০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
ইতিহাসের পথেই ভবিষ্যতের যাত্রা: একটি সড়ক কীভাবে একটি জাতির পরিচয় গড়ে তোলে একাকীত্বের সব উত্তর থেরাপি নয়, সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ ভাইরাল খাবারের নেশা: এক বাটি হিমায়িত দইয়ের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা কেন? মাইকেল জ্যাকসনের জীবনীচিত্র ঘিরে বিশ্বজুড়ে আবেগের ঢেউ, ভক্তদের মধ্যে ফিরেছে পুরোনো শোক অভিশপ্ত সাপ ঢাকার নির্দিষ্ট সড়কে আসছে ‘যানজট শুল্ক’, কিলোমিটারপ্রতি প্রস্তাব ৬.২৭ টাকা চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি: পাঁচলাইশে যুবক নিহত, তদন্তে নেমেছে পুলিশ আপনার অতীতই কি বার্ধক্যে চোখ ভিজিয়ে দেয়? স্মৃতি, আবেগ আর জীবনের শেষ অধ্যায়ের নীরব ভাষা ১৭ দিন পর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উধাও ৩ যুবক, তাদের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রেমিট্যান্সে ছন্দপতন, জুনে আট মাসের সর্বনিম্ন প্রবাসী আয়

দেড় মাস পর আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ–আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা, সায়েন্সল্যাবে যান চলাচল বন্ধ

প্রায় দেড় মাস পর আবারও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সায়েন্সল্যাব মোড়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। পরে তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে আহত ৩৭ জন ঢামেকে

এই সংঘর্ষের কারণে সায়েন্সল্যাব থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বেলা ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং এরপর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না—সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংঘর্ষের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, কী নিয়ে শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটেছে, যদিও শিক্ষার্থীরা সংঘাতে না জড়ানোর অঙ্গীকার করেছিল।

গত ৯ নভেম্বর নিউ মার্কেট থানার উদ্যোগে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা এড়ানোর বিষয়ে মৌখিক শান্তি চুক্তি হয়। কিন্তু এক মাসের মাথায়, ৯ ডিসেম্বর, সেই অঙ্গীকার ভেঙে আবার সংঘর্ষে জড়ায় তারা।

ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির অভিযোগ রয়েছে। এসব সংঘর্ষ প্রায়ই বড় আকার ধারণ করে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় এবং নগরবাসীকে ভোগান্তি সহ্য করতে হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাসের পথেই ভবিষ্যতের যাত্রা: একটি সড়ক কীভাবে একটি জাতির পরিচয় গড়ে তোলে

দেড় মাস পর আবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ–আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা, সায়েন্সল্যাবে যান চলাচল বন্ধ

০৪:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

প্রায় দেড় মাস পর আবারও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সায়েন্সল্যাব মোড়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। পরে তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে আহত ৩৭ জন ঢামেকে

এই সংঘর্ষের কারণে সায়েন্সল্যাব থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বেলা ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং এরপর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়েছেন কি না—সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংঘর্ষের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, কী নিয়ে শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটেছে, যদিও শিক্ষার্থীরা সংঘাতে না জড়ানোর অঙ্গীকার করেছিল।

গত ৯ নভেম্বর নিউ মার্কেট থানার উদ্যোগে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা এড়ানোর বিষয়ে মৌখিক শান্তি চুক্তি হয়। কিন্তু এক মাসের মাথায়, ৯ ডিসেম্বর, সেই অঙ্গীকার ভেঙে আবার সংঘর্ষে জড়ায় তারা।

ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির অভিযোগ রয়েছে। এসব সংঘর্ষ প্রায়ই বড় আকার ধারণ করে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় এবং নগরবাসীকে ভোগান্তি সহ্য করতে হয়।