০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
সৃজনশীলতার সংকটে শিক্ষা: ভবিষ্যতের জন্য কি এখনও উপযোগী আমাদের স্কুল? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন ভূরাজনীতি: ‘বিনামূল্যের’ প্রযুক্তির আড়ালে কী লুকিয়ে আছে? মোদির পদত্যাগের ভাইরাল চিঠি সঠিক নয়, স্পষ্ট করল ভারতের সরকার দিল্লিতে নীট আন্দোলনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত: অপরাধমূলক অতীত না থাকলে আইনি পদক্ষেপ নয় গ্যাস সংকট আরও দীর্ঘায়িত: তিতাসের গ্রাহকদের নিম্নচাপ অব্যাহত, এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটিতে সরবরাহ কমেছে ৫৫০ এমএমসিএফডি হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ৮৩৫ পাবনায় সেপটিক ট্যাংকে স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর রহস্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ এনসিপির বহরে আবারও হামলার অভিযোগ, এবার সিলেটের গোলাপগঞ্জে ইট নিক্ষেপে ক্ষতিগ্রস্ত একটি গাড়ি হাঙ্গুতে জঙ্গি হামলা: ডিএসপিসহ ১১ পুলিশ নিহত, পাল্টা অভিযানে ১৫ হামলাকারী নিহত সিলেটে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন

পরিষ্কার জ্বালানির প্রবৃদ্ধিতে বৈশ্বিক নিঃসরণ স্থিতিশীল, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

জ্বালানি রূপান্তরের অগ্রগতি
বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ স্থিতিশীল হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে, কারণ সৌর ও বায়ু শক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ বাড়তি বিদ্যুৎ চাহিদা সামাল দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির রেকর্ড সংযোজন নিঃসরণ বাড়তে দেয়নি।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এটি চূড়ান্ত সাফল্য নয়। জলবায়ু লক্ষ্যের তুলনায় নিঃসরণ এখনও অনেক বেশি। তবু জ্বালানি ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ দখল করছে। গ্রিড-স্কেল স্টোরেজ নির্ভরযোগ্যতা বাড়াচ্ছে, আর কয়েকটি দেশে কয়লার ব্যবহার কমছে। বিনিয়োগও ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসছে।

ভবিষ্যতের বাধা
শিল্প, বিমান ও নৌপরিবহন খাতে কার্বন কমানোর গতি এখনও ধীর। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থায়নের সংকট বড় সমস্যা। নীতিগত অনিশ্চয়তাও ঝুঁকি তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিঃসরণ স্থিতিশীল হওয়া কেবল শুরু। প্রকৃত লক্ষ্য পূরণে ধারাবাহিকভাবে নিঃসরণ কমাতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৃজনশীলতার সংকটে শিক্ষা: ভবিষ্যতের জন্য কি এখনও উপযোগী আমাদের স্কুল?

পরিষ্কার জ্বালানির প্রবৃদ্ধিতে বৈশ্বিক নিঃসরণ স্থিতিশীল, তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

০৫:২৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

জ্বালানি রূপান্তরের অগ্রগতি
বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ স্থিতিশীল হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে, কারণ সৌর ও বায়ু শক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ বাড়তি বিদ্যুৎ চাহিদা সামাল দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির রেকর্ড সংযোজন নিঃসরণ বাড়তে দেয়নি।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এটি চূড়ান্ত সাফল্য নয়। জলবায়ু লক্ষ্যের তুলনায় নিঃসরণ এখনও অনেক বেশি। তবু জ্বালানি ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ দখল করছে। গ্রিড-স্কেল স্টোরেজ নির্ভরযোগ্যতা বাড়াচ্ছে, আর কয়েকটি দেশে কয়লার ব্যবহার কমছে। বিনিয়োগও ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসছে।

ভবিষ্যতের বাধা
শিল্প, বিমান ও নৌপরিবহন খাতে কার্বন কমানোর গতি এখনও ধীর। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থায়নের সংকট বড় সমস্যা। নীতিগত অনিশ্চয়তাও ঝুঁকি তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিঃসরণ স্থিতিশীল হওয়া কেবল শুরু। প্রকৃত লক্ষ্য পূরণে ধারাবাহিকভাবে নিঃসরণ কমাতে হবে।