১০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধকে কীভাবে ভাবা উচিত আলিসা লিউ ও আইলিন গু: দুই দেশের আয়নায় প্রতিচ্ছবি মানুষ ৪০ হাজার বছর আগে লিখতে শিখেছিলো কেন পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন গুচির দেহমোহে বাজি, নব্বই দশকের ঝলক ফেরাতে ডেমনার সাহসী প্রদর্শনী জাপানের ধনীদের দিকে ঝুঁকছে কেকেআর ও ব্ল্যাকস্টোন, মার্কিন বেসরকারি সম্পদ বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই নতুন কৌশল মুন দুবাই কি সত্যিই বাস্তব হচ্ছে? ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন প্রতিষ্ঠাতারা সাউথ চায়না সি আচরণবিধি ২০২৬-এর মধ্যে সম্ভব নয়: বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা আগের ধস কাটিয়ে শুরুতেই ঘুরে দাঁড়াল ডিএসই ও সিএসই সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেস ক্লাব সভাপতির ওপর হামলা, আটক ২

তারেক রহমান ও জামায়াত আমিরের চেয়েও বেশি নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয়

বার্ষিক আয়ের হিসাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের চেয়ে এগিয়ে আছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া সর্বশেষ নির্বাচনী হলফনামা পর্যালোচনায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

হলফনামা অনুযায়ী, নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। একই নথিতে দেখা যায়, তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা এবং ডা. শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আয়ের দিক থেকে নাহিদ ইসলাম এগিয়ে থাকলেও মোট সম্পদের হিসাবে শীর্ষে রয়েছেন তারেক রহমান, তার পরেই অবস্থান ডা. শফিকুর রহমানের।

নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পদের বিবরণ
নাহিদ ইসলামের হলফনামা থেকে জানা যায়, তিনি শিক্ষকতা ও পরামর্শক পেশা থেকে বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন। তার নামে কোনো দেনার তথ্য উল্লেখ না থাকলেও ব্যাংক ঋণের একটি তথ্য নথিভুক্ত রয়েছে। নগদ অর্থ হিসেবে তার কাছে আছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২ লাখ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা।

অলংকার হিসেবে নাহিদ ইসলামের গহনার মূল্য প্রায় পৌনে ৮ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রীর গহনার মূল্য ১০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক সামগ্রী আছে ১ লাখ টাকার এবং আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। আগের বছরে তার আয় দেখানো হয়েছিল ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা।

তারেক রহমানের সম্পদের হিসাব
তারেক রহমানের হলফনামা অনুযায়ী, তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। শেয়ার ও সঞ্চয়পত্রে তার বিনিয়োগ ৫ লাখ টাকা। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য দেখানো হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা এবং কোম্পানিতে বিনিয়োগ রয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ব্যাংকে তার এফডিআরের পরিমাণ ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। পাশাপাশি সঞ্চয়ী হিসাবে রয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য আমানত ১ লাখ টাকা। তার গহনার মূল্য ২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা। তার নামে রয়েছে ২ দশমিক ০১ একর ও ১ দশমিক ৪ শতাংশ অকৃষি জমি, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আরও রয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি ভবন, যা উপহার হিসেবে পাওয়া হওয়ায় এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা।

ডা. শফিকুর রহমানের সম্পদ ও আয়
ডা. শফিকুর রহমানের হলফনামা অনুযায়ী, তার মালিকানায় ১১ দশমিক ৭৭ শতক জমির ওপর একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২৭ লাখ টাকা। পেশা হিসেবে তিনি চিকিৎসক উল্লেখ করেছেন। তার কাছে থাকা ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ২ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ঋণপত্র ও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানিতে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ টাকা। তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেননি বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। তার নামে রয়েছে ২ একর ১৭ শতক কৃষিজমি, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা। বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৪৭ লাখ ২৫ হাজার ৮৩৪ টাকা। কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধকে কীভাবে ভাবা উচিত

তারেক রহমান ও জামায়াত আমিরের চেয়েও বেশি নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয়

০৮:২০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বার্ষিক আয়ের হিসাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের চেয়ে এগিয়ে আছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া সর্বশেষ নির্বাচনী হলফনামা পর্যালোচনায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

হলফনামা অনুযায়ী, নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। একই নথিতে দেখা যায়, তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা এবং ডা. শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আয়ের দিক থেকে নাহিদ ইসলাম এগিয়ে থাকলেও মোট সম্পদের হিসাবে শীর্ষে রয়েছেন তারেক রহমান, তার পরেই অবস্থান ডা. শফিকুর রহমানের।

নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পদের বিবরণ
নাহিদ ইসলামের হলফনামা থেকে জানা যায়, তিনি শিক্ষকতা ও পরামর্শক পেশা থেকে বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন। তার নামে কোনো দেনার তথ্য উল্লেখ না থাকলেও ব্যাংক ঋণের একটি তথ্য নথিভুক্ত রয়েছে। নগদ অর্থ হিসেবে তার কাছে আছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২ লাখ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা।

অলংকার হিসেবে নাহিদ ইসলামের গহনার মূল্য প্রায় পৌনে ৮ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রীর গহনার মূল্য ১০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক সামগ্রী আছে ১ লাখ টাকার এবং আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। আগের বছরে তার আয় দেখানো হয়েছিল ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা।

তারেক রহমানের সম্পদের হিসাব
তারেক রহমানের হলফনামা অনুযায়ী, তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। শেয়ার ও সঞ্চয়পত্রে তার বিনিয়োগ ৫ লাখ টাকা। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য দেখানো হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা এবং কোম্পানিতে বিনিয়োগ রয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ব্যাংকে তার এফডিআরের পরিমাণ ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। পাশাপাশি সঞ্চয়ী হিসাবে রয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য আমানত ১ লাখ টাকা। তার গহনার মূল্য ২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা। তার নামে রয়েছে ২ দশমিক ০১ একর ও ১ দশমিক ৪ শতাংশ অকৃষি জমি, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আরও রয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি ভবন, যা উপহার হিসেবে পাওয়া হওয়ায় এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা।

ডা. শফিকুর রহমানের সম্পদ ও আয়
ডা. শফিকুর রহমানের হলফনামা অনুযায়ী, তার মালিকানায় ১১ দশমিক ৭৭ শতক জমির ওপর একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২৭ লাখ টাকা। পেশা হিসেবে তিনি চিকিৎসক উল্লেখ করেছেন। তার কাছে থাকা ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ২ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ঋণপত্র ও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানিতে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ টাকা। তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেননি বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। তার নামে রয়েছে ২ একর ১৭ শতক কৃষিজমি, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা। বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৪৭ লাখ ২৫ হাজার ৮৩৪ টাকা। কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।