০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেক, স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে বিশ্বকাপে চমক বিএসএফ সম্মেলন ঘিরে ‘বিভ্রান্তিকর’ প্রচারণা নাকচ করল বিজিবি যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ: খেলাধুলা কি সত্যিই রাজনীতির বাইরে? জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ

অপরিশোধিত তেল সংকটে দেশের একমাত্র শোধনাগার ইআরএল বন্ধের মুখে

ইরান যুদ্ধের কারণে দেড় মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িক বন্ধের ঝুঁকিতে পড়েছে। জ্বালানি বিভাগ ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সূত্র জানিয়েছে, ডেডস্টক ও পাইপলাইনে অবশিষ্ট তেল মিলিয়ে বর্তমান মজুত দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন চালানো সম্ভব ছিল। শোধনাগারটি সাধারণত দৈনিক ৪,৫০০ টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়া করলেও সংকটের কারণে তা কমিয়ে ৩,৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে।

দেশের একমাত্র শোধনাগারে অপরিশোধিত তেলের মজুত কেমন?

মজুত পরিস্থিতি ও জরুরি উদ্যোগ

৪ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত ২,০০০ টনের নিচে নেমে গেছে। এর বাইরে ট্যাংকের তলানিতে প্রায় ১০,০০০ টন ডেডস্টক এবং পাইপলাইনে প্রায় ৫,০০০ টন তেল রয়েছে, যা উদ্ধার করতে বিশেষ পাম্পিং প্রয়োজন। সব মিলিয়ে এই মজুত দিয়ে মাত্র পাঁচ দিন চালানো সম্ভব। সরকার জরুরি ভিত্তিতে চালান সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে। সৌদি আরব থেকে আরও একটি ১,০০,০০০ টনের চালান ১৮ এপ্রিল রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জ্বালানি সংকট কি আসন্ন

জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, ইআরএল দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ পূরণ করে। ইরান সংকটের শুরু থেকেই সরকার পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি বাড়িয়ে শোধনাগারের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে ৬০,০০০ টন পরিশোধিত তেল বহনকারী দুটি জাহাজ এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও ৬০,০০০ টনের চালান প্রত্যাশিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি না খোলা পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: বন্ধের শঙ্কায় একমাত্র তেল শোধনাগার ইআরএল -  NewsNow24

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেক, স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে বিশ্বকাপে চমক

অপরিশোধিত তেল সংকটে দেশের একমাত্র শোধনাগার ইআরএল বন্ধের মুখে

০৪:১৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধের কারণে দেড় মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িক বন্ধের ঝুঁকিতে পড়েছে। জ্বালানি বিভাগ ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সূত্র জানিয়েছে, ডেডস্টক ও পাইপলাইনে অবশিষ্ট তেল মিলিয়ে বর্তমান মজুত দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন চালানো সম্ভব ছিল। শোধনাগারটি সাধারণত দৈনিক ৪,৫০০ টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়া করলেও সংকটের কারণে তা কমিয়ে ৩,৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে।

দেশের একমাত্র শোধনাগারে অপরিশোধিত তেলের মজুত কেমন?

মজুত পরিস্থিতি ও জরুরি উদ্যোগ

৪ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত ২,০০০ টনের নিচে নেমে গেছে। এর বাইরে ট্যাংকের তলানিতে প্রায় ১০,০০০ টন ডেডস্টক এবং পাইপলাইনে প্রায় ৫,০০০ টন তেল রয়েছে, যা উদ্ধার করতে বিশেষ পাম্পিং প্রয়োজন। সব মিলিয়ে এই মজুত দিয়ে মাত্র পাঁচ দিন চালানো সম্ভব। সরকার জরুরি ভিত্তিতে চালান সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে। সৌদি আরব থেকে আরও একটি ১,০০,০০০ টনের চালান ১৮ এপ্রিল রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জ্বালানি সংকট কি আসন্ন

জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, ইআরএল দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ পূরণ করে। ইরান সংকটের শুরু থেকেই সরকার পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি বাড়িয়ে শোধনাগারের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে ৬০,০০০ টন পরিশোধিত তেল বহনকারী দুটি জাহাজ এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও ৬০,০০০ টনের চালান প্রত্যাশিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি না খোলা পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: বন্ধের শঙ্কায় একমাত্র তেল শোধনাগার ইআরএল -  NewsNow24