১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়াল — ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ ‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘আমরা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত, কোনো আলোচনা চলছে না’ ইসরায়েল তেহরান ও বৈরুতে একযোগে হামলা — লেবাননে ৭ জন নিহত, হিজবুল্লাহ কমান্ডার খতম ইরান ও হিজবুল্লাহর সাথে যৌথ অভিযানে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত আজ রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন ট্রাম্প — ইরান নিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ আপডেট’ আসছে কাতারের উপকূলে তেলবাহী জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত

বরিশাল ভূমিকম্পের পর হঠাৎ ভাঙনে বানারীপাড়ায় বসতবাড়ি ও জমি সন্ধ্যা নদীগর্ভে

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের পরপরই সন্ধ্যা নদীর তীর ভেঙে ব্যবসায়ী আবু বকর ঘরামীর বসতবাড়ি, গাছপালা আর ২০–৬০ শতাংশের মতো জমি মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পরিবার জানায়, ঘরটি নদীর খুব কাছেই ছিল; কিছুদিনের মধ্যে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর থেকে খসে পড়তে থাকা মাটি দেখতে-দেখতেই পুরো ঘরভিটা নদীতে চলে যায়।
এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এক ঝটকায় শেষ আশ্রয় হারিয়ে তারা এখন আত্মীয়ের বাড়ি ও আশপাশের মানুষের ঘরে আশ্রিত।
প্রতি বছর অক্টোবর–নভেম্বরেই সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র হয়; এবার ভূমিকম্পের অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, তবে টেকসই বাঁধ ও সুরক্ষা ছাড়া নদীর ভাঙন বন্ধ হবে না বলে মনে করেন নদী–গবেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়াল — ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ

বরিশাল ভূমিকম্পের পর হঠাৎ ভাঙনে বানারীপাড়ায় বসতবাড়ি ও জমি সন্ধ্যা নদীগর্ভে

০৩:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের পরপরই সন্ধ্যা নদীর তীর ভেঙে ব্যবসায়ী আবু বকর ঘরামীর বসতবাড়ি, গাছপালা আর ২০–৬০ শতাংশের মতো জমি মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পরিবার জানায়, ঘরটি নদীর খুব কাছেই ছিল; কিছুদিনের মধ্যে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর থেকে খসে পড়তে থাকা মাটি দেখতে-দেখতেই পুরো ঘরভিটা নদীতে চলে যায়।
এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এক ঝটকায় শেষ আশ্রয় হারিয়ে তারা এখন আত্মীয়ের বাড়ি ও আশপাশের মানুষের ঘরে আশ্রিত।
প্রতি বছর অক্টোবর–নভেম্বরেই সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র হয়; এবার ভূমিকম্পের অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, তবে টেকসই বাঁধ ও সুরক্ষা ছাড়া নদীর ভাঙন বন্ধ হবে না বলে মনে করেন নদী–গবেষকরা।