০১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
ইশান খট্টরের আবেগী স্বীকারোক্তি, অস্কারের মঞ্চে না পৌঁছালেও ‘হোমবাউন্ড’ চিরকাল হৃদয়ের কাছেই বিরল রোগে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওষুধ: ব্রিটেনের সাহসী সিদ্ধান্তে খুলছে নতুন চিকিৎসার দিগন্ত জাপানে আগাম ভোটের বড় বাজি, তাকাইচির ক্ষমতা পরীক্ষার দিনক্ষণ সিরিয়ার কুর্দিদের পতন: উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় স্বায়ত্তশাসনের শেষ অধ্যায় কিশোরগঞ্জে গরুবাহী পিকআপ উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ১২ যশোরে বিয়ের বাস খাদে, আহত অন্তত ১২ জন গাজীপুরে শ্রমিক–পুলিশ সংঘর্ষ, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ‘আমার প্রিয় ফিল্ড মার্শাল কেমন আছেন?’— দাভোসে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজকে জিজ্ঞেস করলেন ট্রাম্প আমাকে ক্ষেপালে আপনার হাফপ্যান্ট খুলে যাবে, কারণ আমরা শেখ হাসিনার হাফপ্যান্ট খুলে দিয়েছিলাম: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আইসিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ

বঙ্গোপসাগরে ২২- ২৪ নভেম্বরে নিম্নচাপের ইঙ্গিত, বাংলাদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা বাড়ছে

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি নিম্নচাপ গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর। আগামী ২২–২৪ নভেম্বরের মধ্যে সিস্টেমটি ডিপ্রেশনে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি (ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট) এবং বিএমডি (বাংলাদেশ মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট)। সম্ভাব্য এই অস্থির আবহাওয়া বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, মৎস্যশিল্প, সমুদ্রবন্দর এবং অভ্যন্তরীণ বন্যার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।


ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি) জানিয়েছে, ২২ নভেম্বরের দিকে দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপীয় এলাকা সৃষ্টি হতে পারে। সেটি ২৪ নভেম্বরের মধ্যে ডিপ্রেশন (নিম্নচাপ) হিসেবে দৃঢ়ায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)–এর পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।


বর্তমানে পরিস্থিতি — কী ঘটছে

  • আইএমডি–র পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ২২ নভেম্বরের আশপাশে ঘূর্ণায়মান একটি সিস্টেম তৈরি হচ্ছে। ২৪ নভেম্বরের মধ্যে সেটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।
  • বিএমডি–র সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা আগেই উল্লেখ করা হয়েছিল। এখন সেই সম্ভাবনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

আন্দামান–নিকোবর অঞ্চলে সতর্কতা

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রসহ ঝোড়ো হাওয়ার গতি বাড়তে পারে ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সমুদ্র অস্থির থাকার কারণে অঞ্চলটিতে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত মৎস্য ও নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রভাব

নোট: এটি সম্ভাব্যতা নির্ভর প্রাক্কলন। সিস্টেমের সঠিক গতিপথ এখনও অনিশ্চিত।

১. উপকূলীয় জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টি

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ভোলা, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘণ্টায় ৬০–৮০ কিলোমিটার বেগের ঝড়ো হাওয়া ও গাস্ট হতে পারে। দুর্বল নির্মাণ, গাছপালা ও উপকূলীয় পথচলায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।

২. জলোচ্ছ্বাস ও উপকূলীয় বন্যা

ঝড়ো সমুদ্রের কারণে কক্সবাজার–চট্টগ্রাম উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩. অভ্যন্তরীণ নদীব্যবস্থায় প্রভাব

উত্তরমুখী বা উত্তর–পশ্চিমমুখী হলে উত্তরবঙ্গ, ব্রহ্মপুত্র–মেঘনা অববাহিকা ও নদী–নালায় পানিস্ফীতি দেখা দিতে পারে। নভেম্বরজুড়ে আরও ২–৩টি নিম্নচাপের সম্ভাবনা থাকায় অভ্যন্তরীণ বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৪. কৃষি, মৎস্য ও অবকাঠামোগত ক্ষতি

