রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী স্টেশন এলাকার কাছে রাজশাহী–ঢাকাগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণহানির খবর না থাকলেও একটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু অংশে প্রযুক্তিগত ক্ষতির তথ্যও এসেছে।

রেলপথ বাংলাদেশের প্রধান গণপরিবহন—বিশেষ করে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে দীর্ঘপথের যাত্রী, নারী-শিশু ও বয়স্কদের উপস্থিতি বেশি থাকে। ফলে বগিতে আগুন লাগা মানেই উচ্চ ঝুঁকি। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন—আগুন লাগার কারণ কী। সাধারণত ট্রেনের বগিতে আগুন লাগার পেছনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, ওভারহিটিং, জেনারেটর/ব্যাটারি সংশ্লিষ্ট ত্রুটি, কিংবা যাত্রীদের অসাবধানতা (দাহ্য বস্তু/চুলা জাতীয় কিছু) থাকলেও তা তদন্তসাপেক্ষ।
ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা ক্ষতিগ্রস্ত বগির কারিগরি পরীক্ষা এবং রুটে নিরাপত্তা পর্যালোচনার দিকে যেতে পারে। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের কার্যকারিতা, জরুরি নির্দেশনা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ—এসব বিষয় আবার গুরুত্ব পাচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনায় ট্রেন চলাচলে সাময়িক বিঘ্নও হতে পারে—যা শুধু যাত্রী ভোগান্তি নয়, মালবাহী শিডিউল ও অন্যান্য ট্রেনের টাইমিংকেও প্রভাবিত করে। তাই কারণ দ্রুত নির্ণয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















