০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন অনলাইনে কতটা ক্ষতি করছে আপনার এক ক্লিক? এআই, ভিডিও আর দৈনন্দিন অভ্যাসের অদৃশ্য কার্বন হিসাব কাজ ফেলে রাখার ফাঁদ: আলস্য নয়, স্ট্রেসই আসল কারণ এআই প্রেম থেকে মৃত্যুর পর কণ্ঠ—মানবজীবনের সীমানায় নতুন ঝড় এআই নিজেই বানাচ্ছে গোপন আঁতাত, বাড়ছে দাম—বাজারে নতুন ঝুঁকির সতর্কতা এআই প্রেমের ফাঁদ: ভার্চুয়াল সম্পর্ক কি বাড়াচ্ছে একাকিত্বের ঝুঁকি? এআই চ্যাটবটের কাছে মন খুলছে মানুষ: মানসিক সহায়তায় নতুন ভরসা নাকি বড় ঝুঁকি? আমাজনের গাছ নিজেরাই বৃষ্টি ডাকে: বাতাস ‘শুঁকে’ মিলল নতুন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ তরুণদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে অন্ত্রের ক্যানসার, নেপথ্যে জীবনযাপন ও পরিবেশের জটিল প্রভাব ম্যালেরিয়ার মতো জটিল রোগ কি শিশুদের মস্তিষ্কে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩০)

কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন

দোলাই খালের পাশে একটি ঘাটের নাম হয়েছিল পাঁচ ভাই ঘাট। পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামের উৎপত্তি কেউ জানে না। এমনকি হতে পারে এক পরিবারের পাঁচজন ঐ এলাকা আবাদ করেছিলেন অষ্টাদশ শতকে হতে পারে। ঐ পাঁচ ভাই ঘাটের নামে পাশের এলাকার সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামে।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন মসজিদ

পাতক্ষীর

উনিশ শতকে যদি জি আই দেয়ার বন্দোবস্ত থাকত, তাহলে ঢাকার পাতক্ষীর অবশ্যই তা পেত। সকাল বিকালের নাশতা হিসেবে পাতক্ষীর পছন্দ করত সবাই। গত শতকের প্রথম দশকে পাতক্ষীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সুধীরা গুপ্ত।

পাতক্ষীর

“ঢাকার পাতক্ষীর এত ভালো ছিল যে, এখনো যেন তার স্বাদ জিবে লেগে আছে। রোজ ফিরিওয়ালা বাঁকে করে পাতক্ষীর নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেত। মা প্রায়ই কিনতেন। বেশি দাম ছিল নাতো। বোধ হয় চার কি আট পয়সার পাওয়া যেত। একটা কলাপাতায় মোড়া বড় লুচির মতো জিনিস।”

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছেন সৈয়দ আলী আহসান- “পাতক্ষীর ফেরি করে বিক্রি করতো। পাতক্ষীর ছিল ছানার এক রকম মিষ্টি। কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো। কিন্তু মণ্ডার চেয়ে নরম এবং ভেজা ভেজা। একটি কলাপাতার ওপর ছাঁচে তোলা মিষ্টি সাজিয়ে অন্য একটি কলাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কুলার পাত্র থেকে পরিবেশন করা হতো বলে এগুলোকে পাতক্ষীর বলা হতো।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩০)

০৯:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন

দোলাই খালের পাশে একটি ঘাটের নাম হয়েছিল পাঁচ ভাই ঘাট। পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামের উৎপত্তি কেউ জানে না। এমনকি হতে পারে এক পরিবারের পাঁচজন ঐ এলাকা আবাদ করেছিলেন অষ্টাদশ শতকে হতে পারে। ঐ পাঁচ ভাই ঘাটের নামে পাশের এলাকার সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামে।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন মসজিদ

পাতক্ষীর

উনিশ শতকে যদি জি আই দেয়ার বন্দোবস্ত থাকত, তাহলে ঢাকার পাতক্ষীর অবশ্যই তা পেত। সকাল বিকালের নাশতা হিসেবে পাতক্ষীর পছন্দ করত সবাই। গত শতকের প্রথম দশকে পাতক্ষীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সুধীরা গুপ্ত।

পাতক্ষীর

“ঢাকার পাতক্ষীর এত ভালো ছিল যে, এখনো যেন তার স্বাদ জিবে লেগে আছে। রোজ ফিরিওয়ালা বাঁকে করে পাতক্ষীর নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেত। মা প্রায়ই কিনতেন। বেশি দাম ছিল নাতো। বোধ হয় চার কি আট পয়সার পাওয়া যেত। একটা কলাপাতায় মোড়া বড় লুচির মতো জিনিস।”

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছেন সৈয়দ আলী আহসান- “পাতক্ষীর ফেরি করে বিক্রি করতো। পাতক্ষীর ছিল ছানার এক রকম মিষ্টি। কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো। কিন্তু মণ্ডার চেয়ে নরম এবং ভেজা ভেজা। একটি কলাপাতার ওপর ছাঁচে তোলা মিষ্টি সাজিয়ে অন্য একটি কলাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কুলার পাত্র থেকে পরিবেশন করা হতো বলে এগুলোকে পাতক্ষীর বলা হতো।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)