০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
এলসি খোলা বাড়লেও নিষ্পত্তিতে বাধা শেখ হাসিনার সঙ্গে তিশার ছবি জাদুঘরে রাখার প্রস্তাব, শাওনের কটাক্ষে তোলপাড় শেয়ারবাজারে লেনদেনের গতি বাড়ল, সূচকের উত্থানে ফিরল বিনিয়োগকারীদের আস্থা আইসিসির প্রত্যাখ্যান, বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ ১,৩০০ কোটি টাকার জিকে সেচ পুনর্বাসন প্রকল্পে নতুন প্রাণ পাচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমের কৃষি আফ্রিকার খাদ্যবাজারের অদৃশ্য শক্তি: মহাদেশের ভেতরের বাণিজ্য যতটা ভাবা হয় তার চেয়ে অনেক বড় গাজায় শান্তিতে বিরক্ত ট্রাম্প, বোর্ডের রাজনীতি আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ইরানের রক্তাক্ত দমন-পীড়নের পর ক্ষমতার ভেতরে ফাটল, বাড়ছে শাসনব্যবস্থার অস্থিরতা ফরিদপুরে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ বুড়ো কৃষকের ভারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৃষি: উন্নয়নের সামনে নতুন সতর্কবার্তা

বরিশাল ভূমিকম্পের পর হঠাৎ ভাঙনে বানারীপাড়ায় বসতবাড়ি ও জমি সন্ধ্যা নদীগর্ভে

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের পরপরই সন্ধ্যা নদীর তীর ভেঙে ব্যবসায়ী আবু বকর ঘরামীর বসতবাড়ি, গাছপালা আর ২০–৬০ শতাংশের মতো জমি মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পরিবার জানায়, ঘরটি নদীর খুব কাছেই ছিল; কিছুদিনের মধ্যে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর থেকে খসে পড়তে থাকা মাটি দেখতে-দেখতেই পুরো ঘরভিটা নদীতে চলে যায়।
এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এক ঝটকায় শেষ আশ্রয় হারিয়ে তারা এখন আত্মীয়ের বাড়ি ও আশপাশের মানুষের ঘরে আশ্রিত।
প্রতি বছর অক্টোবর–নভেম্বরেই সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র হয়; এবার ভূমিকম্পের অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, তবে টেকসই বাঁধ ও সুরক্ষা ছাড়া নদীর ভাঙন বন্ধ হবে না বলে মনে করেন নদী–গবেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

এলসি খোলা বাড়লেও নিষ্পত্তিতে বাধা

বরিশাল ভূমিকম্পের পর হঠাৎ ভাঙনে বানারীপাড়ায় বসতবাড়ি ও জমি সন্ধ্যা নদীগর্ভে

০৩:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের পরপরই সন্ধ্যা নদীর তীর ভেঙে ব্যবসায়ী আবু বকর ঘরামীর বসতবাড়ি, গাছপালা আর ২০–৬০ শতাংশের মতো জমি মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পরিবার জানায়, ঘরটি নদীর খুব কাছেই ছিল; কিছুদিনের মধ্যে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর থেকে খসে পড়তে থাকা মাটি দেখতে-দেখতেই পুরো ঘরভিটা নদীতে চলে যায়।
এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এক ঝটকায় শেষ আশ্রয় হারিয়ে তারা এখন আত্মীয়ের বাড়ি ও আশপাশের মানুষের ঘরে আশ্রিত।
প্রতি বছর অক্টোবর–নভেম্বরেই সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র হয়; এবার ভূমিকম্পের অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, তবে টেকসই বাঁধ ও সুরক্ষা ছাড়া নদীর ভাঙন বন্ধ হবে না বলে মনে করেন নদী–গবেষকরা।