শেষ ধাপের ফসল কাটায় ব্যাঘাত, বিদ্যুৎ–সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং মৎস্যজীবীদের জাল–নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পর্যটন এলাকাগুলোতেও সতর্কতা জরুরি।


ঝুঁকি নির্ণয় — যা নজরে রাখতে হবে

  • ট্র্যাক অনিশ্চয়তা: সিস্টেমের গতিপথ পরবর্তী ২৪–৭২ ঘণ্টায় পরিবর্তিত হতে পারে।
  • সাগরের উষ্ণতা ও বাতাসের কাটিং (উইন্ডশিয়ার): সাগরের তাপমাত্রা ও বাতাসের চাপ সিস্টেমকে দ্রুত শক্তিশালী বা দুর্বল করতে পারে।
  • স্থানীয় প্রস্তুতি: আশ্রয়কেন্দ্র, যোগাযোগব্যবস্থা ও বন্দর সংকেত দ্রুত কার্যকর করা গুরুত্বপূর্ণ।


বাংলাদেশে প্রস্তুতি ও করণীয়

১. সরকারি প্রশাসন

উপকূলীয় জেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ। লো–লাইং এলাকা থেকে মানুষের আগাম সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি জোরদার করতে হবে।

২. মৎস্যজীবী ও সমুদ্রযান

সমুদ্রযানে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিতে হবে। আবহাওয়া বার্তা নিয়মিত অনুসরণ জরুরি।

৩. স্বাস্থ্য ও জরুরি সেবা

চিকিৎসাকর্মী, উদ্ধার দল, বিদ্যুৎ–জল সরবরাহ সংস্থাকে সর্বক্ষণ প্রস্তুত রাখা দরকার।

৪. সাধারণ মানুষ

মোবাইল চার্জ রাখা, জরুরি কিট প্রস্তুত করা, সমুদ্রতীরবর্তী ভ্রমণ বাতিল করা এবং বিএমডি–র আপডেট নিয়মিত দেখা প্রয়োজন।


উপকূলীয় বাঁধ, নিকাশী ব্যবস্থা ও দুর্বল অবকাঠামোর দ্রুত পরিদর্শন প্রয়োজন। ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


বর্তমান পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও তীব্রতা বিষয়ক প্রতি ৬–১২ ঘণ্টায় আপডেট অনুসরণ করা। উপকূলীয় জনগণ, পর্যটক, মৎস্যজীবীসহ সবাইকে সচেতন ও প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে আইএমডি ও বিএমডি।


#Tags:

#বঙ্গোপসাগর #ঘূর্ণিঝড় #বাংলাদেশ #আইএমডি #বিএমডি #সতর্কতা #আবহাওয়া #সারাক্ষণ

জনপ্রিয় সংবাদ

ইশান খট্টরের আবেগী স্বীকারোক্তি, অস্কারের মঞ্চে না পৌঁছালেও ‘হোমবাউন্ড’ চিরকাল হৃদয়ের কাছেই

বঙ্গোপসাগরে ২২- ২৪ নভেম্বরে নিম্নচাপের ইঙ্গিত, বাংলাদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা বাড়ছে

১১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি নিম্নচাপ গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর। আগামী ২২–২৪ নভেম্বরের মধ্যে সিস্টেমটি ডিপ্রেশনে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি (ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট) এবং বিএমডি (বাংলাদেশ মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট)। সম্ভাব্য এই অস্থির আবহাওয়া বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, মৎস্যশিল্প, সমুদ্রবন্দর এবং অভ্যন্তরীণ বন্যার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।


ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি) জানিয়েছে, ২২ নভেম্বরের দিকে দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপীয় এলাকা সৃষ্টি হতে পারে। সেটি ২৪ নভেম্বরের মধ্যে ডিপ্রেশন (নিম্নচাপ) হিসেবে দৃঢ়ায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)–এর পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।


বর্তমানে পরিস্থিতি — কী ঘটছে

  • আইএমডি–র পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ২২ নভেম্বরের আশপাশে ঘূর্ণায়মান একটি সিস্টেম তৈরি হচ্ছে। ২৪ নভেম্বরের মধ্যে সেটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।
  • বিএমডি–র সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা আগেই উল্লেখ করা হয়েছিল। এখন সেই সম্ভাবনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

