০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে শ্রম আইন সংশোধনী বিল পাস, ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারে বড় পরিবর্তন চীনকে পাশে সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নজর, ইউরোপীয় কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কে অগ্রাধিকার পেল ইরান বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বিএনপির বাদশা জয়ী, জামায়াতের কারচুপির অভিযোগ, সংসদে হট্টগোল চীনের বিদেশি রাষ্ট্রীয় সম্পদে কড়া নজরদারি, অস্থির বিশ্বে নতুন তদারকি দপ্তর সাবমেরিন কেবল মেরামতে ৮০ ঘণ্টা ইন্টারনেটে ধীরগতি, ব্যাহত হতে পারে সেবা চীনের ৫০০ টনের ‘ভূগর্ভস্থ বাহক’ এক কিলোমিটার নিচে নেমে আকরিক তুলবে অপরিশোধিত তেল সংকটে দেশের একমাত্র শোধনাগার ইআরএল বন্ধের মুখে মালয়েশিয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পারস্য উপসাগরে বদলে যাওয়া শক্তির সমীকরণ: যুদ্ধবিরতি, নতুন চাপ এবং ইরানের বাড়তি প্রভাব আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুই সাবেক পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

কাস্পিয়ান সাগরে ফের রুশ তেল স্থাপনায় আঘাত, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় উৎপাদন স্থগিত

কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ওপর দ্বিতীয়বারের মতো ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তার দাবি, এই হামলায় রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটি তেল রিগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

কোন কোন তেল রিগ লক্ষ্যবস্তু
ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল ফিলানোভস্কি ও করচাগিন তেল রিগ। এই দুটি স্থাপনাই রাশিয়ার বৃহৎ জ্বালানি কোম্পানির মালিকানাধীন এবং কাস্পিয়ান অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্রের অংশ হিসেবে বিবেচিত।

প্রথমবারের পর দ্বিতীয় আঘাত
ফিলানোভস্কি তেল রিগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই একবার হামলা হয়েছিল। সেটিই ছিল চলমান যুদ্ধের সময় কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ওপর প্রথম আঘাত। সর্বশেষ হামলায় দুই প্ল্যাটফর্মেই গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তেল উৎপাদন স্থগিত রাখতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

হামলার উৎস নিয়ে ধোঁয়াশা
এই ড্রোন হামলা কোথা থেকে চালানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কাস্পিয়ান সাগর ইউক্রেনের নিকটতম সীমান্ত থেকে সাতশ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত, যা হামলার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

রাশিয়ার জ্বালানি আয়ে চাপ বাড়ানোর কৌশল
চলতি বছর জুড়ে ইউক্রেন একাধিকবার রাশিয়ার তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। লক্ষ্য একটাই—যুদ্ধ চালানোর জন্য মস্কোর আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করা। বিশেষ করে ইউরোপীয় অংশে অবস্থিত তেল শোধনাগারগুলো এসব হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

অভিযান বিস্তৃত হচ্ছে সমুদ্রপথেও
গত মাসে ইউক্রেন এই অভিযান আরও বিস্তৃত করে। কৃষ্ণ সাগর দিয়ে রুশ তেল বহনকারী অনিয়ন্ত্রিত ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সাম্প্রতিক দুই সপ্তাহেই এমন তিনটি জাহাজে সমুদ্র ড্রোনের আঘাত লেগেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে শ্রম আইন সংশোধনী বিল পাস, ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারে বড় পরিবর্তন

কাস্পিয়ান সাগরে ফের রুশ তেল স্থাপনায় আঘাত, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় উৎপাদন স্থগিত

০৫:১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ওপর দ্বিতীয়বারের মতো ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তার দাবি, এই হামলায় রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটি তেল রিগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

কোন কোন তেল রিগ লক্ষ্যবস্তু
ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল ফিলানোভস্কি ও করচাগিন তেল রিগ। এই দুটি স্থাপনাই রাশিয়ার বৃহৎ জ্বালানি কোম্পানির মালিকানাধীন এবং কাস্পিয়ান অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্রের অংশ হিসেবে বিবেচিত।

প্রথমবারের পর দ্বিতীয় আঘাত
ফিলানোভস্কি তেল রিগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই একবার হামলা হয়েছিল। সেটিই ছিল চলমান যুদ্ধের সময় কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ওপর প্রথম আঘাত। সর্বশেষ হামলায় দুই প্ল্যাটফর্মেই গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তেল উৎপাদন স্থগিত রাখতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

হামলার উৎস নিয়ে ধোঁয়াশা
এই ড্রোন হামলা কোথা থেকে চালানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কাস্পিয়ান সাগর ইউক্রেনের নিকটতম সীমান্ত থেকে সাতশ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত, যা হামলার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

রাশিয়ার জ্বালানি আয়ে চাপ বাড়ানোর কৌশল
চলতি বছর জুড়ে ইউক্রেন একাধিকবার রাশিয়ার তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। লক্ষ্য একটাই—যুদ্ধ চালানোর জন্য মস্কোর আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করা। বিশেষ করে ইউরোপীয় অংশে অবস্থিত তেল শোধনাগারগুলো এসব হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

অভিযান বিস্তৃত হচ্ছে সমুদ্রপথেও
গত মাসে ইউক্রেন এই অভিযান আরও বিস্তৃত করে। কৃষ্ণ সাগর দিয়ে রুশ তেল বহনকারী অনিয়ন্ত্রিত ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সাম্প্রতিক দুই সপ্তাহেই এমন তিনটি জাহাজে সমুদ্র ড্রোনের আঘাত লেগেছে।