০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

ধীরে চলেই কবিতার সেতুবন্ধন, সংস্কৃতির ভেতর দিয়ে অনুবাদের পথে আর্থার সেজ

যুক্তরাষ্ট্রের পঁচিশতম জাতীয় কবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আর্থার সেজের কাছে কবিতা অনুবাদ মানে তাড়াহুড়া নয়, বরং সচেতনভাবে ধীরে এগোনো। চীনের প্রাচীন তাং রাজবংশের কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় তিনি নিজ হাতে চীনা অক্ষর লিখে নেন। তুলি চালানোর গতি আর অক্ষরের ফাঁকের ছন্দে নিজেকে ধীর করে তোলেন তিনি। এই ধীরতার চর্চাই তার শিল্পভাবনার কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে কবিতাকে যত্নের সঙ্গে না ধরলে তার গভীরতা আর অনুভব এক সংস্কৃতি থেকে আরেক সংস্কৃতিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

অনুবাদে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব
আর্থার সেজ বলেন, তিনি কেবল সেই কবিতাই অনুবাদ করেন, যেগুলোর সঙ্গে তার গভীর টান আছে। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি মোটে পঁচাত্তরটি কবিতা অনুবাদ করেছেন। তার মতে, এটি কোনো দায়িত্ব পালন বা কাজের অর্ডার নয়। কবিতার সঙ্গে সময় কাটাতে হয়, ভাবনায় ডুবে থাকতে হয় এবং তার প্রতি যত্নবান হতে হয়।

কবির সঙ্গে সংলাপ, অনুবাদের শক্তি
সম্ভব হলে তিনি মূল চীনা কবিদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন করতে পছন্দ করেন। এতে অনুবাদ আরও গভীর ও শক্তিশালী হয় বলে তার বিশ্বাস। কবিতাকে কেবল ভাষান্তর নয়, বরং সংস্কৃতি আর অনুভূতির সেতু হিসেবে দেখেন আর্থার সেজ, যেখানে ধীরতা আর মনোযোগই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

ধীরে চলেই কবিতার সেতুবন্ধন, সংস্কৃতির ভেতর দিয়ে অনুবাদের পথে আর্থার সেজ

০৩:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পঁচিশতম জাতীয় কবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আর্থার সেজের কাছে কবিতা অনুবাদ মানে তাড়াহুড়া নয়, বরং সচেতনভাবে ধীরে এগোনো। চীনের প্রাচীন তাং রাজবংশের কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় তিনি নিজ হাতে চীনা অক্ষর লিখে নেন। তুলি চালানোর গতি আর অক্ষরের ফাঁকের ছন্দে নিজেকে ধীর করে তোলেন তিনি। এই ধীরতার চর্চাই তার শিল্পভাবনার কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে কবিতাকে যত্নের সঙ্গে না ধরলে তার গভীরতা আর অনুভব এক সংস্কৃতি থেকে আরেক সংস্কৃতিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

অনুবাদে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব
আর্থার সেজ বলেন, তিনি কেবল সেই কবিতাই অনুবাদ করেন, যেগুলোর সঙ্গে তার গভীর টান আছে। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি মোটে পঁচাত্তরটি কবিতা অনুবাদ করেছেন। তার মতে, এটি কোনো দায়িত্ব পালন বা কাজের অর্ডার নয়। কবিতার সঙ্গে সময় কাটাতে হয়, ভাবনায় ডুবে থাকতে হয় এবং তার প্রতি যত্নবান হতে হয়।

কবির সঙ্গে সংলাপ, অনুবাদের শক্তি
সম্ভব হলে তিনি মূল চীনা কবিদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন করতে পছন্দ করেন। এতে অনুবাদ আরও গভীর ও শক্তিশালী হয় বলে তার বিশ্বাস। কবিতাকে কেবল ভাষান্তর নয়, বরং সংস্কৃতি আর অনুভূতির সেতু হিসেবে দেখেন আর্থার সেজ, যেখানে ধীরতা আর মনোযোগই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।