বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল (T&A) খাত ২০২৬ সালে ঢুকছে ‘স্থিতিশীল কিন্তু চাপের’ বাস্তবতায়—টেক্সটাইল টুডে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এটি এক ধরনের “ব্রিজ ইয়ার”, যেখানে বড় উড়াল না হলেও টিকে থাকা, বাজার ধরে রাখা এবং পরের ধাপে যাওয়ার প্রস্তুতি—এসবই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে আরেকটি তীক্ষ্ণ বাস্তবতা আছে: ট্যারিফ-ঘড়ি চলছে, বাণিজ্য সুবিধার পরিবর্তন সামনে, আর প্রতিযোগীরা দ্রুত সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।

বিশ্লেষণে ইঙ্গিত আছে—অর্ডার সাইকেল, মূল্যচাপ, উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি ও লজিস্টিক খরচ—সব মিলিয়ে খাতের মার্জিন চাপে। একই সঙ্গে উচ্চমূল্যের পণ্য, প্রযুক্তি আপগ্রেড, দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাজার বৈচিত্র্য—এসব ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে ‘স্ট্যাবিলিটি’ ধরে রাখাও কঠিন।
‘ট্যারিফ ক্লক’ কেন ভয় দেখাচ্ছে
বাণিজ্য সুবিধা কমে গেলে একই পণ্যে শুল্ক বেড়ে যেতে পারে—ফলে ক্রেতারা দামের কারণে অন্য দেশে চলে যেতে পারে। তাই ২০২৬-এ চ্যালেঞ্জ শুধু অর্ডার আনা নয়; দামের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার নতুন কৌশল দরকার।

খাতকে এখন কোন দিকে এগোতে হবে
উৎপাদনশীলতা, জ্বালানি দক্ষতা, ভ্যালু-অ্যাডেড পণ্য, দ্রুত ডেলিভারি—এসবই এখন প্রতিযোগিতার মুদ্রা। নীতি-সহায়তা ও অবকাঠামো উন্নয়ন না হলে শিল্পের বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত আরও সতর্ক হয়ে যাবে—যার প্রভাব পড়বে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















