০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
থোয়েটস হিমবাহে ভয়াবহ ধাক্কা, বরফে বন্দি যন্ত্রে ও মিলল উষ্ণ সাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত চীনের ক্ষমতার অন্দরে হঠাৎ কম্পন, শি জিনপিংয়ের নতুন শুদ্ধি অভিযানে বাড়ছে সন্দেহ ও শঙ্কা দিশা পাটানির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে নীরবতা ভাঙলেন তালবিন্দর, জানালেন সম্পর্কের আসল অবস্থান রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের লিঙ্গ পরিবর্তন অস্ত্রোপচারে আপত্তি শীর্ষ চিকিৎসক সংগঠনের মার্কিন অভিজাতদের ‘অশ্লীল ঘনিষ্ঠতা’ ফাঁস, এপস্টিন নথি ঘিরে তীব্র মন্তব্য ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের ভেনেজুয়েলার তেলে শত বিলিয়ন ডলারের বাজি, ভরসা ভাঙা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভারতে গণবাতিল উড়ান নিয়ে বড় তদন্ত, প্রতিযোগিতা লঙ্ঘনের অভিযোগে চাপের মুখে ইন্ডিগো ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কিছুটা স্থবির ও বাধাগ্রস্ত ছিল: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি আলোচনায় বন্দি বিনিময় চুক্তি, তবু যুদ্ধবিরতি অনিশ্চিত

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩০)

কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন

দোলাই খালের পাশে একটি ঘাটের নাম হয়েছিল পাঁচ ভাই ঘাট। পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামের উৎপত্তি কেউ জানে না। এমনকি হতে পারে এক পরিবারের পাঁচজন ঐ এলাকা আবাদ করেছিলেন অষ্টাদশ শতকে হতে পারে। ঐ পাঁচ ভাই ঘাটের নামে পাশের এলাকার সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামে।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন মসজিদ

পাতক্ষীর

উনিশ শতকে যদি জি আই দেয়ার বন্দোবস্ত থাকত, তাহলে ঢাকার পাতক্ষীর অবশ্যই তা পেত। সকাল বিকালের নাশতা হিসেবে পাতক্ষীর পছন্দ করত সবাই। গত শতকের প্রথম দশকে পাতক্ষীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সুধীরা গুপ্ত।

পাতক্ষীর

“ঢাকার পাতক্ষীর এত ভালো ছিল যে, এখনো যেন তার স্বাদ জিবে লেগে আছে। রোজ ফিরিওয়ালা বাঁকে করে পাতক্ষীর নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেত। মা প্রায়ই কিনতেন। বেশি দাম ছিল নাতো। বোধ হয় চার কি আট পয়সার পাওয়া যেত। একটা কলাপাতায় মোড়া বড় লুচির মতো জিনিস।”

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছেন সৈয়দ আলী আহসান- “পাতক্ষীর ফেরি করে বিক্রি করতো। পাতক্ষীর ছিল ছানার এক রকম মিষ্টি। কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো। কিন্তু মণ্ডার চেয়ে নরম এবং ভেজা ভেজা। একটি কলাপাতার ওপর ছাঁচে তোলা মিষ্টি সাজিয়ে অন্য একটি কলাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কুলার পাত্র থেকে পরিবেশন করা হতো বলে এগুলোকে পাতক্ষীর বলা হতো।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

থোয়েটস হিমবাহে ভয়াবহ ধাক্কা, বরফে বন্দি যন্ত্রে ও মিলল উষ্ণ সাগরের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩০)

০৯:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন

দোলাই খালের পাশে একটি ঘাটের নাম হয়েছিল পাঁচ ভাই ঘাট। পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামের উৎপত্তি কেউ জানে না। এমনকি হতে পারে এক পরিবারের পাঁচজন ঐ এলাকা আবাদ করেছিলেন অষ্টাদশ শতকে হতে পারে। ঐ পাঁচ ভাই ঘাটের নামে পাশের এলাকার সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামে।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন মসজিদ

পাতক্ষীর

উনিশ শতকে যদি জি আই দেয়ার বন্দোবস্ত থাকত, তাহলে ঢাকার পাতক্ষীর অবশ্যই তা পেত। সকাল বিকালের নাশতা হিসেবে পাতক্ষীর পছন্দ করত সবাই। গত শতকের প্রথম দশকে পাতক্ষীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সুধীরা গুপ্ত।

পাতক্ষীর

“ঢাকার পাতক্ষীর এত ভালো ছিল যে, এখনো যেন তার স্বাদ জিবে লেগে আছে। রোজ ফিরিওয়ালা বাঁকে করে পাতক্ষীর নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেত। মা প্রায়ই কিনতেন। বেশি দাম ছিল নাতো। বোধ হয় চার কি আট পয়সার পাওয়া যেত। একটা কলাপাতায় মোড়া বড় লুচির মতো জিনিস।”

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছেন সৈয়দ আলী আহসান- “পাতক্ষীর ফেরি করে বিক্রি করতো। পাতক্ষীর ছিল ছানার এক রকম মিষ্টি। কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো। কিন্তু মণ্ডার চেয়ে নরম এবং ভেজা ভেজা। একটি কলাপাতার ওপর ছাঁচে তোলা মিষ্টি সাজিয়ে অন্য একটি কলাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কুলার পাত্র থেকে পরিবেশন করা হতো বলে এগুলোকে পাতক্ষীর বলা হতো।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)