০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের পাহাড় হাম চিকিৎসা কেন জরুরি ঘোষণা করা হচ্ছে না র‌্যাবকে জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা, আসছে নতুন আইন ও নাম পরিবর্তনের ভাবনা ফার্নেস অয়েলের দাম আবার বাড়ল, লিটারপ্রতি এখন ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা ঈদে টানা ৭ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক, বিশেষ এলাকায় সীমিত সেবা চালু মৃগীরোগে অচেতন চালক, সেই সুযোগে ভ্যান চুরি: ঝিনাইদহে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ কোরবানির ঈদ ২৮ মে, বাংলাদেশে জিলহজ মাস শুরু তনু হত্যা মামলায় চাঞ্চল্যকর নতুন তথ্য, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল চতুর্থ পুরুষের রক্ত বাংলাদেশে প্রথম ‘অরেঞ্জ বন্ড’ আসছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, ডিএসই-ব্র্যাক ইপিএলের চুক্তি

ইসরায়েলে আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: গাজা যুদ্ধ থামাতে ও রাজনৈতিক রোডম্যাপের আহ্বান

কূটনৈতিক বার্তা ও যুদ্ধের বাস্তবতা

আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরুজালেমে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে গাজা যুদ্ধের অবসান, জিম্মি ও আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য সুস্পষ্ট রাজনৈতিক পথনকশার ওপর জোর দেন। ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ধারাবাহিকতায় আমিরাত কূটনৈতিক সংযোগ বজায় রেখেছে, তবে টেকসই মানবিক প্রবেশাধিকার ও যুদ্ধবিরতি-ভিত্তিক শাসনব্যবস্থার পরিকল্পনা দাবি করছে।

আঞ্চলিক ঝুঁকি, সহায়তা ও পরবর্তী ধাপ

বৈঠকে রেড সি শিপিং ঝুঁকি, পশ্চিম তীরের উত্তেজনা ও সাহায্য সরবরাহ বাড়ানো নিয়েও আলোচনা হয়। ধাপে ধাপে বন্দি বিনিময়, রাফাহ-খান ইউনুসে নিশ্চয়তা ও তদারকির সঙ্গে সহায়তা করিডর—এমন একটি প্যাকেজের দিকে মধ্যস্থতাকারীরা নজর দিচ্ছেন। রাজনীতিক চাপ, জিম্মি পরিবারের দাবি ও জোট-রাজনীতিই ইসরায়েলের হিসাব নির্ধারণ করবে; আর আমিরাতের লক্ষ্য বাণিজ্য রুট সুরক্ষা ও উগ্রপন্থা ঠেকানো।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের পাহাড়

ইসরায়েলে আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: গাজা যুদ্ধ থামাতে ও রাজনৈতিক রোডম্যাপের আহ্বান

০৮:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কূটনৈতিক বার্তা ও যুদ্ধের বাস্তবতা

আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরুজালেমে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে গাজা যুদ্ধের অবসান, জিম্মি ও আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য সুস্পষ্ট রাজনৈতিক পথনকশার ওপর জোর দেন। ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ধারাবাহিকতায় আমিরাত কূটনৈতিক সংযোগ বজায় রেখেছে, তবে টেকসই মানবিক প্রবেশাধিকার ও যুদ্ধবিরতি-ভিত্তিক শাসনব্যবস্থার পরিকল্পনা দাবি করছে।

আঞ্চলিক ঝুঁকি, সহায়তা ও পরবর্তী ধাপ

বৈঠকে রেড সি শিপিং ঝুঁকি, পশ্চিম তীরের উত্তেজনা ও সাহায্য সরবরাহ বাড়ানো নিয়েও আলোচনা হয়। ধাপে ধাপে বন্দি বিনিময়, রাফাহ-খান ইউনুসে নিশ্চয়তা ও তদারকির সঙ্গে সহায়তা করিডর—এমন একটি প্যাকেজের দিকে মধ্যস্থতাকারীরা নজর দিচ্ছেন। রাজনীতিক চাপ, জিম্মি পরিবারের দাবি ও জোট-রাজনীতিই ইসরায়েলের হিসাব নির্ধারণ করবে; আর আমিরাতের লক্ষ্য বাণিজ্য রুট সুরক্ষা ও উগ্রপন্থা ঠেকানো।