১০ জানুয়ারি: বাংলার আকাশে বাতাসে বেজেছিল, “ওই মহামানব আসে”
আজ বাংলাদেশের স্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিজয়ী নেতা হিসেবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এ বছর এ দিবস বাংলাদেশে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের পুরো-প্যানেল বিজয়— নন-ইনক্লুসিভ জাতীয় নির্বাচনের প্রতিচ্ছবি কি?
তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা, দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়ে বেগম জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত শুধু নয়— দেশের শীর্ষ পত্রিকায় বিড়াল “জেবু কাহিনী” মূল সংবাদ হয়ে ওঠার
দীপু দাসের মৃত্যু ও দারিদ্র্য বিমোচন
দীপু দাসের মৃত্যু সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে ওই রাতে লাইভ দেখেছিলাম। কষ্ট পেয়েছিলাম কিনা বলতে পারি না। কারণ, বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য শুধু
ডিকশনারি অব স্ল্যাং
শুরুতে ছিল শব্দ। কিন্তু সেটি কী? খ্রিস্টানদের কাছে তা ছিল ঈশ্বরের সৃষ্টির মাধ্যম সেই ঐশী লোগোস। আর ইংরেজি স্ল্যাংয়ের বিশ্বের
আলু, চাল, পেঁয়াজ স্লোগানে মাতিল—ঢাকা না দিল্লি—দিল্লি, দিল্লি।
বঙ্কিমচন্দ্রের কমলাকান্ত অফিম খাইয়া স্বপ্ন দেখিতেন, কামাল আহমদ ইচ্ছা করিলে পৃথিবীর তাবৎ সুন্দর খাদ্য ও দামী মাদক সবই খাইতে পারেন। তবে
একটি ভাঙা বাড়ি: আজকের বিজয় দিবস
বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা নতুন কোনো বিষয় নয় বাংলাদেশে। বার বার ঘটেছে। তারপরেও ইতিহাসের প্রকৃত
বাংলাদেশ: কারাগার থেকে ক্ষমতার পথে মুজিব
কিছু পশ্চিমা পর্যবেক্ষকের কাছে দৃশ্যটি মনে করিয়ে দেয় পন্টিয়াস পিলাতের সেই মুহূর্ত, যখন তিনি যিশু ও বারাব্বাসের ভাগ্য নির্ধারণ করেছিলেন।
দ্য ইমার্জেন্স অব বাংলাদেশ
জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির আহ্বান উপেক্ষা করে ভারতীয় বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে নয়াদিল্লির প্রধান লক্ষ্য অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বলে মনে হচ্ছে। এসব
পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিদেশি উদ্বাস্তুদের বর্ণনায় ভয়াবহ লড়াইয়ের চিত্র
কলকাতা, ৬ এপ্রিল—চট্টগ্রাম থেকে ৩৪ ঘণ্টার নৌযাত্রা শেষে আজ এখানে এসে পৌঁছেছেন একশরও বেশি বিদেশি উদ্বাস্তু। পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বন্দর
‘সোনার বাংলায়’ মৃত্যু
কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বহু বছর আগে লিখেছিলেন, ‘আমি তোমায় ভালোবাসি, আমার সোনার বাংলা… ও মা, বসন্তকালে তোমার আম্রকাননের সুবাস আমার হৃদয়কে আনন্দে উন্মত্ত

















