০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
“ভয়েস এআই বাজারে ডিপগ্রামের তেজি অগ্রযাত্রা” দাভোস সম্মেলনে নতুন বিশ্ব শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা সরকারের অনুমোদন: এক কোটি লিটার সয়াবিন তেল ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন সার কেনা ইরানে বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা তীব্র, নিহতের সংখ্যা প্রায় দুই হাজারে পৌঁছানোর আশঙ্কা গ্যাস সংকট ও চাঁদাবাজিতে রেস্তোরাঁ ব্যবসা চালানো হয়ে উঠছে অসম্ভব সস্তা চিনিযুক্ত পানীয় ও অ্যালকোহলে বাড়ছে অসংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি রাজধানীতে স্ত্রীকে বেঁধে জামায়াত নেতাকে হত্যা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রান্না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা

আড়ানী স্টেশনের কাছে ধুমকেতু এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন, বড় দুর্ঘটনা এড়াল ট্রেন

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী স্টেশন এলাকার কাছে রাজশাহী–ঢাকাগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণহানির খবর না থাকলেও একটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু অংশে প্রযুক্তিগত ক্ষতির তথ্যও এসেছে।

আড়ানীতে ধুমকেতু এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন
রেলপথ বাংলাদেশের প্রধান গণপরিবহন—বিশেষ করে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে দীর্ঘপথের যাত্রী, নারী-শিশু ও বয়স্কদের উপস্থিতি বেশি থাকে। ফলে বগিতে আগুন লাগা মানেই উচ্চ ঝুঁকি। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন—আগুন লাগার কারণ কী। সাধারণত ট্রেনের বগিতে আগুন লাগার পেছনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, ওভারহিটিং, জেনারেটর/ব্যাটারি সংশ্লিষ্ট ত্রুটি, কিংবা যাত্রীদের অসাবধানতা (দাহ্য বস্তু/চুলা জাতীয় কিছু) থাকলেও তা তদন্তসাপেক্ষ।
ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা ক্ষতিগ্রস্ত বগির কারিগরি পরীক্ষা এবং রুটে নিরাপত্তা পর্যালোচনার দিকে যেতে পারে। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের কার্যকারিতা, জরুরি নির্দেশনা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ—এসব বিষয় আবার গুরুত্ব পাচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনায় ট্রেন চলাচলে সাময়িক বিঘ্নও হতে পারে—যা শুধু যাত্রী ভোগান্তি নয়, মালবাহী শিডিউল ও অন্যান্য ট্রেনের টাইমিংকেও প্রভাবিত করে। তাই কারণ দ্রুত নির্ণয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

“ভয়েস এআই বাজারে ডিপগ্রামের তেজি অগ্রযাত্রা”

আড়ানী স্টেশনের কাছে ধুমকেতু এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন, বড় দুর্ঘটনা এড়াল ট্রেন

০৭:০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী স্টেশন এলাকার কাছে রাজশাহী–ঢাকাগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণহানির খবর না থাকলেও একটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু অংশে প্রযুক্তিগত ক্ষতির তথ্যও এসেছে।

আড়ানীতে ধুমকেতু এক্সপ্রেসের বগিতে আগুন
রেলপথ বাংলাদেশের প্রধান গণপরিবহন—বিশেষ করে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে দীর্ঘপথের যাত্রী, নারী-শিশু ও বয়স্কদের উপস্থিতি বেশি থাকে। ফলে বগিতে আগুন লাগা মানেই উচ্চ ঝুঁকি। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন—আগুন লাগার কারণ কী। সাধারণত ট্রেনের বগিতে আগুন লাগার পেছনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, ওভারহিটিং, জেনারেটর/ব্যাটারি সংশ্লিষ্ট ত্রুটি, কিংবা যাত্রীদের অসাবধানতা (দাহ্য বস্তু/চুলা জাতীয় কিছু) থাকলেও তা তদন্তসাপেক্ষ।
ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা ক্ষতিগ্রস্ত বগির কারিগরি পরীক্ষা এবং রুটে নিরাপত্তা পর্যালোচনার দিকে যেতে পারে। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের কার্যকারিতা, জরুরি নির্দেশনা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ—এসব বিষয় আবার গুরুত্ব পাচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনায় ট্রেন চলাচলে সাময়িক বিঘ্নও হতে পারে—যা শুধু যাত্রী ভোগান্তি নয়, মালবাহী শিডিউল ও অন্যান্য ট্রেনের টাইমিংকেও প্রভাবিত করে। তাই কারণ দ্রুত নির্ণয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।