০৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র ইরানের হুশিয়ারি, হরমুজ প্রণালীতে কোন বিদেশী বাহিনী এলেই হামলা চালানো হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে উৎপাদনে ধস, এপ্রিলেই সংকোচনে শিল্পখাত আল কাদসিয়ার ধাক্কায় থামল আল নাসরের জয়ের ধারা, শিরোপা দৌড়ে অনিশ্চয়তা রোনালদোর দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের জন্য এক দ্বীপ: সেন্ট হেলেনা আবিষ্কার পাঁচ রাজ্যের ভোটে নাটকীয় পালাবদল: বাংলায় বিজেপির ঝড়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক, কেরালায় কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন টোকিওর লক্ষ্য: এআইকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ শক্তিতে বিশ্বনেতা হওয়ার দৌড় ১০০ কেন্দ্রে ভোট গণনা বন্ধের অভিযোগ, কর্মীদের কেন্দ্রে থাকার আহ্বান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসছে মূল্যস্ফীতির নতুন ঢেউ গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের অবস্থান কর্মসূচী: পেনশন পুনঃস্থাপনসহ ভাতার দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ

 মৈত্রী দিবসে প্রণয় ভার্মা

মৈত্রী দিবস উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তিনি জানান, পারস্পরিক বাস্তবতা, পারস্পরিক লাভ ও সংবেদনশীলতা—এই তিন ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মৈত্রী দিবসের তাৎপর্য

হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল—এই ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে অনন্য স্তরে নিয়ে গেছে। দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও যৌথ লড়াইয়ের প্রতীক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত

ভার্মা জানান, একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে রেল, সড়ক, জ্বালানি, বাণিজ্য—সব সংযোগই জনগণের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতাজুড়ে মিশ্র জনমত, গণনার দিনে এগিয়ে বিজেপি—তবু এলাকায় এলাকায় ভিন্ন চিত্র

 মৈত্রী দিবসে প্রণয় ভার্মা

০৮:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মৈত্রী দিবস উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তিনি জানান, পারস্পরিক বাস্তবতা, পারস্পরিক লাভ ও সংবেদনশীলতা—এই তিন ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মৈত্রী দিবসের তাৎপর্য

হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল—এই ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে অনন্য স্তরে নিয়ে গেছে। দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও যৌথ লড়াইয়ের প্রতীক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত

ভার্মা জানান, একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে রেল, সড়ক, জ্বালানি, বাণিজ্য—সব সংযোগই জনগণের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠছে।