১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকলেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা: এএফপিকে জানালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতির নতুন বিপদ: বাণিজ্য নয়, ভারসাম্যহীনতার গভীর সংকট ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৫০; হাসপাতালে ভর্তি ১৪,৬৯০ আসামে বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫, ক্ষতিগ্রস্ত ১১ লাখের বেশি মানুষ একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা এখন জরুরি প্রয়োজনে তুলতে পারবেন ১০ লাখ টাকা নেপালে বাঘের সংখ্যা বেড়ে ৪২৯, ২০১০ সালের তুলনায় প্রায় চার গুণ কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব ফরচুন গ্লোবাল ৫০০: আয় ধরে রাখলেও মুনাফায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো চীনের নতুন রহস্যময় পারমাণবিক সাবমেরিন ঘিরে উদ্বেগ, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত

 মৈত্রী দিবসে প্রণয় ভার্মা

মৈত্রী দিবস উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তিনি জানান, পারস্পরিক বাস্তবতা, পারস্পরিক লাভ ও সংবেদনশীলতা—এই তিন ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মৈত্রী দিবসের তাৎপর্য

হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল—এই ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে অনন্য স্তরে নিয়ে গেছে। দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও যৌথ লড়াইয়ের প্রতীক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত

ভার্মা জানান, একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে রেল, সড়ক, জ্বালানি, বাণিজ্য—সব সংযোগই জনগণের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকলেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা: এএফপিকে জানালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

 মৈত্রী দিবসে প্রণয় ভার্মা

০৮:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মৈত্রী দিবস উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দুই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। তিনি জানান, পারস্পরিক বাস্তবতা, পারস্পরিক লাভ ও সংবেদনশীলতা—এই তিন ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মৈত্রী দিবসের তাৎপর্য

হাইকমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল—এই ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে অনন্য স্তরে নিয়ে গেছে। দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির নয়; বরং দুই দেশের মানুষের আত্মত্যাগ ও যৌথ লড়াইয়ের প্রতীক।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত

ভার্মা জানান, একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে রেল, সড়ক, জ্বালানি, বাণিজ্য—সব সংযোগই জনগণের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে গড়ে উঠছে।