয়, ও ছিল আমাদের সেই বাচ্চা বেদে।
‘হেই, খোকা!’ পেছনে একটা চিৎকার শুনতে পেলুম। ‘ইদিক এস।’
তিন জন লোক সোজা আমার দিকে আসছিল। তাদের মধ্যে দু-জনের হাতে ছিল রাইফেল। আর তখন আমার পালানোর রাস্তা বন্ধ। সামনে ছিল ওই লোকগুলো, পেছনে নদী।
‘কে তুমি বটে?’ লম্বা, কালো দাড়িওয়ালা একটা লোক প্রশ্ন করল।
চুপ করে রইলুম। বুঝতে পারছিলুম না লোকগুলো কিসের, লাল ফৌজের,
না শ্বেতরক্ষী-দলের।
‘আমি তোমারে কচ্চি, শুনচ?’ আমার হাতটা চেপে ধরে এবার আরও রুক্ষভাবে লোকটা কথা বলল।
‘ওর সাথে কথা কয়ে লাভ কী,’ আরেক জন বলল। ‘ওরে বরং গেরামে লিয়ে চল। ওখেনে জেরা যা করবার ওরাই করবে’খন।’
দুটো ঘোড়ার গাড়ি সামনে এসে দাঁড়াল।