০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
স্থিতিশীলতাই অগ্রাধিকার: কৌশলগত সতর্কতার ইঙ্গিত দিলেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারতের অর্থনীতির নতুন হিসাব: আকার কিছুটা ছোট, কিন্তু প্রবৃদ্ধি আরও দ্রুত যুদ্ধের ছায়ায় দুবাই: নিরাপত্তার ভাবমূর্তি কি টিকিয়ে রাখতে পারবে মরু শহর? আবাসন খাত টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চাইল রিহ্যাব তুরস্কের আদানা কনস্যুলেট থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের বাধ্যতামূলক প্রত্যাহার বাংলাদেশের নেতৃত্বে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে আশাবাদী বিমসটেক মহাসচিব এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না: কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ রক্ষায় নৌবাহিনী মোতায়েন করল পাকিস্তান ইসরায়েলি হামলার পর পাল্টা আক্রমণ জোরদার করেছে হিজবুল্লাহ নিজের খেয়াল রাখুন, না হলে সরিয়ে দেওয়া হতে পারেন — ট্রাম্পকে ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তার হুশিয়ারি

 মৈত্রী দিবসে প্রণয় ভার্মা

মৈত্রী দিবস উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তিনি জানান, পারস্পরিক বাস্তবতা, পারস্পরিক লাভ ও সংবেদনশীলতা—এই তিন ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মৈত্রী দিবসের তাৎপর্য

হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল—এই ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে অনন্য স্তরে নিয়ে গেছে। দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও যৌথ লড়াইয়ের প্রতীক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত

ভার্মা জানান, একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে রেল, সড়ক, জ্বালানি, বাণিজ্য—সব সংযোগই জনগণের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থিতিশীলতাই অগ্রাধিকার: কৌশলগত সতর্কতার ইঙ্গিত দিলেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

 মৈত্রী দিবসে প্রণয় ভার্মা

০৮:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মৈত্রী দিবস উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তিনি জানান, পারস্পরিক বাস্তবতা, পারস্পরিক লাভ ও সংবেদনশীলতা—এই তিন ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মৈত্রী দিবসের তাৎপর্য

হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল—এই ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে অনন্য স্তরে নিয়ে গেছে। দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও যৌথ লড়াইয়ের প্রতীক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত

ভার্মা জানান, একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে রেল, সড়ক, জ্বালানি, বাণিজ্য—সব সংযোগই জনগণের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠছে।