১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি দামের ধাক্কায় বিশ্ব অর্থনীতি চাপে, ঋণের বোঝায় সীমায় পৌঁছাচ্ছে সরকারগুলো মরুভূমিতে স্কি স্বপ্ন ভেঙে গেল: সৌদি আরবের ট্রোজেনা প্রকল্পে বড় ধাক্কা অপ্রত্যাশিত সম্পর্কের গল্পে নতুন ঝড়: ‘ফ্যান্টাসি লাইফ’-এ মধ্যবয়সের শূন্যতা ও ভালোবাসার খোঁজ মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টে যাচ্ছে সমীকরণ: ইরানের দখলে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ, চাপে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: এশিয়ার বন্দরে জট, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় সংকট ভূমিকম্পের এক বছর পরও থমকে পুনর্গঠন, মিয়ানমারে দুঃস্বপ্ন এখনো জীবন্ত ইরান থেকে পালানোর পথ তুরস্ক সীমান্ত: অন্তহীন যুদ্ধের ক্লান্তি আর মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি প্রমাণ, কোটি টাকার ক্ষতিপূরণে বিপাকে প্রযুক্তি জায়ান্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবটের ঝুঁকি বাড়ছে, ব্যবহারকারীর সুরক্ষায় বাধ্যতামূলক নজরদারির দাবি চীনের উত্থানে নতুন বৈশ্বিক পথ: সহযোগিতার ডাক সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর

ধীরে চলেই কবিতার সেতুবন্ধন, সংস্কৃতির ভেতর দিয়ে অনুবাদের পথে আর্থার সেজ

যুক্তরাষ্ট্রের পঁচিশতম জাতীয় কবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আর্থার সেজের কাছে কবিতা অনুবাদ মানে তাড়াহুড়া নয়, বরং সচেতনভাবে ধীরে এগোনো। চীনের প্রাচীন তাং রাজবংশের কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় তিনি নিজ হাতে চীনা অক্ষর লিখে নেন। তুলি চালানোর গতি আর অক্ষরের ফাঁকের ছন্দে নিজেকে ধীর করে তোলেন তিনি। এই ধীরতার চর্চাই তার শিল্পভাবনার কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে কবিতাকে যত্নের সঙ্গে না ধরলে তার গভীরতা আর অনুভব এক সংস্কৃতি থেকে আরেক সংস্কৃতিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

অনুবাদে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব
আর্থার সেজ বলেন, তিনি কেবল সেই কবিতাই অনুবাদ করেন, যেগুলোর সঙ্গে তার গভীর টান আছে। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি মোটে পঁচাত্তরটি কবিতা অনুবাদ করেছেন। তার মতে, এটি কোনো দায়িত্ব পালন বা কাজের অর্ডার নয়। কবিতার সঙ্গে সময় কাটাতে হয়, ভাবনায় ডুবে থাকতে হয় এবং তার প্রতি যত্নবান হতে হয়।

কবির সঙ্গে সংলাপ, অনুবাদের শক্তি
সম্ভব হলে তিনি মূল চীনা কবিদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন করতে পছন্দ করেন। এতে অনুবাদ আরও গভীর ও শক্তিশালী হয় বলে তার বিশ্বাস। কবিতাকে কেবল ভাষান্তর নয়, বরং সংস্কৃতি আর অনুভূতির সেতু হিসেবে দেখেন আর্থার সেজ, যেখানে ধীরতা আর মনোযোগই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি দামের ধাক্কায় বিশ্ব অর্থনীতি চাপে, ঋণের বোঝায় সীমায় পৌঁছাচ্ছে সরকারগুলো

ধীরে চলেই কবিতার সেতুবন্ধন, সংস্কৃতির ভেতর দিয়ে অনুবাদের পথে আর্থার সেজ

০৩:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পঁচিশতম জাতীয় কবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আর্থার সেজের কাছে কবিতা অনুবাদ মানে তাড়াহুড়া নয়, বরং সচেতনভাবে ধীরে এগোনো। চীনের প্রাচীন তাং রাজবংশের কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় তিনি নিজ হাতে চীনা অক্ষর লিখে নেন। তুলি চালানোর গতি আর অক্ষরের ফাঁকের ছন্দে নিজেকে ধীর করে তোলেন তিনি। এই ধীরতার চর্চাই তার শিল্পভাবনার কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে কবিতাকে যত্নের সঙ্গে না ধরলে তার গভীরতা আর অনুভব এক সংস্কৃতি থেকে আরেক সংস্কৃতিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

অনুবাদে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব
আর্থার সেজ বলেন, তিনি কেবল সেই কবিতাই অনুবাদ করেন, যেগুলোর সঙ্গে তার গভীর টান আছে। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি মোটে পঁচাত্তরটি কবিতা অনুবাদ করেছেন। তার মতে, এটি কোনো দায়িত্ব পালন বা কাজের অর্ডার নয়। কবিতার সঙ্গে সময় কাটাতে হয়, ভাবনায় ডুবে থাকতে হয় এবং তার প্রতি যত্নবান হতে হয়।

কবির সঙ্গে সংলাপ, অনুবাদের শক্তি
সম্ভব হলে তিনি মূল চীনা কবিদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন করতে পছন্দ করেন। এতে অনুবাদ আরও গভীর ও শক্তিশালী হয় বলে তার বিশ্বাস। কবিতাকে কেবল ভাষান্তর নয়, বরং সংস্কৃতি আর অনুভূতির সেতু হিসেবে দেখেন আর্থার সেজ, যেখানে ধীরতা আর মনোযোগই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।