আন্দামান–নিকোবর অঞ্চলে সতর্কতা

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ৭–২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রসহ ঝোড়ো হাওয়ার গতি বাড়তে পারে ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সমুদ্র অস্থির থাকার কারণে অঞ্চলটিতে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত মৎস্য ও নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রভাব

নোট: এটি সম্ভাব্যতা নির্ভর প্রাক্কলন। সিস্টেমের সঠিক গতিপথ এখনও অনিশ্চিত।

১. উপকূলীয় জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টি

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ভোলা, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘণ্টায় ৬০–৮০ কিলোমিটার বেগের ঝড়ো হাওয়া ও গাস্ট হতে পারে। দুর্বল নির্মাণ, গাছপালা ও উপকূলীয় পথচলায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।

২. জলোচ্ছ্বাস ও উপকূলীয় বন্যা

ঝড়ো সমুদ্রের কারণে কক্সবাজার–চট্টগ্রাম উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩. অভ্যন্তরীণ নদীব্যবস্থায় প্রভাব

উত্তরমুখী বা উত্তর–পশ্চিমমুখী হলে উত্তরবঙ্গ, ব্রহ্মপুত্র–মেঘনা অববাহিকা ও নদী–নালায় পানিস্ফীতি দেখা দিতে পারে। নভেম্বরজুড়ে আরও ২–৩টি নিম্নচাপের সম্ভাবনা থাকায় অভ্যন্তরীণ বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৪. কৃষি, মৎস্য ও অবকাঠামোগত ক্ষতি

শেষ ধাপের ফসল কাটায় ব্যাঘাত, বিদ্যুৎ–সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং মৎস্যজীবীদের জাল–নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পর্যটন এলাকাগুলোতেও সতর্কতা জরুরি।


ঝুঁকি নির্ণয় — যা নজরে রাখতে হবে

  • ট্র্যাক অনিশ্চয়তা: সিস্টেমের গতিপথ পরবর্তী ২৪–৭২ ঘণ্টায় পরিবর্তিত হতে পারে।
  • সাগরের উষ্ণতা ও বাতাসের কাটিং (উইন্ডশিয়ার): সাগরের তাপমাত্রা ও বাতাসের চাপ সিস্টেমকে দ্রুত শক্তিশালী বা দুর্বল করতে পারে।
  • স্থানীয় প্রস্তুতি: আশ্রয়কেন্দ্র, যোগাযোগব্যবস্থা ও বন্দর সংকেত দ্রুত কার্যকর করা গুরুত্বপূর্ণ।


বাংলাদেশে প্রস্তুতি ও করণীয়

১. সরকারি প্রশাসন

উপকূলীয় জেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ। লো–লাইং এলাকা থেকে মানুষের আগাম সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি জোরদার করতে হবে।

২. মৎস্যজীবী ও সমুদ্রযান

সমুদ্রযানে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিতে হবে। আবহাওয়া বার্তা নিয়মিত অনুসরণ জরুরি।

৩. স্বাস্থ্য ও জরুরি সেবা

চিকিৎসাকর্মী, উদ্ধার দল, বিদ্যুৎ–জল সরবরাহ সংস্থাকে সর্বক্ষণ প্রস্তুত রাখা দরকার।

৪. সাধারণ মানুষ

মোবাইল চার্জ রাখা, জরুরি কিট প্রস্তুত করা, সমুদ্রতীরবর্তী ভ্রমণ বাতিল করা এবং বিএমডি–র আপডেট নিয়মিত দেখা প্রয়োজন।


উপকূলীয় বাঁধ, নিকাশী ব্যবস্থা ও দুর্বল অবকাঠামোর দ্রুত পরিদর্শন প্রয়োজন। ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


বর্তমান পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও তীব্রতা বিষয়ক প্রতি ৬–১২ ঘণ্টায় আপডেট অনুসরণ করা। উপকূলীয় জনগণ, পর্যটক, মৎস্যজীবীসহ সবাইকে সচেতন ও প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে আইএমডি ও বিএমডি।


#Tags:

#বঙ্গোপসাগর #ঘূর্ণিঝড় #বাংলাদেশ #আইএমডি #বিএমডি #সতর্কতা #আবহাওয়া #সারাক্ষণ