যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিকে আরও কড়া করার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জালিয়াতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে সোমালিয়া কিংবা অন্য যেকোনো দেশ থেকে আসা স্বাভাবিক কৃত অভিবাসীদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট
ডেট্রয়েটে ইকোনমিক ক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যারা আমাদের নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ধরে রাখার কোনো অধিকার নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন সব অভিবাসীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

কী বললেন ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষায়, সোমালিয়া হোক কিংবা অন্য কোনো দেশ, স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে যারা নাগরিকত্ব পেয়েছে এবং পরে জালিয়াতির অপরাধে দোষী প্রমাণিত হয়েছে, তাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করা হবে। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থেই নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
অভিবাসী মহলে উদ্বেগ
এই ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অভিবাসী সম্প্রদায়ের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মিনেসোটার সোমালি কমিউনিটিতে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ফেডারেল তৎপরতার খবর ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক ও আইনি প্রভাব
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য নির্বাচনী রাজনীতিতে অভিবাসন ইস্যুকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে। নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া কতটা সহজ বা আইনি ভাবে কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন মানবাধিকার সংগঠন ও আইন বিশেষজ্ঞরা।
সামনে কী হতে পারে
প্রশাসন যদি এই নীতি বাস্তবায়নের পথে এগোয়, তবে হাজারো স্বাভাবিকীকৃত অভিবাসীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন ও নাগরিকত্ব নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















