১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবন ধসে নিহত অন্তত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নিটওয়্যার শিল্প, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ঝুঁকি বাড়ালে সামনে কী স্মার্ট চশমার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বাড়ছে গোপনে ভিডিও ধারণের ভয় রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে বিদেশি যোদ্ধারা, সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর গল্প ছুটির দিনেও পাসপোর্ট সেবা, স্বস্তি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের চীনের বিরুদ্ধে ইরানকে সহায়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ব্রিকস নৈশভোজে শুধু নিরামিষ খাবার, ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ট্রাম্পের দাবি, এআই নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে ‘নেতিবাচক শক্তি’ আয়ারল্যান্ড এক হওয়ার পক্ষে আবারও ট্রাম্প, স্কটল্যান্ড নিয়ে এখনই কথা নয়

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩০)

কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন

দোলাই খালের পাশে একটি ঘাটের নাম হয়েছিল পাঁচ ভাই ঘাট। পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামের উৎপত্তি কেউ জানে না। এমনকি হতে পারে এক পরিবারের পাঁচজন ঐ এলাকা আবাদ করেছিলেন অষ্টাদশ শতকে হতে পারে। ঐ পাঁচ ভাই ঘাটের নামে পাশের এলাকার সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামে।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন মসজিদ

পাতক্ষীর

উনিশ শতকে যদি জি আই দেয়ার বন্দোবস্ত থাকত, তাহলে ঢাকার পাতক্ষীর অবশ্যই তা পেত। সকাল বিকালের নাশতা হিসেবে পাতক্ষীর পছন্দ করত সবাই। গত শতকের প্রথম দশকে পাতক্ষীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সুধীরা গুপ্ত।

পাতক্ষীর

“ঢাকার পাতক্ষীর এত ভালো ছিল যে, এখনো যেন তার স্বাদ জিবে লেগে আছে। রোজ ফিরিওয়ালা বাঁকে করে পাতক্ষীর নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেত। মা প্রায়ই কিনতেন। বেশি দাম ছিল নাতো। বোধ হয় চার কি আট পয়সার পাওয়া যেত। একটা কলাপাতায় মোড়া বড় লুচির মতো জিনিস।”

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছেন সৈয়দ আলী আহসান- “পাতক্ষীর ফেরি করে বিক্রি করতো। পাতক্ষীর ছিল ছানার এক রকম মিষ্টি। কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো। কিন্তু মণ্ডার চেয়ে নরম এবং ভেজা ভেজা। একটি কলাপাতার ওপর ছাঁচে তোলা মিষ্টি সাজিয়ে অন্য একটি কলাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কুলার পাত্র থেকে পরিবেশন করা হতো বলে এগুলোকে পাতক্ষীর বলা হতো।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১৩০)

০৯:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন

দোলাই খালের পাশে একটি ঘাটের নাম হয়েছিল পাঁচ ভাই ঘাট। পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামের উৎপত্তি কেউ জানে না। এমনকি হতে পারে এক পরিবারের পাঁচজন ঐ এলাকা আবাদ করেছিলেন অষ্টাদশ শতকে হতে পারে। ঐ পাঁচ ভাই ঘাটের নামে পাশের এলাকার সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে পাঁচ ভাই ঘাট লেন নামে।

পাঁচ ভাই ঘাট লেন মসজিদ

পাতক্ষীর

উনিশ শতকে যদি জি আই দেয়ার বন্দোবস্ত থাকত, তাহলে ঢাকার পাতক্ষীর অবশ্যই তা পেত। সকাল বিকালের নাশতা হিসেবে পাতক্ষীর পছন্দ করত সবাই। গত শতকের প্রথম দশকে পাতক্ষীর সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সুধীরা গুপ্ত।

পাতক্ষীর

“ঢাকার পাতক্ষীর এত ভালো ছিল যে, এখনো যেন তার স্বাদ জিবে লেগে আছে। রোজ ফিরিওয়ালা বাঁকে করে পাতক্ষীর নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যেত। মা প্রায়ই কিনতেন। বেশি দাম ছিল নাতো। বোধ হয় চার কি আট পয়সার পাওয়া যেত। একটা কলাপাতায় মোড়া বড় লুচির মতো জিনিস।”

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত লিখেছেন সৈয়দ আলী আহসান- “পাতক্ষীর ফেরি করে বিক্রি করতো। পাতক্ষীর ছিল ছানার এক রকম মিষ্টি। কলাপাতার মধ্যে এগুলো সাজিয়ে বিক্রি করা হতো। অনেকটা আজকালকার দিনের মণ্ডার মতো। কিন্তু মণ্ডার চেয়ে নরম এবং ভেজা ভেজা। একটি কলাপাতার ওপর ছাঁচে তোলা মিষ্টি সাজিয়ে অন্য একটি কলাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কুলার পাত্র থেকে পরিবেশন করা হতো বলে এগুলোকে পাতক্ষীর বলা হতো।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১২৯)