০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

একসময় নকল ওষুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত চীন, এখন বৈশ্বিক ওষুধ উদ্ভাবনের শক্তিকেন্দ্র

একসময় নকল ও জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত চীনের ওষুধশিল্প এখন দ্রুত বৈশ্বিক উদ্ভাবনের শক্তিকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। অবকাঠামো, গবেষণা সক্ষমতা এবং বড় অঙ্কের বিনিয়োগের মাধ্যমে চীনা ওষুধ কোম্পানিগুলো এখন বিশ্বের শীর্ষ ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতার অবস্থানে পৌঁছেছে।

উদ্ভাবনের কেন্দ্রে চীনের অগ্রযাত্রা

বিশ্বব্যাপী পরামর্শক সংস্থাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, চীন ক্রমেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছে। গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ, আধুনিক ল্যাব সুবিধা এবং দক্ষ মানবসম্পদের কারণে দেশটির ওষুধশিল্প এখন আর কেবল জেনেরিক উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ধীরে ধীরে মৌলিক ও নতুন ওষুধ উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ বাড়াচ্ছে চীন, যার প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারেও।

নতুন সূচকে স্বীকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসএআই মেডপার্টনার্স এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইডিয়া ফার্মা সম্প্রতি চীনের ওষুধশিল্পের উদ্ভাবনী সক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য একটি নতুন সূচক চালু করেছে। এই সূচকের মাধ্যমে জেনেরিক উৎপাদন থেকে প্রকৃত উদ্ভাবনের পথে চীনা কোম্পানিগুলোর অগ্রযাত্রাকে আলাদাভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৭ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো প্রকাশ করা হয় চায়না ফার্মাসিউটিক্যাল ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন ইনডেক্স। এর আগে টানা ১৪ বছর ধরে বৈশ্বিক ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্ভাবন সূচকের অংশ হিসেবেই চীনের অবস্থান মূল্যায়ন করা হতো।

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নতুন অবস্থান

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই সূচক প্রমাণ করছে যে চীনের ওষুধশিল্প এখন আর কেবল অনুসরণকারী নয়, বরং বৈশ্বিক উদ্ভাবনের প্রতিযোগিতায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। নতুন ওষুধ আবিষ্কার, ক্লিনিক্যাল গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় দেশটি দ্রুত বড় পরিসরের খেলোয়াড়ে পরিণত হচ্ছে।

ফলে বৈশ্বিক ওষুধবাজারে চীনের ভূমিকা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে এই খাতের নেতৃত্বে দেশটির প্রভাব আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।

একসময় নকল ওষুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত চীন, এখন বৈশ্বিক ওষুধ উদ্ভাবনের শক্তিকেন্দ্র

০১:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

একসময় নকল ও জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত চীনের ওষুধশিল্প এখন দ্রুত বৈশ্বিক উদ্ভাবনের শক্তিকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। অবকাঠামো, গবেষণা সক্ষমতা এবং বড় অঙ্কের বিনিয়োগের মাধ্যমে চীনা ওষুধ কোম্পানিগুলো এখন বিশ্বের শীর্ষ ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতার অবস্থানে পৌঁছেছে।

উদ্ভাবনের কেন্দ্রে চীনের অগ্রযাত্রা

বিশ্বব্যাপী পরামর্শক সংস্থাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, চীন ক্রমেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছে। গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ, আধুনিক ল্যাব সুবিধা এবং দক্ষ মানবসম্পদের কারণে দেশটির ওষুধশিল্প এখন আর কেবল জেনেরিক উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ধীরে ধীরে মৌলিক ও নতুন ওষুধ উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ বাড়াচ্ছে চীন, যার প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারেও।

নতুন সূচকে স্বীকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসএআই মেডপার্টনার্স এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইডিয়া ফার্মা সম্প্রতি চীনের ওষুধশিল্পের উদ্ভাবনী সক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য একটি নতুন সূচক চালু করেছে। এই সূচকের মাধ্যমে জেনেরিক উৎপাদন থেকে প্রকৃত উদ্ভাবনের পথে চীনা কোম্পানিগুলোর অগ্রযাত্রাকে আলাদাভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৭ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো প্রকাশ করা হয় চায়না ফার্মাসিউটিক্যাল ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন ইনডেক্স। এর আগে টানা ১৪ বছর ধরে বৈশ্বিক ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্ভাবন সূচকের অংশ হিসেবেই চীনের অবস্থান মূল্যায়ন করা হতো।

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নতুন অবস্থান

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই সূচক প্রমাণ করছে যে চীনের ওষুধশিল্প এখন আর কেবল অনুসরণকারী নয়, বরং বৈশ্বিক উদ্ভাবনের প্রতিযোগিতায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। নতুন ওষুধ আবিষ্কার, ক্লিনিক্যাল গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় দেশটি দ্রুত বড় পরিসরের খেলোয়াড়ে পরিণত হচ্ছে।

ফলে বৈশ্বিক ওষুধবাজারে চীনের ভূমিকা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে এই খাতের নেতৃত্বে দেশটির প্রভাব আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।