০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের ‘শীতের কাহিনি’, পুরোনো আবহে নতুন মুগ্ধতা উপাসনা করতে গিয়ে কোনো আমেরিকান যেন ভয়ে পিছিয়ে না যান জেন-জি রাজনীতির ভাষা বুঝতে পারছে না প্রচলিত দলগুলো? ট্রাম্পের গোপন বিমানযাত্রা: ইরান যুদ্ধের রাজনৈতিক মূল্য কতটা বাড়ছে গ্রিসের দ্বীপভ্রমণের স্বপ্ন, নাকি ‘বমির ধূমকেতু’? উত্তাল সাগরে পর্যটকদের নাজেহাল দশা অ্যাপলের টেক্সাসে নতুন কারখানা: ম্যাক মিনি উৎপাদন ও কর্মীদের প্রশিক্ষণে বড় বিনিয়োগ ট্রাম্প-মাস্কের ভাঙা সম্পর্ক আবার জোড়া লাগল, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য ১০ কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা গ্যাসের সংকটে রূপগঞ্জে থমকে শিল্পের চাকা, বাড়ছে লোকসান ও কর্মসংস্থান নিয়ে শঙ্কা পাম্পে ত্রুটি, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: এক মাস আগেই নিরাপত্তা লঙ্ঘনে আইনি ব্যবস্থা হয়েছিল জাহাজভাঙা ইয়ার্ডের বিরুদ্ধে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৭)

অষ্টম পরিচ্ছেদ
তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স’টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই ছিল আমার ইচ্ছে। কিন্তু টিউনিকের কলারের ভেতর দিয়ে মাথাটা গলাতেই দেখতে পেলুম গুলি-খেয়ে-মরা সেই লোকটা প্রায় আমার পায়ের কাছে এসে হাজির হয়েছে।
পাগলের মতো হাঁউমাউ করে চে’চিয়ে উঠে আমি সামনের দিকে কয়েক পা এগিয়ে এলুম, আর প্রায় জলে পড়ে যাবার উপক্রম করলুম। মরা লোকটিকে চিনতে পেরেছিলুম আমি। মৌমাছিপালকের রক্ষণাবেক্ষণে যে-আহত তিনজনকে আমরা পেছনে রেখে এসেছিলুম, ও ছিল তাদেরই একজন। ও আর কেউ নয়, ও ছিল আমাদের সেই বাচ্চা বেদে।
‘হেই, খোকা!’ পেছনে একটা চিৎকার শুনতে পেলুম। ‘ইদিক এস।’
তিন জন লোক সোজা আমার দিকে আসছিল। তাদের মধ্যে দু-জনের হাতে ছিল রাইফেল। আর তখন আমার পালানোর রাস্তা বন্ধ। সামনে ছিল ওই লোকগুলো, পেছনে নদী।
‘কে তুমি বটে?’ লম্বা, কালো দাড়িওয়ালা একটা লোক প্রশ্ন করল।
চুপ করে রইলুম। বুঝতে পারছিলুম না লোকগুলো কিসের, লাল ফৌজের,
না শ্বেতরক্ষী-দলের।
‘আমি তোমারে কচ্চি, শুনচ?’ আমার হাতটা চেপে ধরে এবার আরও রুক্ষভাবে লোকটা কথা বলল।
‘ওর সাথে কথা কয়ে লাভ কী,’ আরেক জন বলল। ‘ওরে বরং গেরামে লিয়ে চল। ওখেনে জেরা যা করবার ওরাই করবে’খন।’
দুটো ঘোড়ার গাড়ি সামনে এসে দাঁড়াল।
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের ‘শীতের কাহিনি’, পুরোনো আবহে নতুন মুগ্ধতা

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৭)

০৮:০০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
অষ্টম পরিচ্ছেদ
তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স’টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই ছিল আমার ইচ্ছে। কিন্তু টিউনিকের কলারের ভেতর দিয়ে মাথাটা গলাতেই দেখতে পেলুম গুলি-খেয়ে-মরা সেই লোকটা প্রায় আমার পায়ের কাছে এসে হাজির হয়েছে।
পাগলের মতো হাঁউমাউ করে চে’চিয়ে উঠে আমি সামনের দিকে কয়েক পা এগিয়ে এলুম, আর প্রায় জলে পড়ে যাবার উপক্রম করলুম। মরা লোকটিকে চিনতে পেরেছিলুম আমি। মৌমাছিপালকের রক্ষণাবেক্ষণে যে-আহত তিনজনকে আমরা পেছনে রেখে এসেছিলুম, ও ছিল তাদেরই একজন। ও আর কেউ নয়, ও ছিল আমাদের সেই বাচ্চা বেদে।
‘হেই, খোকা!’ পেছনে একটা চিৎকার শুনতে পেলুম। ‘ইদিক এস।’
তিন জন লোক সোজা আমার দিকে আসছিল। তাদের মধ্যে দু-জনের হাতে ছিল রাইফেল। আর তখন আমার পালানোর রাস্তা বন্ধ। সামনে ছিল ওই লোকগুলো, পেছনে নদী।
‘কে তুমি বটে?’ লম্বা, কালো দাড়িওয়ালা একটা লোক প্রশ্ন করল।
চুপ করে রইলুম। বুঝতে পারছিলুম না লোকগুলো কিসের, লাল ফৌজের,
না শ্বেতরক্ষী-দলের।
‘আমি তোমারে কচ্চি, শুনচ?’ আমার হাতটা চেপে ধরে এবার আরও রুক্ষভাবে লোকটা কথা বলল।
‘ওর সাথে কথা কয়ে লাভ কী,’ আরেক জন বলল। ‘ওরে বরং গেরামে লিয়ে চল। ওখেনে জেরা যা করবার ওরাই করবে’খন।’
দুটো ঘোড়ার গাড়ি সামনে এসে দাঁড়াল।