১২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের দাবি—১১ দিনের যুদ্ধেই ইরানের শক্তি প্রায় ধ্বংস জ্বালানি বাজারে চাপ কমাতে মজুত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির কাছে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা, উত্তেজনা বাড়ছে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানে মৃতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা, জাতিসংঘে দাবি ১,৩৪৮ বেসামরিক নিহত যুদ্ধের আশঙ্কায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল পারস্য উপসাগরের কয়েক দেশে ইরানের হামলা , তেহরানে ড্রোন আক্রমণে আতঙ্ক লেবাননে একের পর এক ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৭ মুরগির দাম বেড়ে বাজারে উত্তাপ, সেমাই–চিনির দোকানে ক্রেতার ভিড় জ্বালানি সংকটে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল চাইল বাংলাদেশ উপসাগরে নতুন আতঙ্ক, তেলবাহী জাহাজে সমুদ্র ড্রোন হামলা

শরৎ বাধা পেল, বসন্ত কি আসতে পারবে?

  • Sarakhon Report
  • ০৮:২৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • 255

এবার শরৎ এমনি ভেজা। তারপরেও আকাশ ও বাতাস জুড়ে আছে গুমোট আবহাওয়া। এর ভেতরও “তবু আনন্দ জাগে।” হাজার হোক মানুষ তো- তার ওপর বাঙালি, যার জন্ম হয়েছে ভাটিয়ালি, ভাওইয়া, ফসল কাটার গান, ফসল তোলার নাচের সঙ্গে। মনের ভেতর যার একজন করে বাউল মাঝে মাঝেই উঁকি দেয়। সে কি পারে একেবারে নিরস এক জীবন, গুমোট আবহাওয়ায় নিজেকে আটকে রাখতে?

তাই শরতের হালকা মেঘ না এলেও কচি পাতা আর শিউলির কুঁড়ি দেখে সে হয়তো চারুকলা আর গেন্ডারিয়ায় গিয়েছিল শারদ উৎসব করতে। যার উৎসব ফসলের সঙ্গে, যার গান ছাদ পেটানোর সঙ্গে, যারা কোদাল দিয়ে মাটি কাটার সঙ্গে গান গায়, সে কি উৎসব ছাড়া থাকতে পারে!

কিন্তু হলো না। যারা এখন শক্তিমান তারা বন্ধ করে দিল উৎসব। চিড়িয়াখানার জীবের আবার উৎসব কি, এমন একটা ভাব। যাহোক, এখন তো তৃপ্তি মিত্র আর শম্ভূ মিত্রের বিখ্যাত সেই নাটকের ডায়ালগের যুগ চলছে। অর্থাৎ সেই ডায়ালগ, অটল ম্যানেজার হয়েছে, এখন তো শুধু তাদের কথা শোনারই সময় চলছে।

যাহোক, অটল ম্যানেজারের কথা মঞ্চের দর্শকরা সবাই শুনতে থাকুক। ভালো নাটকে এমন দৃশ্য থাকে। কিন্তু আমাদের এই শরৎ উৎসব বন্ধের পরের দৃশ্য কি? বসন্ত কি পথ খুঁজে পাবে এই ভূমিতে ঢোকার? নাকি বসন্ত ছাড়াই এখন থেকে তারুণ্য কাটবে তরুণরা, যারা কিছুদিন আগেও রাজপথে- আসছে ফাগুনে দ্বিগুণ হতে চেয়েছিল।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের দাবি—১১ দিনের যুদ্ধেই ইরানের শক্তি প্রায় ধ্বংস

শরৎ বাধা পেল, বসন্ত কি আসতে পারবে?

০৮:২৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

এবার শরৎ এমনি ভেজা। তারপরেও আকাশ ও বাতাস জুড়ে আছে গুমোট আবহাওয়া। এর ভেতরও “তবু আনন্দ জাগে।” হাজার হোক মানুষ তো- তার ওপর বাঙালি, যার জন্ম হয়েছে ভাটিয়ালি, ভাওইয়া, ফসল কাটার গান, ফসল তোলার নাচের সঙ্গে। মনের ভেতর যার একজন করে বাউল মাঝে মাঝেই উঁকি দেয়। সে কি পারে একেবারে নিরস এক জীবন, গুমোট আবহাওয়ায় নিজেকে আটকে রাখতে?

তাই শরতের হালকা মেঘ না এলেও কচি পাতা আর শিউলির কুঁড়ি দেখে সে হয়তো চারুকলা আর গেন্ডারিয়ায় গিয়েছিল শারদ উৎসব করতে। যার উৎসব ফসলের সঙ্গে, যার গান ছাদ পেটানোর সঙ্গে, যারা কোদাল দিয়ে মাটি কাটার সঙ্গে গান গায়, সে কি উৎসব ছাড়া থাকতে পারে!

কিন্তু হলো না। যারা এখন শক্তিমান তারা বন্ধ করে দিল উৎসব। চিড়িয়াখানার জীবের আবার উৎসব কি, এমন একটা ভাব। যাহোক, এখন তো তৃপ্তি মিত্র আর শম্ভূ মিত্রের বিখ্যাত সেই নাটকের ডায়ালগের যুগ চলছে। অর্থাৎ সেই ডায়ালগ, অটল ম্যানেজার হয়েছে, এখন তো শুধু তাদের কথা শোনারই সময় চলছে।

যাহোক, অটল ম্যানেজারের কথা মঞ্চের দর্শকরা সবাই শুনতে থাকুক। ভালো নাটকে এমন দৃশ্য থাকে। কিন্তু আমাদের এই শরৎ উৎসব বন্ধের পরের দৃশ্য কি? বসন্ত কি পথ খুঁজে পাবে এই ভূমিতে ঢোকার? নাকি বসন্ত ছাড়াই এখন থেকে তারুণ্য কাটবে তরুণরা, যারা কিছুদিন আগেও রাজপথে- আসছে ফাগুনে দ্বিগুণ হতে চেয়েছিল।