০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
সোনা–রুপার দামে ইতিহাস, ইউরোপ–আমেরিকা উত্তেজনায় নিরাপদ বিনিয়োগে দৌড় উষ্ণ অ্যান্টার্কটিকায় সময়ের আগেই প্রজনন, বিপন্ন দুই পেঙ্গুইন প্রজাতি প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪) নরওয়ের বরফ রাজ্যে ট্রল ট্রেইল: স্কিতে প্রকৃতি, রোমাঞ্চ আর জীবনের স্বাদ ঝুঁকির খেলায় তরুণেরা, নকল টাকায় বিনিয়োগের রোমাঞ্চে গড়ে উঠছে নতুন অভ্যাস তারকা র‍্যাপারের দোদুল্যমান প্রত্যাবর্তন: এএসএপি রকির নতুন অ্যালবাম কতটা বলার আছে এক দশকের অপহরণ আকাশপথে সন্ত্রাস থেকে আদর্শিক সহিংসতার উত্তরাধিকার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে টালমাটাল মুহূর্ত পেরিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে মাদিসন কিস ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন: যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একসময় নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী দলের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ চায় শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে মিশ্র চিত্র; ডিএসইতে পতন, সিএসইতে উত্থান

শিক্ষা ভবনের সামনে রাতভর অবস্থান কর্মসূচিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাতভর অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা জানাচ্ছেন—প্রস্তাবিত কাঠামোতে কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

রাজধানীর আব্দুল গণি রোডে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যালয় ‘শিক্ষা ভবন’-এর সামনে রোববার দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। বিকাল ৩টায় তারা হাইকোর্টের মোড় অবরোধ করেন। পরে সাড়ে ৭টার দিকে সড়ক অবরোধ তুলে নিলেও শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান অব্যাহত রাখেন। রাত ১০টায়ও তাদের কর্মসূচি চলছিল।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী এবং আন্দোলনের প্রতিনিধি মো. নাঈম হাওলাদার বলেন, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় হাইকোর্টের মোড় ছেড়ে দিলেও অবস্থান চলবে। রাতেও তারা একই জায়গায় থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে জড়ো হন এবং মিছিলসহকারে শিক্ষা ভবনে পৌঁছান।

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাবিত কাঠামোকে ঘিরে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে বিভক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। কেউ বিশ্ববিদ্যালয় কাঠামো সমর্থন করলেও কেউ বলছেন, এতে কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য ক্ষুণ্ন হতে পারে।

গত সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করে। সেখানে সাত কলেজকে চারটি স্কুলে বিভক্ত করে ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি’ বা ‘স্কুলিং’ কাঠামোয় রূপান্তরের কথা বলা হয়। প্রস্তাবে উচ্চমাধ্যমিক পাঠদান বহাল রাখার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা মনে করছেন—এই কাঠামো তাদের পদোন্নতির মতো অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তারা ‘অধিভুক্তিমূলক’ কাঠামোয় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে বর্তমান শিক্ষার্থীদের একাংশ দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবি তুলেছেন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি কাঠামো নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে অনার্স-মাস্টার্স ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কিছু শিক্ষার্থী ‘স্কুলিং’ মডেলের বিরোধিতা করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধ্যাদেশ সংশোধনের কাজ চলছে; তবে প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ।

#Education
#Dhaka
#SevenColleges
#StudentsMovement

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনা–রুপার দামে ইতিহাস, ইউরোপ–আমেরিকা উত্তেজনায় নিরাপদ বিনিয়োগে দৌড়

শিক্ষা ভবনের সামনে রাতভর অবস্থান কর্মসূচিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

১১:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাতভর অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা জানাচ্ছেন—প্রস্তাবিত কাঠামোতে কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

রাজধানীর আব্দুল গণি রোডে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যালয় ‘শিক্ষা ভবন’-এর সামনে রোববার দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। বিকাল ৩টায় তারা হাইকোর্টের মোড় অবরোধ করেন। পরে সাড়ে ৭টার দিকে সড়ক অবরোধ তুলে নিলেও শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান অব্যাহত রাখেন। রাত ১০টায়ও তাদের কর্মসূচি চলছিল।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী এবং আন্দোলনের প্রতিনিধি মো. নাঈম হাওলাদার বলেন, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় হাইকোর্টের মোড় ছেড়ে দিলেও অবস্থান চলবে। রাতেও তারা একই জায়গায় থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে জড়ো হন এবং মিছিলসহকারে শিক্ষা ভবনে পৌঁছান।

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাবিত কাঠামোকে ঘিরে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে বিভক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। কেউ বিশ্ববিদ্যালয় কাঠামো সমর্থন করলেও কেউ বলছেন, এতে কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য ক্ষুণ্ন হতে পারে।

গত সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশ করে। সেখানে সাত কলেজকে চারটি স্কুলে বিভক্ত করে ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি’ বা ‘স্কুলিং’ কাঠামোয় রূপান্তরের কথা বলা হয়। প্রস্তাবে উচ্চমাধ্যমিক পাঠদান বহাল রাখার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা মনে করছেন—এই কাঠামো তাদের পদোন্নতির মতো অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তারা ‘অধিভুক্তিমূলক’ কাঠামোয় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে বর্তমান শিক্ষার্থীদের একাংশ দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবি তুলেছেন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি কাঠামো নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে অনার্স-মাস্টার্স ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কিছু শিক্ষার্থী ‘স্কুলিং’ মডেলের বিরোধিতা করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধ্যাদেশ সংশোধনের কাজ চলছে; তবে প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ।

#Education
#Dhaka
#SevenColleges
#StudentsMovement